সবদিকে নজর দেয়া আমার দায়িত্ব ও কর্তব্য: প্রধানমন্ত্রী

  • ২৯-জানুয়ারী-২০২০ ০৮:০৩ অপরাহ্ন
Ads

:: ভোরের পাতা ডেস্ক ::

দেশে যা কিছু হচ্ছে সবকিছুর দিকে নজর রাখছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দায়িত্বশীল হিসেবে এই নজর রাখা তার কর্তব্য বলে জানান সরকারপ্রধান।

বুধবার (২৯ জানুয়ারি) বিকালে সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে বিএনপির হারুনুর রশীদ সম্পূরক প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রীকে প্রটোকল ছাড়া বেরিয়ে ঢাকার মানুষ কেমন আছে তা দেখার অনুরোধ করেন।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, হ্যাঁ, প্রটোকল নিয়ে চলি। সেখানে নিরাপত্তার বিষয় আছে- এটাও যেমন ঠিক আবার শহর বা দেশের অবস্থা আমি একেবারেই জানি না, তা নয়। আমি সবদিকেই নজর রাখার চেষ্টা করি। ভালোভাবে লক্ষ্য রাখি।

শেখ হাসিনা বলেন, যেহেতু এদেশের দায়িত্ব আমি নিয়েছি, সবদিকে নজর দেয়া আমার দায়িত্ব ও কর্তব্য। কী হচ্ছে আমরা নজর রাখি। তবে এতে এটাও শুনতে হয় প্রধানমন্ত্রীকে কেন সব কাজ করতে হয়?

জাতীয় পার্টির সাংসদ মসিউর রহমান রাঙ্গা ঢাকার মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে মেয়েদের ওড়না পরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে এমন দাবি করে এর বিরুদ্ধে সরকারের পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান। 

জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই অভিযোগের বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তদন্তে কোনো সত্যতা খুঁজে পাওয়া যায়নি। মেয়েদের ওড়না পরা নিষিদ্ধ করার বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডিও কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন, স্বার্বভৌম ও ধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্র। বর্তমান সরকার ইসলাম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও অন্য সব ধর্মের চেতনা ও মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখতে বদ্ধপরিকর।

মসিউর রহমান রাঙ্গার সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া আমরা শুরু করে দিয়েছি। মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে এবং এটা চলতে থাকবে। আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি সচেতনতার ব্যবস্থা নিচ্ছি।

জাতীয় পার্টির ফখরুল ইমামের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের জননিরাপত্তা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বর্তমান সরকার সর্বাত্মক উদ্যোগ ও সুদৃঢ় পদক্ষেপ নিয়েছে। দুর্নীতি, মাদক নির্মূল ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের মাধ্যমে আমাদের অভিলক্ষ্য হলো- নিরাপদ জীবন ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গঠন। সন্ত্রাস, সাম্প্রদায়িকতা, জঙ্গিবাদ ও মাদক নির্মূলে পুলিশ বাহিনী নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

সরকারি দলের মোরশেদ আলমের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের নানামুখী শ্রম কূটনৈতিক তৎপরতার ফলে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিদেশগামী কর্মীর সংখ্যা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রতি বছর গড়ে ৭ থেকে ৮ লাখ কর্মী বিদেশ যাচ্ছে। ২০০৯ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ৬৬ লাখ ৩৩ হাজার ২৫৪ জনের বিদেশে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ সময়ে রেমিটেন্স এসেছে ১৫৩ দশমিক ১৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

Ads
Ads