প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত স্টাফদের দুর্নীতির অনুসন্ধান শুরু!

  • ১৪-Oct-২০১৯ ০২:১৭ পূর্বাহ্ণ
Ads

:: ভোরের পাতা ডেস্ক ::

রাজনৈতিক বিবেচনায় নিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত স্টাফদের ব্যাপারেও অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই এই ব্যক্তিগত স্টাফদের ব্যাপারে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে বলে সরকারের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে। প্রধানমন্ত্রী নিজেই এ ব্যাপারে অনুসন্ধানের নির্দেশনা দিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, ‘আমার নিজের ঘরের আগাছাও পরিষ্কার করতে হবে।’ প্রধানমন্ত্রীর বেশ কয়েকজন ব্যক্তিগত স্টাফ আছে। এদের মধ্যে কেউ কেউ আছেন রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও গণভবনের স্টাফ আর কিছু আছেন যে কোনরকম পদপদবী ছাড়াই গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কাজ করেন। নানারকম ফায় ফরমায়েশ খাটেন। অভিযোগ উঠেছে, প্রধানমন্ত্রীর এই ব্যক্তিগত স্টাফদের মধ্যে কেউ কেউ ফুলেফেঁপে উঠেছেন। তাদের বিরুদ্ধেও প্রভাব বিস্তার, দুর্নীতিসহ নানারকম অভিযোগ উঠেছে।

যখন দেশে শুদ্ধি অভি’যান শুরু হয়েছে তখন এদের বিরুদ্ধে কিছু তথ্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে এসেছে। বিশেষ করে যারা আটক হয়েছে তাদের কারও কারও সঙ্গে এদের যোগাযোগ ছিল বলেও প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ এসেছে। এই প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন যে তাঁর ব্যক্তিগত স্টাফ এবং গণভবনে যারা রাজনৈতিক বিবেচনায় নিযুক্ত হয়েছেন তাদের ব্যাপারে খোঁজখবর নিতে এবং তদন্ত করতে। তাদের বিরুদ্ধে যদি কোন অভিযোগ থাকে সেতা খতিয়ে দেখে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কাজ শুরু হয়েছে বলে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কর্মকর্তারা বলেন যে, প্রধানমন্ত্রীর এবারের শুদ্ধি অভি’যানের মূল লক্ষই হলো সরকারকে দুর্নী’তিমুক্ত রাখা এবং সরকারের গায়ে যেন কোন কলংকের দাগ না লাগে সেটি নিশ্চিত করা। এজন্য দলে, সরকার এমনকি প্রধানমন্ত্রীর চারপাশেও যদি কারও বিরুদ্ধে কোন অনিয়ম, দুর্নীতি বা স্বেচ্ছাচারিতার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সে প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এই অভিযান পরিচালনা করা হবে। আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং গণভবনে রাজনৈতিক বিবেচনায় যেসমস্ত ব্যক্তিগত স্টাফরা আছেন তাদের ব্যাপারে ৩টি বিষয়ে অনুসন্ধান করা হবে।

১. ব্যক্তিগত সম্পত্তি বৃদ্ধি হয়েছে কিনা এবং ব্যক্তিগত সম্পত্তির উৎস কী?
২. টেন্ডারবাজি বা সরকারি কোন কাজ কর্মে তারা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কোন হস্তক্ষেপ বা প্রভাব বিস্তার করেছে কিনা।
৩. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বা গণভবন ব্যবহার করে কোন অন্যায্য সুবিধা আদায় করেছেন কিনা।

এ ব্যাপারে তদন্ত করে কোন অভিযোগের যদি সত্যতা পাওয়া যায় তাহলে তা প্রধানমন্ত্রীর কাছে জানানো হবে। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী পরবর্তীতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।

Ads
Ads