স্কুলছাত্র আবরারের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন

  • ৯-Nov-২০১৯ ০৪:০০ অপরাহ্ন
Ads

:: ভোরের পাতা ডেস্ক ::

আদালতের নির্দেশে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্র নাইমুল আবরারের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে।

শনিবার (৯ নভেম্বর) দুপুর ২টা ৩০ মিনিটের দিকে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার ৮ নম্বর সোনাপুর ইউনিয়নের ধন্যপুর গ্রামের মাওলানা মোহাম্মদ উল্যা বাড়ির পারিবারিক কবরস্থান থেকে মরদেহটি উত্তোলন করা হয়।

এর আগে বুধবার (৬ নভেম্বর) ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর হাকিম মো. আমিনুল হক মরদেহ উত্তোলনের আদেশ দেন।

নোয়াখালীর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইলিশায় রিসিলের নেতৃত্বে আবরারের মরদেহ উত্তোলন করা হয়। এ সময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও মোহাম্মদপুর থানার ইন্সপেক্টর মো. আব্দুল আলিমসহ চারজন পুলিশ সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- সোনাইমুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) টিনা পাল, সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সামাদ ও সোনাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুল আলিম জানান, মরদেহ উত্তোলনের পর ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে।

উল্লেখ্য, গত ১ নভেম্বর বিকেলে মোহাম্মদপুরে ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ প্রাঙ্গণে কিশোর আলোর অনুষ্ঠান চলাকালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যায় আবরার। পরে এ ঘটনায় প্রথম আলো কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করে পত্রিকাটির সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন নিহতের বাবা মো. মুজিবুর রহমান। পরে বাদির জবানবন্দি গ্রহণ করে আবরারের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেন আদালত। নিহত আবরার সোনাইমুড়ী উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের ধন্যপুর গ্রামের সৌদি প্রবাসী মজিবুর রহমানের ছেলে। ঢাকার আগারগাঁওয়ে পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে থাকতো সে। আবরার ওই প্রতিষ্ঠানের নবম শ্রেণির দিবা শাখার শিক্ষার্থী ছিলো।

Ads
Ads