রোববার ৪ ডিসেম্বর ২০২২ ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৯

শিরোনাম: উত্তেজনা ছড়িয়ে আর্জেন্টিনার কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত    যুবদল সভাপতি টুকু গ্রেপ্তার    রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের ‘ব্লক রেইড’    বনানীতে জঙ্গি সদস্য অবস্থান সন্দেহে হোটেল ও মেস ঘিরে রেখেছে পুলিশ    ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম, দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ    বাংলাদেশের উন্নয়ন ও বিনিয়োগ সম্ভাবনা নিয়ে প্রচারণা চালাবে সিএনএন    চিকিৎসা বিজ্ঞানের মৌলিক গবেষণায় ডব্লিউএইচএফ’র সহযোগিতা কামনা প্রধানমন্ত্রীর   
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
বাঙলা ও বাঙালির পরম আপনজন শেখ হাসিনা
অধ্যাপক কর্ণেল (অব:) কাজী শরীফ উদ্দীন
প্রকাশ: বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ৫:০১ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

অসাম্প্রদায়িক, উদার, প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক ও বিজ্ঞানমনস্ক দৃষ্টিভঙ্গি তাকে দিয়েছে এক আধুনিক ও অগ্রসর রাষ্ট্রনায়কের স্বীকৃতি। অসাধারণ নেতৃত্ব দিয়ে দেশকে এনে দিয়েছেন গৌরব আর সাফল্যের বার্তা। ২৮ সেপ্টেম্বর একুশ শতকের অভিযাত্রায় দিনবদল ও জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলার কাণ্ডারি শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন।

১৯৪৭ সালের এই দিনে গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়া গ্রামে তার জন্ম হয়। পিতা শেখ মুজিব তখন কলকাতায় ভারত ভাগের পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতি, দাঙ্গা প্রতিরোধ এবং লেখাপড়া নিয়ে ব্যস্ত। দাদা শেখ লূৎফর রহমান নাতনির নাম রাখেন ‘হাসিনা’। প্রথম সন্তান জন্মের খবর পেয়ে বাবা হঠাৎ একদিন বাড়ি এসে মেয়েকে কোলে তুলে নিয়ে ডাকলেন, ‘হাচুমণি’। মেয়ে কোলে নিয়ে কপালে এঁকে দিলেন স্নেহের চুম্বন। কে জানতো- সেদিনের ছোট্ট পরী ‘হাচুমণি’ই হবেন বাংলাদেশের কাণ্ডারি; জনতার প্রিয় নেতা! বিশ্বনেতৃত্বে তিনি এখন অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।

শেখ হাসিনার শৈশব কেটেছে টুঙ্গীপাড়ায়। প্রাথমিক শিক্ষা-জীবন শুরু সেখানেই।এরপর ঢাকায় এসে আজিমপুর গার্লস হাইস্কুল থেকে স্কুল পর্যায়ের শিক্ষা সমাপন করে তিনি ভর্তি হন গভর্নমেন্ট ইন্টারমিডিয়েট গার্লস কলেজ; যা বর্তমানে বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ। সেখান থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন।ওই কলেজে পড়াকালে ১৯৬৬-৬৭ মেয়াদে কলেজছাত্রী সংসদের ভিপি নির্বাচিত হন তিনি।

১৯৭৩ সালে শেখ হাসিনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। তবে এর আগেই অর্থাৎ ১৯৬৮ সালে তিনি প্রখ্যাত পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম.এ ওয়াজেদ মিয়ার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। আজীবন সংগ্রামী বঙ্গবন্ধু মানুষের অধিকার আদায় করতে গিয়ে বারবার জেল-জুলুমের শিকার হয়েছেন। তাই মা শেখ ফজিলাতুন্নেছার ছায়াসঙ্গী হয়েই কেটেছে শেখ হাসিনার।

এ সময় পিতার রাজনৈতিক জীবনকে খুব ঘনিষ্ঠভাবে দেখে দেখে নিজেকেও ওতপ্রোতভাবে রাজনীতিতে আদর্শ নেতা হিসেবে গড়ে তোলেন।শেখ হাসিনা একজন আত্মপ্রত্যয়ী, মানবতাবাদী, দূরদর্শী নেতৃত্বের অধিকারী। যার প্রকাশ ঘটেছিল সেই ছাত্রজীবনেই। তবে তারুণ্যের সেই দিনগুলো থেকে আজকের শেখ হাসিনা অভিজ্ঞতায় অনেক সমৃদ্ধ। দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি খুবই ঋদ্ধ।

বুদ্ধিমত্তা আগের মতই প্রখর, সহনশীলতা ও দৃঢ়তা, ধৈর্য, যেন তার চরিত্রগত ধর্ম। ভালোবাসায় ও সহমর্মিতায় তিনি সবার কাছে প্রিয় এবং বাঙলার মানুষের অতি আপনজন। তাই আজ আমাদের কাছে গর্বের বিষয় শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রতীক হিসেবে জনগণের কাছে নন্দিত। জনমানুষের এই নেতা এখন বিশ্বনেত্রীতে পরিণত হয়েছেন। ১৫ আগস্টের শোকাবহ ঘটনা শেখ হাসিনার জীবনে অনেক বড় বেদনাদায়ক ঘটনা, এক গভীরতম ট্রাজেডি।

এই শোক তাকে দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করে যেতে শক্তি দিয়েছে, করে তুলেছে আরও দায়িত্বশীল। ১৯৭৫ থেকে ১৯৮১- দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ছিল সংকটময়। সংশয় প্রতিহিংসা-দমনপীড়ন ও শোষণে মানুষ অসহায় হয়ে পড়ে। কাণ্ডারিহীন ‘নৌকা’য় মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়ে। ১৯৮১ সালে প্রবাসে অবস্থানরত শেখ হাসিনাকে দলের সভাপতি করা হয়। ওই বছরের ১৭ মে তিনি দেশে প্রত্যাবর্তন করেন।

পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের নির্মম ঘটনা স্বভাবতই শেখ হাসিনার জীবনে বেশ বড় একটি বেদনাদায়ক ও গভীরতম ট্র্যাজেডি। এই ঘটনার পর টানা ছয়বছর তাকে দেশে ফিরতে দেওয়া হয়নি। মুজিববিহীন বাংলাদেশে তাকে পেয়ে যেন মানুষ নতুন করে স্বপ্ন বুনতে শুরু করলো। সেই দিক দিয়ে শেখ হাসিনার এই ফিরে আসা ছিল- গণতন্ত্রের ফিরে আসা, দেশের উন্নয়ন ও প্রগতি এবং আজকের ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবির ফেরা।

দেশে ফেরার পর বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানায় বাংলাদেশের লাখ লাখ জনতা। সেদিন তিনি বলেছিলেন, আমি বাংলার মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য এসেছি। আপনাদের বোন হিসেবে, মেয়ে হিসেবে, আমি বঞ্চিত মানুষের পাশে থাকতে এসেছি। বাবা, মা, ভাই সব হারিয়েছি। আপনারাই আমার পরম আত্মীয়। … আপনাদের ভালোবাসা নিয়ে মুক্তির সংগ্রামে নামতে চাই। মৃত্যুকে ভয় পাই না। বাংলার মানুষের মুক্তির জন্য আমার বাবা আজীবন সংগ্রাম করেছেন। বাংলার মানুষের জন্যই জীবন দিয়েছেন। আমিও প্রয়োজনে বাবার মতো আপনাদের জন্য জীবন দিব।

তার এই বক্তব্যে তখন দিশেহারা বাঙালি জাতির মাঝে যেন নতুন প্রাণের সঞ্চারিত হলো। তারা জেগে উঠলো নতুন আশায়, নতুন স্বপ্ন ও উদ্যমে। দৃপ্ত স্বপ্ন, আপসহীন প্রতিশ্রুতি আর অসহায় মানুষ গুলোকে নিয়ে জাতির পিতার দেখা অসমাপ্ত স্বপ্নের লক্ষ্য পানে এগিয়ে যাওয়া শুরু করলেন শেখ হাসিনা। তার সেদিনের সেই প্রত্যয় আর দূরদর্শী নেতৃত্বের ফলেই আজ এক সময়ের দুর্যোগের দেশ হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশ এখন সমৃদ্ধির পথে সাবলীল গতিতে এগিয়ে চলেছে।

দেশ থেকে শেখ হাসিনার প্রচেষ্টায় যেমন মঙ্গা দূর হয়েছে, তেমনই সৃষ্টি হয়েছে কর্মসংস্থান। তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোক্তা তৈরিতেও তার রয়েছে নানা উদ্যোগ। তার ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন বাস্তব। যার ফল আমরা এই বৈশ্বিক মহামারি করোনাকালে বেশ ভালোভাবে ভোগ করছি। এখন ঘরে বসেই অনলাইন প্লাটফর্মে অফিসিয়াল কাজও সম্পন্ন হচ্ছে।পাশাপাশি দক্ষ হাতে রাষ্ট্র পরিচালনা করে শেখ হাসিনা দেশের মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছেন। যুদ্ধাপরাধী ও বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার করে জাতিকে করেছেন কলঙ্কমুক্ত। কিন্তু তার এই দীর্ঘপথ মোটেই মসৃণ ছিলো না, ছিলো কণ্টকাকীর্ণ।আর এই সংগ্রামে শেখ হাসিনাকে কমপক্ষে ২১ বার হত্যাচেষ্টা চালানো হয়েছে। এর মধ্যে সর্বশেষটি ছিলো ২০০৪ এর ২১ আগস্টের ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা। সৃষ্টিকর্তার অপার মহিমায় ওইদিন প্রাণে বেঁচে যান তিনি। তবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় তার শ্রবণশক্তি।

হত্যাচেষ্টাসহ ঘড়যন্ত্রের জাল ছড়িয়ে থাকলেও দমে যাওয়ার মানুষ নন শেখ হাসিনা। তিনি আজ অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ, বুদ্ধিমত্তায় প্রখর; সহনশীলতা ও দৃঢ়তা এবং ধৈর্য যেন তাঁর চরিত্রগত ধর্ম। আজ তিনি বাংলাদেশের জনগণের হয়ে বিশ্বনন্দিত। বিশ্বের শীর্ষ নারী শাসকের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এক্ষেত্রে সরকারপ্রধান হিসেবে ভারতের ইন্দিরা গান্ধী, ব্রিটেনের মার্গারেট থ্যাচার ও শ্রীলংকার চন্দ্রিকা কুমারাতুঙ্গার রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন তিনি।

বিরোধীদলের নেত্রী হিসেবেও শেখ হাসিনা ছিলেন আপোষহীন, সংগ্রামে ও আন্দোলনে একজন দূরদর্শী নেতা। দেশে ফেরার পর তৎকালীন সরকার তাকে ৩২ নম্বরের বাড়িতে যেতে দেয়নি। পিতা-মাতাসহ স্বজনদের হত্যার ঘটনায় মামলা পর্যন্ত করতে পারেননি তিনি। শত নির্যাতন ও মানসিক কষ্ট নিয়েও মানুষের দুঃখ লাঘবে ১৯৮১ থেকে ১৯৯৬ সাল পযন্ত স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন করেছেন শেখ হাসিনা। তার পাশে ছিলেন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা।

এরপর দেশের আনাচে-কানাচে ঘুরেছেন, দলকে সংগঠিত করেছেন। ১৯৯৬ সালে প্রথমবার সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ। তিনি হন প্রধানমন্ত্রী। ২০০১ সাল পর্যন্ত দেশশাসন করেন।এর মাঝেই শেখ হাসিনা প্রমাণ করেন শাসক হিসেবে তিনি যেমন দেশনন্দিত, তেমনি গণতন্ত্র ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিশ্বনেতার মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত। তার শাসনামলে আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে হতদরিদ্র মানুষের মাঝে খাদ্য ও অর্থ বরাদ্দ এবং অন্যান্য সহযোগিতা মানুষকে অসহায়ত্ব থেকে রক্ষা করেছিল।দেশকে খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে তুলে তিনি দুর্ভিক্ষ ও দারিদ্র্যের কষাঘাত থেকে মানুষকে রক্ষা করে ভাগ্যোন্নয়নের পথে দাঁড় করেন।

নারীর ক্ষমতায়নে গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচি এবং সন্তানের অভিভাবক হিসেবে সব ক্ষেত্রে পিতার পাশাপাশি মাতার নামের স্বীকৃতিও ছিল তার একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। কৃষি উন্নয়নের লক্ষ্যে কৃষকদের ঋণ প্রদান, কৃষি সামগ্রীর মূল্যহ্রাস এবং সহজ প্রাপ্যতাও ছিল বিরাট অবদান। ওই সময়-ই সম্পন্ন হয় পার্বত্য শান্তি চুক্তি।



২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার গঠনের পর দেশে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর চলে নির্যাতন। ২০০৭ সালে সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়। ওই সরকার দুই বছর দেশ শাসন করে। একপর্যায়ে রাজনৈতিক নেতাদের কারারুদ্ধ করে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা গ্রেফতার-রিমান্ড ও নির্যাতন চালানো হয়। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাও কারারুদ্ধ হন। নিঃসঙ্গ কারাগারে তার ওপর চলে মানসিক নির্যাতন। এমনকি কারাগারেও স্লোপয়জনিং করে তাকে হত্যা করার অপচেষ্টা চালানোর খবরও প্রকাশিত হয় সংবাদমাধ্যমে। তবে ভেঙে পড়ার মানুষ নন শেখ হাসিনা।

সাব জেলে কারাবন্দি অবস্থায় আদালতে মামলা চলে, সেখানেও তিনি সাহসিকতার সঙ্গে মোকাবিলা করেন। তার বিরুদ্ধে সব মিথ্যা মামলার অভিযোগের কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন- তাকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেয়ার ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র চলছে। এক পর্যায়ে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার দেশে নির্বাচন দেয়। সে সময় তার প্রিয় বাঙলার জনগণ মুক্তিযুদ্ধেও চেতনার ধারক ও বাহক শেখ হাসিনার সঙ্গে ছিলো। যার প্রমাণ তারা দিয়েছে ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে ভোটের মাধ্যমে। বিপুল ভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট।

এরপরই শুরু হয় শেখ হাসিনার দিন বদলের পদক্ষেপ। তিনি জাতিকে নতুন ভিশন দিয়েছেন, যার নাম রূপকল্প-২০২১; বাংলাদেশকে একটি মধ্য আয়ের দেশে উন্নীত করাই এর ভিশন। দিয়েছেন রূপকল্প-২০৪১, শতবর্ষব্যাপী ডেল্টা প্ল্যান।শেখ হাসিনা ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’র স্বপ্ন দেখিয়েছেন; যেখানে সর্বাধুনিক তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষ জনশক্তি থাকবে। আর সেই কর্মসূচি নেয়া হয় একেবারে তৃণমূল থেকে। শেখ হাসিনার পরিকল্পনায় এই উদ্যোগের স্থপতি তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ও তার সুযোগ্যপত্র সজীব ওয়াজেদ জয়।         

লেখক: নিরাপত্তা বিশ্লেষক, লেখক ও কলামিস্ট, পরিচালক, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগ, প্রকল্প পরিচালক বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জামালপুর   

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
http://www.dailyvorerpata.com/ad/dd.jpg
http://dailyvorerpata.com/ad/apon.jpg
https://www.dailyvorerpata.com/ad/last (2).gif
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]