বুধবার ৩০ নভেম্বর ২০২২ ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯

শিরোনাম: বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারি: ৩ মাসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ    জিএম কাদেরের দায়িত্ব পালনে বাধা নেই: হাইকোর্ট    মুজিব কোট পরলেই মুজিব সৈনিক হওয়া যায় না: কাদের    চীন-যুক্তরাজ্য সম্পর্কের ‘স্বর্ণযুগ’ যুগ শেষ: ঋষি সুনাক    রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ৩৬    সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ডে ব্রাজিল    অপার সম্ভাবনার বাংলাদেশ গড়েছেন শেখ হাসিনা   
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
গুজব প্রতিরোধে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার বিকল্প নেই
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৩০ আগস্ট, ২০২২, ৪:০২ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

গণমাধ্যম রাষ্ট্রের অন্যতম স্তম্ভ। যেটাকে বলা হয় সমাজের আয়না। আর এই আয়নার মাধ্যমে সমাজের সকল চিত্র ফুটে ওঠে। সাংবাদিকতা মহান পেশা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিজেও সাংবাদিকতা করেছেন, লিখেছেন। তিনি গণমাধ্যমবান্ধব নেতা ছিলেন। একাত্তরের পর তিনি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতে কাজ করেছেন। এতোকিছুর পরেও গণমাধ্যমের সাথে বঙ্গবন্ধুর সম্পর্ক নিয়ে নানা গুজব ছড়ানো হয়। এ গুজব ও অপপ্রচার আজও থামেনি। আমাদের মনে রাখতে হবে, সাংবাদিকতা আর ফেসবুক চর্চা এক জিনিস নয়। দায়িত্বজ্ঞানহীন ভাবে সাংবাদিকতা হয় না। গুজব, অপপ্রচার রোধে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার কোনো বিকল্প নেই। 

মঙ্গলবার (৩০ আগস্ট) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে শোক দিবসের আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। জাতীয় শোকদিবস উপলক্ষ্যে ‘দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা ও বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনা শীর্ষক’ এই আলোচনা সভার আয়োজন করে জাগরণ টিভি ও নিউজ নাউ বাংলা। 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার বলেন, সাংবাদিকতা এবং ফেসবুক চর্চা এক জিনিস নয়। ফেসবুকে আমরা যা কিছু লিখতে পারি কিন্তু সংবাদপত্রে কলম আছে বলেই যা ইচ্ছে তাই লেখা সম্ভব নয়। দায়িত্বশীলতা সাংবাদিকতারই অংশ। বঙ্গবন্ধু সাংবাদিকদের জন্য যে আইন করেছিলেন আমরা আজও তার বিকল্প কিছু করতে পারিনি। বঙ্গবন্ধুর শাসনামলেও তাঁর বিরুদ্ধে অসত্য, গুজব প্রচার হয়েছে। বঙ্গবন্ধু কয়জন সাংবাদিককে জেলে ঢুকিয়েছিলেন? বঙ্গবন্ধু ৭৫ সালে যে কর্মসূচি নিয়েছিলেন এর প্রেক্ষিত আছে। তিনি কেনো দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়েছিলেন। ৭৪ সালে কিভাবে দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি করা হয়েছিল। সে জায়গাগুলোকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। 

গণমাধ্যমে ডিজিটাল প্লাটফর্মের প্রভাব বাড়ছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, যেসব সংবাদপত্র নিবন্ধনকৃত তাদের নিয়ে আমাদের চিন্তা কম করতে হয়। প্রতিদিন মিডিয়া বাড়ছে কিন্তু দায়িত্বশীল সম্পাদকের সংখ্যা বাড়ছে না। যার কারণে অনেকে দায়িত্বহীনতার পরিচয় দেন। তারা বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমের স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করেন না। দূর্ভাগ্যক্রমে যারা ফ্যাক্টচেকার তারাও জামায়ত-শিবির। 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জের উপাচার্য অধ্যাপক ড. জেড এম পারভেজ সাজ্জাদ বলেন, বাঙালির বেদনাবিধুর শোকের মাস আগস্ট শেষ হতে যাচ্ছে। মানব সভ্যতার ইতিহাসের সবথেকে ঘৃণ্য ও নৃশংসতম হত্যাকাণ্ডের কালিমালিপ্ত এই মাসে আমি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করছি, বাঙালির মহান নেতা, স্বাধীনতার স্থপতি, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ওইদিনের হত্যাকাণ্ডে শহিদ তাঁর পরিবারের সকল সদস্যসহ অন্যান্য শহিদদের প্রতি। আমরা তাদের সকলের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু সারাজীবন বাঙালির অধিকার আদায়ের সংগ্রাম করেছেন, দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্যই তিনি সারাটি জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন। পাকিস্তানের শোষণ-বঞ্ছনা থেকে বাঁচতে তিনি বাঙালি জাতির জন্য আলাদা রাষ্ট্র গঠনের স্বপ্ন দেখেছেন। তাঁর নানা ত্যাগ-তিতিক্ষা ও সংগ্রামের মাধ্যমে এদেশ স্বাধীন হয়েছে। ১৯৭২ সালের ২৪ জানুয়ারিতে টাঙ্গাইলের এক জনসভায় বঙ্গবন্ধু বলেন, বাংলাদেশে কোনো সাম্প্রদায়িকতা থাকবে না। স্বাধীন দেশে হিন্দু মুসলমান কোনো ভেদাভেদ থাকবে না। তিনি বলেন, সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই। দেশের অর্থসামাজিক উন্নয়নে ১৯৭৫ সালে জাতীয় সংসদের ৫ম সংশোধনীতে বঙ্গবন্ধু রাষ্ট্রপতি শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।

১৯৭৫ সালের ২৬ মার্চ ঢাকার জনসভায় বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ (বাকশাল)এর মূল নির্দেশনা ছিল জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন ঘটানো।  জাতির পিতার মূল নিদের্শনা ছিল সবাইকে সাথে নিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। অথচ তৎকালিন সময় প্রচার প্রচারনায় ছিল পক্ষপাতিত্ব। ছিল দেশি-বিদেশি চক্রান্তের অপপ্রচার। তারপরেও বঙ্গবন্ধু গণমাধ্যমকে স্বাধীনতা দিয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, গণমাধ্যমের কল্যাণেও নানা কাজ করেছেন।

ড. পারভেজ সাজ্জাদ বলেন, এখন সময় এসেছে এসব বিষয়ে বস্তুনিষ্ঠ ভাবে পর্যালোচনা করে তরুণ প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে হবে। 

গ্লোবাল টেলিভিশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা বলেন, বঙ্গবন্ধুর ভাষণগুলো আমরা যদি শুনি, তাহলে দেখা যায়- তিনি বারংবার ‘আমার মানুষ' শব্দটি ব্যবহার করেছেন। অর্থাৎ তিনি মানুষকে গুরুত্ব দিতেন। এদিকে সাংবাদিকতাও মানুষের জন্য। বঙ্গবন্ধুর 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' বইটি পড়লে দেখা যায়, তিনি সেখানেও সাংবাদিকতাকে গুরুত্ব দিয়েছেন। বঙ্গবন্ধু চাইতেন সাংবাদিকরা যাতে স্বাধীনতা পায়। ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধুর সময়ে প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তার চেয়ে সাংবাদিকরা বেতন বেশি পেতেন। আইনের মাধ্যমে সংবাদ মাধ্যম সংশ্লিষ্টদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছিল। সম্পাদকের মর্যাদা সচিবের সমান দেয়া হয়েছে। পরে বিএনপি জামায়াত আমলে এটা বাতিল করা হলো। পরবর্তীতে সাংবাদিকদের কল্যাণে আর কোনো আইন করা হয়নি।

তিনি বলেন, সাংবাদিকরা দায়িত্বশীল হবেন, এটাই স্বাভাবিক। এক্ষেত্রে কর্পোরেট সংস্কৃতি অনেক সময় এটাকে গ্রাস করতে চায়। আমাদের মনে রাখতে হবে, বঙ্গবন্ধু যদি অধৈর্য হতেন তাহলে তাঁর আমলে অনেক পত্রিকা বন্ধ হয়ে যেত। কিন্তু সেটি হয়নি। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় শহীদুল হক নামে পাকিস্তান অবজারভারের যে সাংবাদিক বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে সাক্ষী দিয়েছেন, পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধুর সাথে তার দেখা হলে তিনি বলেছিলেন, তুমি আমার বিরুদ্ধে সাক্ষী দিয়েছিলা। তোমার এই বিরুদ্ধ সাক্ষীও আমার মুক্তির ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছে। এভাবে বঙ্গবন্ধু তাঁর বিরোধী সাংবাদিকদের দেখেছেন।

তিনি আরো বলেন, সূত্রহীন সংবাদ, গুজব এবং অসত্য তথ্যও এখন গণমাধ্যমে দেখা যাচ্ছে। আমরা যখন শিরোনামকে বাছাই করছি, তখন কনটেন্টটা বিবেচনা করছি না। কুরুচিপূর্ণ শব্দ ও ছবি ব্যবহার করছি। এমনকি নারী ও শিশু সংক্রান্ত বিষয়গুলোও অনেক সময় ভিন্ন ভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব, স্বার্থের দাম্ভিকতাও অনেক সময় দেখা যায়। 

সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা বলেন, বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা জানালে হলে আমাদের গণমাধ্যমে ৩টি কাজ করতে হবে। মানুষের প্রেক্ষাপটে মানুষের জন্য কাজ করতে হবে, মানবিক ও অসাম্প্রদায়িক ধারা বজায় রাখতে হবে এবং  সর্বোপরি সঠিক তথ্য প্রচার করতে হবে।

ডিবিসি নিউজের সম্পাদক প্রণব সাহা বলেন, আগস্ট মাস আসলে আমাদের সারা মাসের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে। বঙ্গবন্ধুর কন্যার নেতৃত্বে তাঁর গড়া দেশ যখন পরিপূর্ণ ডিজিটাল হওয়ার পথে, তখনও স্বাধীনতা বিরোধীরা থেমে নেই। প্রতিনিয়ত তারা নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হচ্ছে। তবে আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, বঙ্গবন্ধুর দেশে তাঁর দেয়া লাল-সবুজের পতাকা থাকবে। কোনো স্বাধীনতা বিরোধীর স্থান হবে না।

বিএফইউজে সাধারণ সম্পাদক দীপ আজাদ বলেন, বঙ্গবন্ধু গণমাধ্যমবান্ধব নেতা ছিলেন। তিনি গণমাধ্যমের কল্যাণে নানা উদ্যোগও বাস্তবায়ন করেছেন। সাংবাদিকতায় স্বাধীনতাও তিনি দিয়েছেন। কাজেই সাংবাদিকদেরও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মাধ্যমে বস্তুনিষ্ঠতার ধারা অব্যাহত রেখে কাজ করতে হবে।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) সভাপতি নজরুল ইসলাম মিঠু বলেন, বঙ্গবন্ধু চাইতেন গণমাধ্যম সততার সাথে চলবে, সত্যের সাথে চলবে। আমরা সেই পথে কতখানি আছি? গণমাধ্যমের উৎকর্ষ সাধনে আমাদেরকে আরো বেশি মনোযোগী হওয়া উচিত। বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার জন্য আরো নিবেদিত হতে হবে, আরো পথ পাড়ি দিতে হবে।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম হাসিব বলেন, ১৩/১৪ বছর ধরে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে। অথচ এই প্রেক্ষাপটে এসেও নারীর পোশাক নিয়ে কথা বলা হচ্ছে। আসলেই, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ছড়িয়ে দেয়া গেছে কিনা, সেটা দেখতে হবে।বঙ্গবন্ধুর ধর্ম দর্শন অর্থাৎ ধর্ম নিরপেক্ষতার কথা তিনি বলে গেছেন। তিনি অনেক আগে যেই সমাজের কথা বলেছেন, সেই সমাজের কথা বিশ্ব এখন বলছে। এটাই বঙ্গবন্ধু, এটাই তাঁর বিচক্ষণতা। 

শেখ রাসেল ফাউন্ডেশন (ইউএসএ ইন্ক) এর সভাপতি ডা. ফেরদৌস খন্দকার বলেন, গণমাধ্যম রাষ্ট্রের অন্যতম স্তম্ভ। আর সাংবাদিকতা মহান পেশা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিজেও সাংবাদিকতা করেছেন, লিখেছেন। তিনি গণমাধ্যমবান্ধব নেতা ছিলেন। একাত্তরের পর তিনি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতে কাজ করেছেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধু হত্যার পর গণমাধ্যমের সত্যিকার চেহারা বেরিয়ে এসেছিলো। 

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাও গণমাধ্যমবান্ধব। তিনি ক্ষমতায় আসার সময়ে ১০টি টিভি ছিল, আর এখন প্রায় ৪৫টি টিভি। সরকার উন্নয়নের কাজে ব্যস্ত আর কিছু গণমাধ্যম গুজব ছড়াতে ব্যস্ত। সরকারের দায়বদ্ধতা আছে, গণমাধ্যমেরও দায়বদ্ধতা আছে। এসময় তিনি গণমাধ্যমকর্মীদেরকে দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করার আহবান জানান।



জাগরণ টিভির প্রধান সম্পাদক এফ এম শাহীন বলেন, শোষণহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে গেলে গণমাধ্যমের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে বঙ্গবন্ধু এদেশের গণমাধ্যমকে উন্মুক্ত করে দিয়েছেন। কিন্তু সেই গণমাধ্যমকে আজকে আমরা কী দেখছি? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭/৮ জন শিক্ষার্থী নারীর পোশাক নিয়ে দাঁড়িয়ে বিরূপ মন্তব্য করলেন। সেটা গণমাধ্যমে কিভাবে উপস্থাপন করা হলো?  কিন্তু একটা বিষয় আসল না, এই ৭/৮ জন তো পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব নিয়ে এটি করে নাই। 

তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের খুনীদের দোসররা রাষ্ট বিরোধী আদর্শ নিয়ে এখনো এদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। কাজেই তাদের বিষয়গুলো কতটুকু তুলে ধরবো, কতটুকু তুলে ধরবো না- সে বিষয়ে গণমাধ্যমকে ভাবতে হবে। এদেশে এখনও দুইটি পক্ষ। একটি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের, আরেকটি মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী পক্ষ। 

সভাপতির বক্তব্যে নিউজ নাউ এর প্রধান সম্পাদক শামীমা দোলা বলেন, 'দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা ও বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনা' শীর্ষক বিষয়টি  আমরা বিবার্তার সম্পাদক বাণী ইয়াসমিন হাসির সাথে আলোচনা করে ঠিক করেছি। আর এর কারণ হলো- গণমাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর যে অবদান, সাংবাদিকদের সাথে তাঁর যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক সেটিকে তুলে ধরা। একইসাথে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে যেসব মিথ্যাচার ও অপপ্রচার হয়েছে সেগুলোকেও তুলে ধরা আমাদের লক্ষ্য।

নিউজ নাউ এর প্রধান সম্পাদক শামীমা দোলা সভাপতিত্বে এবং জাগরণ টিভির প্রধান সম্পাদক এফ এম শাহীনের সঞ্চালনায় এতে আরো উপস্থিত ছিলেন বিবার্তা২৪ডটনেটের বার্তা সম্পাদক হাবিবুর রহমান রোমেলসহ প্রমুখ।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
http://www.dailyvorerpata.com/ad/dd.jpg
http://dailyvorerpata.com/ad/apon.jpg
https://www.dailyvorerpata.com/ad/last (2).gif
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]