যেভাবে ছাত্রলীগের কাণ্ডারী হয়ে উঠলেন শোভন ও রাব্বানী

  • ১-Aug-২০১৮ ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
Ads

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ঐতিহ্যবাহী ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ভাতৃপ্রতীম সংগঠন ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সাংগঠনিক নেত্রী শেখ হাসিনা আগামী দুই বছরের জন্য কমিটির সভাপতি হিসেবে রেজানুল হক চৌধুরী শোভন এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে গোলাম রাব্বানীকে মনোনীত করেছেন।

একই সঙ্গে সংগঠনের অন্য তিন গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মহানগর উত্তর এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। ছাত্রলীগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন যথাক্রমে সঞ্জিত চন্দ্র দাস ও সাদ্দাম হোসাইন। এছাড়া ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি মো. ইব্রাহিম ও সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান হৃদয় এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার সভাপতি মেহেদী হাসান ও সাধারণ সম্পাদক জোবায়ের আহমেদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার রাতে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও ছাত্রলীগের সাংগঠনিক নেত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে এই কমিটি ঘোষণা করেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি জানান, আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ্রউ অর্পিত ক্ষমতা বলে আগামী দুই বছরের জন্য এ কমিটি অনুমোদন করেছেন।

নেতা নির্বাচনে দফায় দফায় বাছাই

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ২৯তম কেন্দ্রীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল চলতি বছরের ১১ ও ১২ মে। সম্মেলনে সভাপতি পদে ১১১ ও সাধারণ সম্পাদক পদের জন্যে ২১২ জন প্রার্থী মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। তবে সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনেই আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ হাসিনা জানান, জাতীয় নির্বাচনের বছরে তিনি ছাত্রলীগের কমিটি ভোটের মাধ্যমে করার পক্ষপাতি নন। তিনি পদপ্রত্যাশী নেতাদের সমঝোতার ভিত্তিতে কমিটি গঠনের পরামর্শ দেন।

ছাত্রলীগের জাতীয় সম্মেলনে পদপ্রত্যাশীদের মধ্যে সমঝোতা না হওয়ায় বিদায়ী কমিটির নেতৃবৃন্দ সংগঠনের সাংগঠনিক নেতা শেখ হাসিনাকে কমিটি গঠনের দায়িত্ব অর্পন করেন। ওই সময় বলা হয়েছিল, কয়েকদিনের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী ছাত্রলীগের নতুন নেতৃত্বের নাম ঘোষণা করবেন। সেই অনুযায়ী পদপ্রত্যাশী প্রায় সাড়ে তিনশ নেতার মধ্য থেকে একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা শেখ হাসিনার কাছে পৌঁছে দেয় ছাত্রলীগের বিদায়ী নেতারা। পদপ্রত্যাশী নেতাদের গণভবনে একাধিকবার ডেকে নিয়ে কথাও বলেন শেখ হাসিনা। শেষপর্যন্ত সম্মেলনের প্রায় আড়াই মাস পর তিনি ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা এবং ঢাকা মহানগর উত্তর আর দক্ষিণের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম অনুমোদন দিয়েছেন।

ছাতলীগের কমিটি গঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত আওয়ামী লীগের একজন শীর্ষনেতা জানান, জাতীয় নির্বাচনের বছর হওয়ায় নজিরবিহীন সতর্কতার সঙ্গে ছাত্রলীগের নতুন নেতা নির্বাচন করা হয়েছে। পদপ্রত্যাশীদের সংক্ষিপ্ত তালিকা আসার পর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তাদের বিষয়ে দফায় দফায় খোঁজ খবর নিয়ে নেতৃত্ব বাছাই করা হয়েছে। কারণ ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসর পর ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের আচরণ ও নানা ঘটনায় বারবার সমালোচনায় পড়তে হয়েছে। আর এবার জাতীয় সম্মেলনের আগে নতুন মডেলের ছাত্রলীগের ঘোষণা দিয়েছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

নেতা বাছাইয়ে সতর্কতার নেপথ্যে

ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা বিলম্বের নেপথ্য কারণ জানিয়ে নাম প্রকাশে অনাগ্রহী ক্ষমতাসীন দলের ওই নেতা বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গড়ে ওঠা কোটা সংস্কার আন্দোলনের কারণে ছাত্রলীগের নতুন কমিটি ঘোষণাকে আরও দীর্ঘায়িত করেছে। কারণ একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী সরকার জানতে পারে, ছাত্র লীগের নতুন কমিটি ঘোষণা করার পর পরই কোটা বিরোধী আন্দোলনের মাঝে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চক্রান্ত করেছে একটি চিহ্নিত মহল। এই সময়ে কমিটি ঘোষিত হলে ছাত্রলীগকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হবে বিভিন্নভাবে। যা নিজেদের মধ্যে কোন্দলের চেষ্টায় চতুর্মুখী ইন্ধন যোগাতে পারে। পাশাপাশি নেতৃত্ব বঞ্চিত কোনো পক্ষ কোটা আন্দোলনেও জড়িয়ে পড়তে পারে। এসব বিষয় পর্যালোচনায় ছাত্রলীগের কমিটি গঠনের জন্য যথেষ্ট সময় নিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারক পর্যায়ের ওই নেতার মতে, কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সর্বশেষ প্রধানমন্ত্রীর বিবেচনার তালিকায় ছিল ছয়জন। তাদের মেধ্য যোগ্যতার মাপকাঠিতে এগিয়ে থাকা মেধাবী দুই নেতাকেই বেছে নিয়েছেন শেখ হাসিনা। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রেজানুল হক চৌধুরী শোভন এবং সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীকে বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে তাদের এসএসসি ও এইচএসসির ভালো ফলাফল, স্কুল ও কলেজ জীবনের কর্মকাণ্ড এবং পারিবারিক ঐতিহ্যকে গুরুত্ব দিয়েছেন দলীয় নেত্রী।

প্রধান দুই পদের জন্য শোভন ও রাব্বানীকে বেছে নেওয়ার পরও কমিটি ঘোষণার আগে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা তাদের ব্যাপারে তদন্ত করে এবং দলীয়ভাবেও তথ্য অনুসন্ধান ও বিশ্লেষণ করা হয়। সার্বিক দিক বিচার বিশ্লেষণ করে তাদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক দুজনই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ছাত্র। বিদায়ী কমিটিতে শোভন ছিলেন নির্বাহী সদস্য এবং রাব্বানী ছিলেন শিক্ষা ও পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক।

আওয়ামী ঘণিষ্ঠ পারিবারের তৃতীয় প্রজন্ম শোভন

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নবনির্বাচিত সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনের বাড়ি কুড়িগ্রাম জেলার ভুরুঙ্গামারী উপজেলায়। আওয়ামী লীগ ঘণিষ্ঠ পরিবারের সন্তান তিনি। শোভনের দাদা মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হক চৌধুরী ছিলেন কুড়িগ্রাম আওয়ামী লীগের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। তিনি ১৯৭০ সালের গণপরিষদের সদস্য ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়ার পর দলের ক্রান্তিকালীন সময় ১৯৭৭ সালে কুড়িগ্রাম জেলা আওয়মী লীগের সভাপতির দায়িত্ব নেন এবং ১৯৭৯ সালে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে কুড়িগ্রাম-১ আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ সালেও তিনি নৌকা প্রতীকে সংসদ নির্বাচন করেন। মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হক চৌধুরী ২০০৭ সালে মারা যান।

রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনের বাবা নুরুন্নবী চৌধুরী খোকনও একসময় ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন। ১৯৮১ সালে ভুরুঙ্গামারী উপজেলা শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও ১৯৯১ সালে উপজেলা যুবলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি ভুরুঙ্গামারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। বর্তমানে তিনি নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান । আগামী সংসদ নির্বাচনে কুড়িগ্রাম-১ (ভুরুঙ্গামারী-নাগেশ্বরী) আসনে নুরুন্নবী চৌধুরী খোকন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী।

সদ্য বিদায়ী কমিটির সদস্য শোভন এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক, বিশ্ববিদ্যালয়ের মহসিন হল শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। অবিবাহিত এই ছাত্রনেতা সবদিক থেকেই নিজেকে বিতর্ক মুক্ত রেখেছেন। তার নামে অদ্যাবধি দেশের কোনো থানায় কোনো প্রকারের মামলা দায়ের হয়নি। শোভনের একমাত্র ছোট ভাই মোঃ রাকিনুল হক চৌধুরী ছোটন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখা ছাত্রলীগের বিদায়ী সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।

নেত্রীর আস্থার মর্যাদা দিতে চাই: শোভন

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি হিসেবে নাম ঘোষণার পর অনুভূতি জানাতে চাইলে রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন বলেন, নেত্রী আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন, আমার উপর যে আস্থা রেখেছেন, আমি এর মর্যাদা দিতে চাই। সবধরনের বিতর্কমুক্ত রেখে ছাত্রলীগকে একটি আদর্শভিত্তিক মেধাবীদের সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। ঐতিহ্যবাহী এ সংগঠনটিকে ঐক্যবদ্ধ রেখে আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রস্তুত করে তোলার প্রতিই আমি সবার আগে গুরুত্ব দিতে চাই। সবসময় সর্বস্তরের নেতাকর্মীর পাশে থাকতে চাই।

নানার কাছ থেকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত রাব্বানী

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর বাড়ি মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার বদরপাশা গ্রামে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় পঞ্চম হয়ে আইন বিভাগে ভর্তি হন। বিদায়ী কমিটির শিক্ষা ও পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন তিনি। গোলাম রাব্বানীর আবদুর রশিদ মিয়া ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের সংস্পর্শ পাওয়া একজন সরকারি কর্মকর্তা।

বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক আদর্শে গোলাম রাব্বানীকে অনুপ্রাণিত করেন তার নানা মরহুম শামসুদ্দিন আহম্মেদ। তিনি ছিলেন রাজৈর উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি (১৯৬৪-৭৪) এবং চারবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান। নানার মুখ থেকে বঙ্গবন্ধুর গল্প শুনে বড় হয়ে হঠা এই ছাত্রনেতা কলেজ জীবন শুরু থেকেই ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত। রাব্বানীর মা একসময় ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত থাকায় পারিবারিকভাবেও পেয়েছেন উৎসাহ উদ্দীপনা।

ছোটবেলা থেকেই গোলাম রাব্বানী লেখালেখির সঙ্গে সম্পৃক্ত। পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে তার একাধিক নিবন্ধ। এবারের বইমেলায় একাত্তর প্রকাশনা থেকে প্রকাশিত হয়েছে গোলাম রাব্বানীর লেখা গবেষণা গ্রণ্থ ' ছাত্রলীগের ঐতিহাসিক অর্জন'। বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত এই ছাত্রেনেতা তৃণমূল ছাত্রলীগ কর্মীদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। বর্তমান নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খানের স্নেহধন্য রাব্বানী বিভিন্ন মানবিক কাজে অংশ নিয়ে গড়ে তুলেছেন অালাদা ভাবমূতি।। ২০১৪ সালে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কটুক্তি করায় ব্যারিস্টার তুহিন মালিকে বিরুদ্ধে ঢাকার সিএমএম আদালতে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করে আলোচিত হয়েছিলেন এই ছাত্রনেতা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের রাজনীতিতে পাঁচবছর ধরে সম্পৃক্ত গোলাম রাব্বানী বিভিন্ন সময় বঙ্গবন্ধু হল শাখা ছাত্রলীগের তথ্য প্রযুক্তি সম্পাদক,সোহাগ-নাজমুল কমিটিতে উপ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক এবং বিদায়ী কমিটিতে শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

এই দায়িত্ব বঙ্গবন্ধু কন্যার আমানত: রাব্বানী

ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে ত্যাগী ছাত্রনেতা গোলাম রাব্বানী বলেন, একটা ক্রান্তিকালীন সময়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের মতো ঐতিহ্যবাহী সংগঠনের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বটা আমি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার কাছ থেকে পাওয়া আমানত হিসেবে মনে করছি। নিজের জীবনকে অনেক আগেই আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নে উৎসর্গ করেছি। আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব যেন সঠিকভাবে পালন করতে পারি, সেজন্য সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের সহযোগিতা চাই।

আইনের শিক্ষার্থীরা ছাতলীগের নিয়ন্ত্রণে

কেন্দ্রীয় কমিটির পাশাপাশি ছাত্রলীগের তিনটি গুরুত্বপূণ ইউনিট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকা উত্তর এবং দক্ষিণ শাখার কমিটি সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

এর মধ্যে ছাত্রলীগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সঞ্জিত চন্দ্র দাস আর সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসাইন, দুজন কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মতোই আইন বিভাগের ছাত্র।সঞ্জিত জগন্নাথ হল সভাপতি ছিলেন। তার বাড়ি ময়মনসিংহে। আর সাদ্দাম ছাত্রলীগের সদ্য বিদায়ী কেন্দ্রীয় কমিটিতে আইন বিষয়ক উপ সম্পাদক ছিলেন। তার বাড়ি সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে।

Ads
Ads