শনিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ ৯ আশ্বিন ১৪২৯

শিরোনাম: জাতীয় নির্বাচন: ভোট দিতে লাগবে ১০ আঙ্গুলের ছাপ    করোনায় আর ৪ জনের মৃত্যু    বিদায়বেলায় অঝোরে কাঁদলেন ফেদেরার, অশ্রুসিক্ত নাদালও    তালাবদ্ধ ঘরে পড়েছিল বৃদ্ধ দম্পতির হাত-মুখ বাঁধা লাশ    জমিতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে ২ কৃষকের মৃত্যু    চলন্ত ট্রেনে উঠতে গিয়ে প্রাণ গেল বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্রের    পর্যটকদের জন্য দুয়ার খুললো ভুটান   
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
প্রেশার কতটা হলে বলা যায় উচ্চ রক্তচাপ!
সাস্থ্যপাতা ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ২৯ জুন, ২০২২, ২:৫৫ এএম আপডেট: ২৯.০৬.২০২২ ২:৫৬ এএম | অনলাইন সংস্করণ

প্রেশারের সমস্যা এখন বাড়ি বাড়ি। এক্ষেত্রে স্ট্রোক থেকে শুরু করে চোখের সমস্যা, কিডনির সমস্যা দেখা দিতে পারে। মুশকিল হল বেশিরভাগ মানুষ জানেনই না যে কখন হাই প্রেশার বলা যায়। কখন প্রেশার বলা যায়, কখন ওষুধ খেতে হয়, ডায়েটই বা কী? উত্তর দিলেন চিকিৎসক।

প্রেশার এক গুরুতর সমস্যা। অসংখ্য মানুষ এই রোগে আক্রান্ত। তবে এরপরও মানুষের কোনও হুশ নেই। তাই তাঁরা এই রোগটিকে নিয়ে একবারেই সচেতন নয়। এবার এই রোগ নিয়ে সচেতন না হতে পারলে অনেক সমস্যাই দেখা দিতে পারে। তাই চিন্তা তো অবশ্যই করতে হবে।

রক্তচাপ নিয়ে এত কথা হলেও, বেশিরভাগ মানুষই জানেন না এই বিষয়টি সম্পর্কে। আমাদের শরীরে রয়েছে রক্তনালী। এই রক্তনালীর ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে যায় রক্ত। এবার রক্ত প্রবাহের সময় রক্তনালীর ভিতরে যে চাপ তৈরি হয় তা হল ব্লাডপ্রেশার। এক্ষেত্রে প্রেশার কিন্তু প্রতিটি মানুষেরই রয়েছে। তার কম বেশি হলেই যত সমস্যা তৈরি হয়ে যায়।

আমাদের মতো দেশগুলিতে প্রেশার মাপাই হয় না। সেক্ষেত্রে রোগ ধরা পড়ার সম্ভাবনাও খুবই কম। এই বিষয়ে ঢাকুরিয়া আমরি হাসপাতালের বিশিষ্ট মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা: রুদ্রজিৎ পাল জানাচ্ছিলেন, হ্যাঁ, অনেক সমস্যাই দেখা দেওয়া সম্ভব। তবে বেশিরভাগ সময়ই রোগীরা কিন্তু জানেন না যে তাঁদের ভিতর এই রোগ রয়েছে। এবার এই রোগ থাকার পরও বুঝতে না পারলে সমস্যা আরও বাড়ে বই কমে না। তাই প্রতিটি মানুষকে অবশ্যই হাই প্রেশার সম্পর্কে সঠিক ধারণা রাখতে হবে।



এক্ষেত্রে কয়েকটি ক্ষতি হয়ে যাওয়া সম্ভব। ডা: পাল জানালেন, প্রথমে মাথা থেকে শুরু করা যাক। এক্ষেত্রে প্রেশার বেশি থাকলে মাথায় স্ট্রোক হতে পারে। চোখে হতে পারে ব্লিডিং। এমনকী রেটিনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এছাড়া হার্ট ফেলিওর হতে পারে। এমনকী কিডনি খারাপও হওয়া সম্ভব। তবে এখানে বলে রাখা দরকার যে প্রেশার বেশি থাকলে অনেক সময়ই স্মৃতিভ্রম হয়ে থাকে। তাই সতর্ক হন।

ডা: পাল জানালেন, বিভিন্ন নির্দেশিকা রয়েছে। আসলে এক্ষেত্রে প্রেশারের দুটি ভাগ। প্রথমত সিস্টোলিক ও ডায়ালোস্টোলিক প্রেশার। এক্ষেত্রে সাধারণের ভাষায় উপরের প্রেশার হল সিস্টোলিক এবং নীচেরটা হল ডায়াস্টোলিক। এবার সিস্টোলিক ১৩০ এমএম/এইচজি-এর বেশি। আর ডায়াস্টোলিক ৮০-এর বেশি হলেই বলা যায় হাইপারটেনশন বা হাই ব্লাডপ্রেশার। এবার দুটি একসঙ্গে বেশি হওয়ার প্রয়োজন নেই। যে কোনও একটি বেশি হলেই বলা যেতে পারে হাই প্রেশার।

ডা: পালের কথায়, এখন ছোট বয়স থেকেও মানুষ প্রেশারের সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছেন। তাই সজাগ তো থাকতেই হবে। এক্ষেত্রে মাসে একবার প্রেশার মাপতে পারলে ভালো। আর কিছু কিছু ক্ষেত্রে প্রেশারের নানা লক্ষণ বের হয়ে যায় শরীরে। এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে মাথা ঘুরছে, মাথা ব্যথা, বুকে ব্যথা, বুক ধড়ফড় হলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নিন। পাশাপাশি প্রেশার মাপুন।

ডা: পাল জানালেন প্রেশারের ক্ষেত্রে অনেক সমস্যাই দেখা দিতে পারে। এবার দেখা গিয়েছে যে একবার প্রেশার মাপলে অনেক সময়ই ভুল রিডিং আসতে পারে। কারণ মানুষের অনেক কারণে হঠাৎ প্রেশার বাড়ে। এবার সেই রোগীকে ফের কিছুদিন পর আসতে বলা হয়। তারপরও প্রেশার বেশি হলে দেওয়া হয় ওষুধ। এক্ষেত্রে গোটা জীবনই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ওষুধ খেতে হয়।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
http://dailyvorerpata.com/ad/apon.jpg
https://www.dailyvorerpata.com/ad/last (2).gif
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]