ভালুকায় জমি দখল: ফালু ও রেজিস্ট্রার ফজলারের বিরুদ্ধে ছয় মামলার তদন্তে অগ্রগতি

  • ২৬-Jun-২০১৯ ০৫:০৭ অপরাহ্ন
Ads

:: নিজস্ব প্রতিবেদক ::

ময়মনসিংহের ভালুকায় বনবিভাগের জমি দখলের অভিযোগে বিএনপি নেতা মোসাদ্দেক আলী ফালু ও ভালুকার সাবেক সাব-রেজিস্ট্রার মো. ফজলার রহমানসহ সাতজনের বিরুদ্ধে করা মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। একই ঘটনায় করা বাকি ছয়টি মামলার তদন্তও শেষ পর্যায়ে। তদন্ত শেষ হলে অভিযোগপত্র দুদকে অনুমোদন শেষে আদালতে জমা দেওয়া হবে বলে দুদক সূত্রে জানা গেছে। 

দুদকের ময়মনসিংহ জেলা সমন্বিত কার্যালয়ের উপ-পরিচালক ফারুক আহমেদ বলেন, ‘একটি মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। বাকি ছয়টি মামলার অভিযোগপত্রও শিগগির আদালতে জমা দেওয়া হবে। বাকি মামলাগুলোর আনা অপরাধও প্রায় একই ধরনের। দুদকের তিনজন কর্মকর্তা এসব মামলার তদন্ত করছেন।’ 

এ মামলার অপর আসামিরা হলেন-  জমির দলিল লেখক মো. আকরাম হোসেন জুয়েল, জমির ‘ভুয়া’ মালিক মো. রুহুল আমিন, মো. খোকা মিয়া, জুবেদা খাতুন ও মাজেদা বেগম।

ভালুকা থানার পালগাঁও মৌজায় বনবিভাগের গেজেটভুক্ত ১২৭ শতাংশ সরকারি জমি দখলের অভিযোগে ২০১৭ সালের ২৯ অক্টোবর ওই সাত জনকে আসামি করে মামলা করে দুদক।

পরে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক মো. এনামুল হক মামলার তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পায়। ২০১৬ সালের ৩ অক্টোবর ভালুকা উপজেলা ভূমি অফিস থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে সংরক্ষিত বনভূমি হিসাবে চূড়ান্তভাবে ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত গেজেটভুক্ত ওই জমি হন্তান্তর, নামজারি, জমা-খারিজ, রেকর্ড সংশোধন ইত্যাদি কার্যক্রম স্থগিত রাখার নির্দেশনা জারি করা হয়েছিল।

সেইসঙ্গে বন বিভাগের গেজেটভুক্ত জমি রেজিস্ট্রি করা হয়ে থাকলেও তা বাতিল করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ময়মনসিংহ বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

ওই বিজ্ঞপ্তির পরও সাব রেজিস্ট্রার ফজলার রহমান ‘আইন ও বিধি’ অনুসরণ না করে দালাল চক্রের যোগসাজশে ছয়টি দলিলে রেজিস্ট্রি করে সরকারি সম্পত্তি ফালুকে হস্তান্তর করেন বলে দুদকের অভিযোগ।

এসব অভিযোগে মোসাদ্দেক আলী ফালু ও সাব রেজিস্ট্রার ফজলার রহমানসহ অন্যদের আসামি করে ভালুকা থানায় ছয়টি মামলা করে দুদক।

Ads
Ads