সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯

শিরোনাম: বিএনপির সমাবেশকে ঘিরে পরিবহন ধর্মঘট না ডাকার আহ্বান কাদেরের    শতভাগ পাস ২৯৭৫ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে, ৫০টিতে সবাই ফেল    সংঘাত-দুর্যোগের সময় নারীদের দুর্দশা বহুগুণ বেড়ে যায়: প্রধানমন্ত্রী    এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেলো ২ লাখ ৬৯ হাজার শিক্ষার্থী    এসএসসি ও সমমানে পাসের হার ৮৭.৪৪ শতাংশ    এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ    বিশ্বে একদিনে করোনায় আক্রান্ত সাড়ে ২ লাখ   
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
দৌলতদিয়ায় ৬ টি পরিবারের ভিটামাটি নদী গর্ভে বিলীন
গোয়ালন্দ(রাজবাড়ী)প্রতিনিধি
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ৮:৩৫ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া  ৩ নং ফেরি ঘাট এলাকা 
ভোর রাতে হঠাৎ করে নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে। সিদ্দিক কাজী পাড়ায় এলাকায়  নদী পাড়ে বসবাসরত ৬ টি পরিবারের ঘরবাড়ী নদী গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। চরম ভাবে ভাঙন ঝঁকিতে রয়েছে লঞ্চ ও  ৪ নং ফেরি ঘাট।

সরেজমিনে দেখাযায়, হঠাৎ করে  ৩ নং ফেরি ঘাট এলাকা নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে এতে নদী পাড়ে বসবাসরত ৬ টি পরিবারের ঘরবাড়ী নদীতে বিলিন হয়েছে। যাদের ঘরবাড়ী নদীতে বিলিন হয়েছে রহিম বেগম,  একেন শেখ,ছালাম বেপারি, মক্কাই শেখ,  হান্নান কাজী  আকিম উদ্দিন, এতে করে নদী পাড়ে বসবাস করা আরো শতাধিক  পরিবারের  মধ্যে আতংক দেখা দিয়েছে। চরম ভাবে ভাঙন ঝঁকিতে রয়েছে ৪ নং ফেরি ঘাট ও লঞ্চ ঘাট। ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে।  যে সকল জিও ব্যাগ ও বালু ব্যবহার  করা হচ্ছে তা নিম্নমানের বলে অভিযোগ করেছে স্থানীয়রা। নদী ভাঙন স্থানে ডাম্পিং করে জিওব্যাগ না ফেলা হলে এতে কোন কাজ হবে না। শুধু লোক দেখানোর কাজ হচ্ছে নদী ভাঙন রোধে। নদী পাড়ের মানুষের একটাই দাবি নদীতে জিওব্যাগ গুলো ডাম্পিং করে ফেলা হলে নদী ভাঙন রোধ হবে। 



নদী পাড়ের বাসিন্দা  ইসলাম কাজী বলেন, আমার বাড়ী নদীতে দু বার বিলিন হয়েছে। এখন আবার নদী পাড়ে পড়ে গেছি, কখন যেনো নদী গর্ভে চলে যায় আমার বসত ভিটা বাড়ী। সব সময় আতংকে থাকতে হয়। নদী ভাঙন রোধে যে সামগ্রী  ব্যবহার করা হচ্ছে তা নিম্নমানের। এতে নদী ভাঙন রোধ হবে না। নদীতে জিওব্যাগ না ফেলে নদীর পাড়ে ফেলে রাখা হচ্ছে তাতে কি হবে। স্রোতে নদী ভাঙছে পানির নিচ থেকে আর জিওব্যাগ ফেলা হচ্ছে নদীর পাড়ের কিছুন দিন পরে স্রোতে নিচ থেকে মাটি ধসে যাচ্ছে সেই  জিওব্যাগও নদীতে চলে যাচ্ছে। 

রহিমা বেগম  বলেন, আমরা রাতে খাবার খেয়ে ঘুমি পড়েছি। হঠাৎ করে ঘরে পিছনে নদীর চাপ ভাঙার শব্দ কানে আসে তখন উঠে গিয়ে দেখছি বিশাল বিশাল চাপ নদীতে চলে যাচ্ছে। তখন আমারা চিৎকার করতে থাকি আমাদের চিৎকারে এলাকা মানুষেরা এগিয়ে আসে।  তখন আনুমানিক রাত ৩ টা হবে।

এলাকার সবার সহযোগিতায় আমাদের ঘর গুলো কোন রকম সরিয়ে নিয়েছি। কিন্তু বাড়ীর হাঁস মুরগী গাছ পালা এগুলো নদী গর্ভে চলে যায়। সরকারের কাছে  আমাদের একটাই দবি স্থায়ী ভাবে নদী শাসন চাই। 

বিআইডাব্লিউটিএ নিবার্হী  প্রকৌশলী জহুরুল ইসলাম বলেন,  ৩ নং ফেরি ঘাট এলাকায় ভোর রাতে হঠাৎ নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে। যেহেতু নদী ভাঙন  একটি প্রাকৃতিক  দূযোর্গ। নদী ভাঙন প্রতিরোধ করতে পারবো না। তারপরও আমরা দ্রুত যতটুকু পারা যায় আমাদের স্বার্থে  মধ্যে রেখে আমরা প্রতিরোধ করার চেস্টা করছি। 

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
http://www.dailyvorerpata.com/ad/dd.jpg
http://dailyvorerpata.com/ad/apon.jpg
https://www.dailyvorerpata.com/ad/last (2).gif
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]