শোক দিবসে শেখ হাসিনা ও গোলাম রাব্বানীর মুখ উজ্জল করলেন মুজাহিদুল সোহাগ

  • ১৬-Aug-২০১৯ ০১:২৪ পূর্বাহ্ণ
Ads

উৎপল দাস

জাতির মহান নেতা ও স্বাধীন বাংলাদেশের স্রষ্টা, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে না জানলে আগামী প্রজন্ম বাংলাদেশকেই জানতে পারবে না। তাই বঙ্গবন্ধুকে জানানোর জন্য ছাত্রলীগের সর্বেোচ্চ অভিভাবক শেখ হাসিনার মনোনীত কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও মানবিক ছাত্রলীগ নেতা গোলাম রাব্বানীর নির্দেশে জাতীয় শোক দিবসে এক অনন্য নজির স্থাপন করলেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম সোহাগ। 

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সারা বাংলাদেশের কোনো ছাত্রলীগ নেতা যা করেননি, তাই করে দেখালেন শেরপুরের কৃতি সন্তান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিন ইমেজের ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম সোহাগ। তিনি বৃহস্পতিবার দিনজুড়েই শেরপুর সদরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে আগামী প্রজন্মের মেধাবি সন্তানদের মধ্যে প্রচার ও তার আদর্শকে জানতে বই বিতরণ করেছেন। 
শেরপুর সদরের চরমোচারিয়া ইউনিয়ন, লসমনপুর ইউনিয়ন, বলাইচর ইউনিয়নের তরুণ সমাজের মধ্যে যারা কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়ে তাদের হাতে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী এবং কারাগারের রোজনামচা এই মহামূল্যবান দুটি বই উপহার হিসাবে তুলে দিয়েছেন। 

এ প্রসঙ্গে মুজাহিদুল ইসলাম সোহাগ ভোরের পাতাকে বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শিক সন্তান হিসাবেই এ কাজটি করেছি। দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে আমার নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও  ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী ভাইয়ের নির্দেশেই এমন কাজ করার অনুপ্রেরণা পেয়েছি। ভবিষ্যত প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধুকে জানতেই হবে। এ চিন্তা থেকেই আমি এমনটা করেছি। ভবিষ্যতে আরো ভালো কিছু করবো বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন সোহাগ। 

এদিকে, ছাত্রলীগ ও তৃণমূল আওয়ামী লীগের নেতারা মুজাহিদুল ইসলাম সোহাগের এমন কাজের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন এবং সবাই আকুণ্ঠচিত্তে বলেছেন, সোহাগের রাজনৈতিক দূরদর্শিতা তাকে ভবিষ্যত রাজনীতির পথ উজ্জল করবে। এমনকি শোকের দিনে এমন বই বিতরণের মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষের আশা আকাঙ্খার বাতিঘর শেখ হাসিনা ও তার মনোনীত মানবিক ছাত্রলীগ নেতা গোলাম রাব্বানীর মুখ উজ্জল করেছেন। 

Ads
Ads