রোববার ২৯ জানুয়ারি ২০২৩ ১৫ মাঘ ১৪২৯

শিরোনাম: মামলা খারিজ, জাপানি দুই শিশু মায়ের জিম্মায়    আওয়ামী লীগ কখনো পালায় না: প্রধানমন্ত্রী    দুর্নীতিগ্রস্ত বিচারক ‘ক্যানসারের’ মতো: প্রধান বিচারপতি    রোববার রাজশাহীতে ২৫ প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী    সংবিধান অনুযায়ীই আগামী নির্বাচন হবে: আইনমন্ত্রী    ডিসিদের ক্ষমতার অপপ্রয়োগ যেন না হয়: রাষ্ট্রপতি    ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বিনির্মাণের প্রধান হাতিয়ার ডিজিটাল সংযোগ: প্রধানমন্ত্রী   
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
বঙ্গবন্ধুর পথরেখা ধরে এগিয়ে যাচ্ছেন শেখ হাসিনা
#বিজয় আমাদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা দেয়: ড. শাহিনূর রহমান। #শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের রোল মডেল বাংলাদেশ: উৎপল দাস।
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: শনিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২২, ৮:৫২ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

বাঙালি জাতির ইতিহাসে সর্বোচ্চ অর্জন ও আত্মগৌরবের একটি দিন মহান বিজয় দিবস। ১৯৭১ সালের এদিনে মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাঙালি বিজয় ছিনিয়ে আনে। ’৭৫ পরবর্তী বাঙালি জাতির যা কিছু মহৎ অর্জন, তা বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই অর্জিত হয়েছে। বাঙালি জাতি তাঁর নেতৃত্বে সমৃদ্ধশালী উন্নত বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখছে। শেখ হাসিনা মানেই উন্নয়ন, শেখ হাসিনা মানেই বাংলার আধুনিক রূপ।

দৈনিক ভোরের পাতার নিয়মিত আয়োজন ভোরের পাতা সংলাপের ৯০৫তম পর্বে এসব কথা বলেন আলোচকরা। ভোরের পাতা সম্পাদক ও প্রকাশক ড. কাজী এরতেজা হাসানের নির্দেশনা ও পরিকল্পনায় অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়ার ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. শাহিনূর রহমান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ভোরের পাতার বিশেষ প্রতিনিধি উৎপল দাস।

ড. শাহিনূর রহমান বলেন, আমাদের বিজয়ের পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যে অর্জনগুলো আমাদের হয়েছে সেগুলো নিয়ে বিস্তর আলোচনা করা যায়। বিশেষ করে গত ১৪ বছরে এতো অল্প সময়ে জননেত্রী শেখ হাসিনা যতগুলো উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন সেই জায়গাটার মধ্যদিয়ে আজকে বাংলাদেশ যে অবস্থানে দাঁড়িয়েছে, বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে বাঙালি জাতি হিসেবে আমরা আজ গর্ব করি এর জন্য। ৭৫’র পরবর্তী পটপরিবর্তনের পর দীর্ঘ ৬ বছরের নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে হাল ধরেন আওয়ামী লীগের রাজনীতির। বিপন্ন সেই সময়ে দলীয় সভানেত্রী নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরেন ৮১ সালে। পিতার ঐশ্বর্যময় রাজনীতির সিঁড়িতে পা রেখে শুরু নতুন অধ্যায়ের। সীমাহীন অনিশ্চয়তা আর প্রতিকূলতার মধ্যে বাঙালির ভোট ও ভাতের অধিকার আদায়ে লড়াই করেন সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে। ১৯৯৬ সালে দলকে আনেন ক্ষমতায় দীর্ঘ ২১ বছর পর। আর ২০০৮ সালে বিজয়ের পর থেকে এখনো অধিষ্ঠিত রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায়। বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকায় নারী রাজনীতিকের পালকও এখন তার মুকুটে। জিডিপির ঈর্ষণীয় প্রবৃদ্ধিসহ সবখাতে অভূতপূর্ব সাফল্য, সন্ত্রাস জঙ্গিবাদ দমন, বঙ্গবন্ধুর খুনি ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, দুর্নীতির বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক কড়া বার্তা তুলে ধরে তাঁর দৃঢ়চেতা নেতৃত্ব। নানা ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি মিলছে আন্তর্জাতিক পরিসরেও। এক বর্ণাঢ্য সংগ্রামমুখর জীবন শেখ হাসিনার। মুক্তিযুদ্ধের নয় মাস ছিলেন গৃহবন্দি। সামরিক স্বৈরশাসনামলেও বেশ কয়েকবার তাকে কারানির্যাতন ভোগ ও গৃহবন্দি থাকতে হয়েছে। বার বার তাঁর জীবনের ওপর ঝুঁকি এসেছে। অন্তত ২১ বার তাকে হত্যার অপচেষ্টা করা হয়েছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়েও তিনি অসীম সাহসে লক্ষ্য অর্জনে থেকেছেন অবিচল। একজন সফল রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তাঁর অবদান আজ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। ’৭৫ পরবর্তী বাঙালি জাতির যা কিছু মহৎ অর্জন, তা বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই অর্জিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর সুযোগ্য ও বিচক্ষণ নেতৃত্বে বাংলাদেশকে আজ উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত করেছেন। বাঙালি জাতি তাঁর নেতৃত্বে সমৃদ্ধশালী উন্নত বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখছে। শেখ হাসিনা মানেই উন্নয়ন, শেখ হাসিনা মানেই বাংলার আধুনিক রূপ।

উৎপল দাস বলেন, বাঙালি জাতির ইতিহাসে সর্বোচ্চ অর্জন ও আত্মগৌরবের একটি দিন মহান বিজয় দিবস। ১৯৭১ সালের এদিনে মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাঙালি বিজয় ছিনিয়ে আনে। দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধ করার পরে ডিসেম্বরের ১৬ তারিখ বাঙালির স্বাধীনতা যুদ্ধের শেষ দিন। পৃথিবীর মানচিত্রে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটেছিল। উচ্চারিত হয়েছিল ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’- বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত। সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতিতে উড়েছিল স্বাধীন বাংলার পতাকা। একসময় সদ্য জন্ম নেওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতির দেশটিকে ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ হিসেবে আখ্যা দিলেও এখন বলা হচ্ছে, ২০৩৫ সালের মধ্যে সেই দেশটি হতে যাচ্ছে বিশ্বের ২৫তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ। এরই মধ্যে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ। বেড়েছে শিক্ষার হার, গড়ে উঠেছে ব্যবসা-বাণিজ্য ও কর্মসংস্থান। অধিকাংশ অবকাঠামো যুদ্ধ-পরবর্তী বাংলাদেশে নতুন করে নির্মাণ করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু কন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও মূল্যবোধেরও ব্যাপক পরিবর্তন সাধন হয়েছে। বাস্তবায়িত হয়েছে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
http://www.dailyvorerpata.com/ad/dd.jpg
http://dailyvorerpata.com/ad/apon.jpg
https://www.dailyvorerpata.com/ad/last (2).gif
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]