রোববার ৪ ডিসেম্বর ২০২২ ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৯

শিরোনাম: উত্তেজনা ছড়িয়ে আর্জেন্টিনার কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত    যুবদল সভাপতি টুকু গ্রেপ্তার    রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের ‘ব্লক রেইড’    বনানীতে জঙ্গি সদস্য অবস্থান সন্দেহে হোটেল ও মেস ঘিরে রেখেছে পুলিশ    ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম, দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ    বাংলাদেশের উন্নয়ন ও বিনিয়োগ সম্ভাবনা নিয়ে প্রচারণা চালাবে সিএনএন    চিকিৎসা বিজ্ঞানের মৌলিক গবেষণায় ডব্লিউএইচএফ’র সহযোগিতা কামনা প্রধানমন্ত্রীর   
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
উন্নয়ন না আন্দোলন?
অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভূঁইয়া
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ৮:১১ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ। তলাবিহীন ঝুড়ি বলে উপহাস করা হতো যে দেশকে, সেই যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ আজ অর্থনীতি, শিক্ষা, অবকাঠামো, যোগাযোগব্যবস্থা, তথ্যপ্রযুক্তিসহ সকল ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধন করছে। এটি সম্ভব হয়েছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্ব ও সুদূরপ্রসারী নানা পদক্ষেপের কারণে। আওয়ামী লীগ সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছে। বাংলাদেশ যেন বিশ্বের বিস্ময়! বর্তমান বৈশ্বিক সংকটে বিশাল অর্থনীতির অনেক দেশও যেখানে হাবুডুবু খাচ্ছে, সেখানে স্বল্প আয়তনের বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হওয়ার লক্ষ্যে দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

বঙ্গবন্ধুকন্যা, মাননীয় প্রধানন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের উল্লেখযোগ্য অর্জন হলো দেশের অর্থনীতিকে একটি শক্ত ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত করা। বাংলাদেশের অর্থনীতির অগ্রগতির পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশকে 'এশিয়ার বাঘ' আখ্যায়িত করেছে অনেক আন্তর্জাতিক সংস্থা। পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, কর্ণফুলী টানেল স্থাপনের মতো মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকারের দুর্নিবার উদ্যোগ, অদম্য সাহসিকতা বাংলাদেশের অর্থনীতির শক্তিশালী অবস্থাকে নির্দেশ করে। গত এক দশকে বাংলাদেশ স্থিতিশীল জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। করোনা মহামারীর মতো সংকটেও বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশের তুলনায় উন্নত ছিল, যা আমাদের অর্থনীতির শক্তিশালী ভিত্তির কথাই প্রমাণ করে।

আওয়ামী লীগ সরকারের একটি বড় অর্জন বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো। বিদ্যুতের উৎপাদন বাড়লে দেশে শিল্পকারখানা বাড়ে ও ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটে। সরকারের কৃষি সহায়ক নীতির কারণে খাদ্যশস্য উৎপাদনও অনেকে বেড়েছে। বিশ্বব্যাংকের বিরোধিতা ও অসহযোগিতা সত্ত্বেও সরকার সাফল্যের সঙ্গে পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ শেষ করেছে। পদ্মা সেতুর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে নতুন নতুন শিল্পকারখানা গড়ে উঠবে, সেখানকার মানুষের অর্থনীতি ও জীবনযাত্রায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে। সেখানে মোংলা বন্দর দিয়ে আমদানি রপ্তানি বাড়বে। অদূর ভবিষ্যতে এই সেতু এশিয়ান হাইওয়ে ও ট্রান্স এশিয়ান রেলওয়ের সঙ্গে যুক্ত হবে, যা একটি নতুন যুগের সূচনা করবে।

আওয়ামী লীগ সরকারের যুগান্তকরী সাফল্যের আরও একটি মেট্রোরেল। ঢাকা শহরে মেট্রোরেল নির্মাণে দারুণ সাফল্য অর্জিত হয়েছে। সব ঠিক থাকলে আগামী ১৬ ডিসেম্বরে চালু হতে যাচ্ছে মেট্রোরেলের একাংশ। এটি ঢাকার জীবনযাত্রাকে অনেক সহজ করবে। এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজও জোরেশোরে চলছে। চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণের কাজও শেষ হওয়ার পথে। বাংলাদেশে প্রথম এক্সপ্রেস সড়ক নির্মাণের কৃতিত্বও এই সরকারের। ঢাকা-চট্টগ্রাম সড়ক চার লেন হয়েছে। ঢাকা-ময়মনসিংহ সড়ক চার লেন হয়েছে। ঢাকা-সিলেট ও ঢাকা-রংপুর সড়কের উন্নয়ন কাজও অব্যাহত আছে। আরও অনেক সড়ক ও স্থাপনা নির্মিত হচ্ছে। বর্তমান সরকার যোগাযোগ ব্যবস্থায় অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছে।

সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ৮টি লক্ষ্যের মধ্যে শিক্ষা, শিশুমৃত্যুহার কমানো এবং দারিদ্র হ্রাসকরণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য উন্নতি প্রদর্শন করতে সক্ষম হয়েছে। নোবেল বিজয়ী ভারতীয় অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের করা মন্তব্য এক্ষেত্রে প্রণিধানযোগ্য। তাঁর মতে কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিশ্বকে চমকে দেবার মতো সাফল্য আছে বাংলাদেশের। বিশেষত শিক্ষা সুবিধা, নারীর ক্ষমতায়ন, মাতৃ ও শিশু মৃত্যুহার ও জন্মহার কমানো, গরিব মানুষের জন্য শৌচাগার ও স্বাস্থ্য সুবিধা প্রদান এবং শিশুদের টিকাদান কার্যক্রম অন্যতম।

বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তনের অগ্রযাত্রায় জননেত্রী শেখ হাসিনার ভূমিকা অগ্রগণ্য হিসেবে আজ বিশ্বে প্রতিষ্ঠিত। সরকার চলতি অর্থবছরে জাতীয় বাজেটের একটি বড় অংশ শিক্ষা খাতে বরাদ্দ দিয়েছে যা প্রায় মোট জাতীয় বাজেটের ১২ শতাংশ। শিক্ষাকে সর্বস্তরে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য আওয়ামী লীগ সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসমূহের মধ্যে অন্যতম হলো শতভাগ ছাত্রছাত্রীর মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ কার্যক্রম। বছরের প্রথম দিনেই সকল শিক্ষার্থীর হাতে বিনামূল্যে পৌঁছে যাচ্ছে নতুন বই। নারী শিক্ষাকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত চালু করা হয়েছে উপবৃত্তি ব্যবস্থা। বর্তমান ২৬ হাজার ১৯৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে নতুন করে জাতীয়করণ করেছে। উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষকের চাকরি সরকারিকরণ করা হয়েছে। ১৯৯০ সালে বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া শিশুর শতকরা হার ছিল ৬১, বর্তমানে তা উন্নীত হয়েছে প্রায় শতভাগে। শিক্ষার সুবিধাবঞ্চিত গরিব ও মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গঠন করা হয়েছে শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট'। বিশ্বে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষার্থী ভর্তি সূচকে বাংলাদেশ এক নম্বরে।

ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নকে বাস্তবতায় রূপ দিতে বাংলাদেশ সরকার নিয়েছে যুগান্তকারী সব পদক্ষেপ। দেশের তৃণমূল পর্যায়ে প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে সরকারি সেবা পৌঁছে দেবার অভিপ্রায়ে দেশের ৪৫৫০টি ইউনিয়ন পরিষদে স্থাপন করা হয়েছে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার। তৈরি করা হয়েছে বিশ্বের অন্যতম বড় জাতীয় ওয়েবপোর্টাল। কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকে শুরু করে ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত এ পোর্টালের সংখ্যা প্রায় ২৫০০০ । দেশের সব উপজেলাকে আনা হয়েছে ইন্টারনেটের আওতায়। বাংলাদেশের আইটি শিল্প বহির্বিশ্বে অভূতপূর্ব সুনাম কুড়িয়েছে। বাংলাদেশের পোশাকশিল্প বিশ্বে একটি বড় আসন দখল করেছে। পোশাকশিল্পের পাশাপাশি প্রসার ঘটেছে আবাসন, জাহাজ, ঔষুধ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ খাদ্য শিল্পের। বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের তালিকায় যোগ হয়েছে জাহাজ, ঔষুধ ও বিভিন্ন প্রক্রিয়াজাত খাদ্যসামগ্রী।

করোনা মহামারি মোকাবেলায় বর্তমান সরকারের পদক্ষেপ বিশ্বে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। শিশুদের টিকাদান কর্মসূচির সাফল্যের জন্য এক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিশ্বে অন্যতম আদর্শ দেশ হিসেবে পরিগণিত হয়। তৃণমূল পর্যায়ের দরিদ্র মানুষদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে গড়ে তোলা হয়েছে ১২ হাজার ৭৭৯টি কমিউনিটি ক্লিনিক। ৩১২টি উপজেলা হাসপাতালকে উন্নীত করা হয়েছে ৫০ শয্যায়। মেডিকেল কলেজ ও জেলা হাসপাতালগুলোতে ২ হাজার শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে। মাতৃ ও শিশু মৃত্যুহার এবং জন্মহার হ্রাস করা সম্ভব হয়েছে উল্লেখযোগ্য হারে।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ দুর্দান্ত সফলতা অর্জন করেছে। বিশ্ব নেতারা জলবায়ু পরিবর্তন ও গ্লোবাল ওয়ার্মিং ইস্যুতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। নারীর ক্ষমতায়নে অসামান্য অবদানের কারণে আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে 'এজেন্ট অফ চেঞ্জ' এবং 'প্ল্যানেট ৫০-৫০ চ্যাম্পিয়ন' পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে। আইসিটি খাতে সরকারের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে তিনটি আন্তর্জাতিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। দারিদ্র্যতা বিমোচনে অবদানের জন্য তিনি অর্জন করেছেন 'সাউথ-সাউথ পুরস্কার'।

সাম্প্রতিক সময়ে দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কার বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে যাওয়ায় সবচেয়ে খারাপ অর্থনৈতিক সঙ্কটের মুখোমুখি হয়েছে। দেশটির অর্থনীতি ভেঙ্গে পড়েছে। কেউ কেউ আশঙ্কা করেছিল, শ্রীলঙ্কার পথে হাঁটছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের সঙ্গে শ্রীলঙ্কার তুলনা করা যে সমীচীন হয়নি, ইতোমধ্যে তা প্রমাণ হয়ে গেছে। করোনার দুই বছরে বাংলাদেশের মতো বেশিরভাগ দেশ উতরে গেছে শক্তিশালী কৃষি খাতের কারণে। দেশে উৎপাদন ভালো হওয়ায় খাদ্য সঙ্কট হয়নি। রাসায়নিক সার ব্যবহার বন্ধের ফলে শ্রীলঙ্কায় ফসল উৎপাদন কমে যায়। একদিকে উৎপাদন কমে যাওয়া, অন্যদিকে বিদেশি মুদ্রার অভাবে আমদানি করতে না পারায় দেশটিতে খাদ্য ঘাটতি দেখা দেয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক টাকা ছাপিয়ে ব্যয় নির্বাহ শুরু করলে দেশটিতে বাড়ে মূল্যস্ফীতির চাপ। বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, রফতানি আয়, রেমিটেন্স পরিস্থিতিও শ্রীলঙ্কার তুলনায় অনেক অনেক ভালো অবস্থানে রয়েছে। বাংলাদেশের রেমিটেন্সের পরিমাণও দিন দিন বাড়ছে। প্রকল্প ঋণের জন্য কোনো একক দেশ বা সংস্থার ওপর নির্ভরশীল নয় বাংলাদেশ। তাই বিরোধিরা যতই অপপ্রচার করুক, বাংলাদেশের অর্থনীতি আগের চেয়ে এখন অনেক বেশি শক্তিশালী।



জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার রাষ্ট্র পরিচালনায় দারুণ সাফল্য অর্জন করলেও বিএনপি 'বিরোধীতার সূত্রে বিরোধীতা করছে। সাধারণ জনগণ বিরোধীদের এই মতকে গ্রহণ করছে না। জনগণের দায়িত্ব হলো দেশের উন্নতির স্বার্থে আওয়ামী লীগ সরকারকে সহায়তা করা। বিগত বছরগুলোতে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ যে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করছে সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হলে দল-মত নির্বিশেষে আমাদের সকলের উচিত সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে আকুণ্ঠ সমর্থন করা। গণতন্ত্রে বিরোধী দলের ভূমিকা অনস্বীকার্য। তবে বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও অগ্রযাত্রার বিরোধিতা যারা করে, তারা দেশের উন্নয়ন চায় না। দেশের উন্নয়নের অগ্রগতিকে ব্যাহত করতে তারা সরকার হঠানোর আন্দোলন করতে চায়।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের এক বছরের মাথায় বিএনপি অহেতুক আন্দোলন শুরু করেছিল। তাতে দলটি শুরু থেকেই সন্ত্রাস ও নাশকতার কৌশল নিয়েছিল। দলটি পেট্রোলবোমার ব্যবহার বা আগুনে মানুষ পুড়িয়ে মারার মতো বর্বরতা দেখিয়েছিল। এসব নৃশংসতা আন্দোলন জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছিল। সেসময় দীর্ঘ সময় ধরে চলা অবরোধ ও হরতালের কর্মসূচির কোনো প্রাপ্তি ছিল না। কারণ জনগণ আন্দোলনের নামে সন্ত্রাস ও নাশকতার কৌশলকে প্রতিহত করেছে। এসব কারণে হরতাল-অবরোধ অনেকটাই অকার্যকর আন্দোলনে পরিণত হয়েছিল ।

আন্দোলনের শুরু থেকেই কৌশল হিসেবে সন্ত্রাস ও নাশকতার পথ ধরেছিল বিএনপি। ফলে খুব স্বাভাবিক কারণেই এই আন্দোলন গণ-আন্দোলনের দিকে যায়নি। বিএনপি সম্ভবত সে চেষ্টা বা পথও ধরেনি। আমার মনে হয়, নাশকতা বা সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশ অচল করে বিষয়টি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নজরে এনে তাদের মধ্যস্থতায় কিছু করার পথ বেছে নিতে চেয়েছিল তারা। সন্ত্রাস ও নাশকতা দিয়ে শুরু হওয়া বিএনপির আন্দোলনের কথা জনগণ এখনও ভুলেনি। তাই তাদের আন্দোলনে জনসমর্থন থাকবে, এটাই বলাই বাহুল্য । ফলে বর্তমান সময়েও সরকারবিরোধী আন্দোলন করতে চাইলে বিএনপি কোনো সুফল পাবে না। দলটির উচিত হবে, আন্দোলনের পথ পরিহার করে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা।

লেখক: কোষাধ্যক্ষ, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়; সাবেক চেয়ারম্যান, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
http://www.dailyvorerpata.com/ad/dd.jpg
http://dailyvorerpata.com/ad/apon.jpg
https://www.dailyvorerpata.com/ad/last (2).gif
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]