সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯

শিরোনাম: বিএনপির সমাবেশকে ঘিরে পরিবহন ধর্মঘট না ডাকার আহ্বান কাদেরের    শতভাগ পাস ২৯৭৫ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে, ৫০টিতে সবাই ফেল    সংঘাত-দুর্যোগের সময় নারীদের দুর্দশা বহুগুণ বেড়ে যায়: প্রধানমন্ত্রী    এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেলো ২ লাখ ৬৯ হাজার শিক্ষার্থী    এসএসসি ও সমমানে পাসের হার ৮৭.৪৪ শতাংশ    এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ    বিশ্বে একদিনে করোনায় আক্রান্ত সাড়ে ২ লাখ   
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
পা দিয়ে লিখে এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে মানিক
ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ৫:১২ পিএম আপডেট: ১৫.০৯.২০২২ ৮:২৩ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

জন্ম থেকেই শারিরীক প্রতিবন্ধী মানিক রহমান (১৬) । দুই হাত নেই, তবুও থেমে যায়নি তার লেখাপড়া। তার দুই হাত না থাকায় পা দিয়ে লেখেই আজ (বৃহস্পতিবার) কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার ফুলবাড়ী জছি মিঞা মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করেছে মানিক রহমান। মানিক ফুলবাড়ী উপজেলার চন্দ্রখানা গ্রামের মিজানুর রহমান ও মরিয়ম দম্পতির ছেলে।

জানা গেছে, অদম্য মেধাবী এই শারিরীক প্রতিবন্ধী মানিকর হমানের দুই হাত না থাকায় পা দিয়ে লিখে ফুলবাড়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (পাইলট) কেন্দ্রের ৮ নং কক্ষে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহন করেছেন। সে জেএসসির পরীক্ষায় ও জিপিএ-৫ পেয়েছে।

মানিক রহমান বলেন, আমার জন্য দোয়া করবেন আল্লাহপাক যেন আমাকে সুস্থ রাখেন। আমি লেখাপড়া শেষ করে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হতে চাই। এর আগে জেএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছি আমি।



মানিক রহমানের মা মরিয়ম বেগম বলেন, আমার ছেলে জন্ম থেকেই শারিরীক প্রতিবন্ধী। লেখাপড়ায়তার খুব আগ্রহ। আমরা সব ধরনের সহযোগিতা করছি তাকে। সে লেখাপড়া শেষ করে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হবে তার স্বপ্ন।

বাবা ঔষধ ব্যসায়ী মিজানুর রহমান বলেন, আমার দুই ছেলে তার মধ্যে মানিক বড়। জন্মের পর থেকেই সে শারীরিক প্রতিবন্ধী। ছোট থেকেই তাকে পা দিয়ে লেখার অভ্যাস তৈরি করি। সমাজে তো সুস্থ সফর অনেক মানুষ আছে তাদের চেয়ে যখন রেজাল্ট ভালো করে নিজেকে গর্ভবোধ মনে করি আমরা।

ফুলবাড়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের (পাইলট) কেন্দ্রের সুপার মশিউর রহমান বলেন, মানিক রহমান ছাত্র হিসেবে খুবই ভালো। সে গত জেএসসি পরীক্ষায় জিপিএ -৫ পেয়েছে। তাছাড়াও ট্যালেন্ট ফুলে বৃত্তি ও পেয়েছে। সে ভালো ভাবেই পরিক্ষা দিচ্ছে। তার পায়ের লেখা দেখে কার বুঝার উপায় নেই সে প্রতিবন্ধী। তার পায়ের লেখা দারুন সুন্দর। তারজন্য দোয়া থাকবে সে অনেক বড় হবে।

জেলা শিক্ষা অফিস সুত্রে জানা গেছে, জেলার ৯ উপজেলায় ৫৭টি কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থী ২৭ হাজার ১শ ৫১ জন। এরমধ্যে মাধ্যমিক এ ৩৪টি কেন্দ্রে ১৮ হাজার ৮শ ৩৯ জন, ভোকেশনালে ১১টি কেন্দ্রে ২ হাজার ৭শ ৫৭ জন ও মাদ্রাসায় ১২টি পরীক্ষা কেন্দ্রে ৫ হাজার ৫শ ৫৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছে।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
http://www.dailyvorerpata.com/ad/dd.jpg
http://dailyvorerpata.com/ad/apon.jpg
https://www.dailyvorerpata.com/ad/last (2).gif
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]