মঙ্গলবার ২৯ নভেম্বর ২০২২ ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯

শিরোনাম: বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারি: ৩ মাসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ    জিএম কাদেরের দায়িত্ব পালনে বাধা নেই: হাইকোর্ট    মুজিব কোট পরলেই মুজিব সৈনিক হওয়া যায় না: কাদের    চীন-যুক্তরাজ্য সম্পর্কের ‘স্বর্ণযুগ’ যুগ শেষ: ঋষি সুনাক    রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ৩৬    সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ডে ব্রাজিল    অপার সম্ভাবনার বাংলাদেশ গড়েছেন শেখ হাসিনা   
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
দশে মিলে ‘কুকাজ’!
#১২০০ টাকার পর্দা ৫৩ হাজারে ক্রয়। #বিআইডব্লিউটিসির ১০ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ২১০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ
আরিফুর রহমান
প্রকাশ: রোববার, ১৯ জুন, ২০২২, ৯:৪০ পিএম আপডেট: ২০.০৬.২০২২ ৬:৫৮ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

‘সরকার কি মাল দরিয়া মে ডাল’ বহুল প্রচলিত হিন্দি-উর্দু প্রবাদটি খানিক ‘কারেকশন’ করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশন- বিআইডব্লিউটিসি। এই প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা সরকারি মাল দরিয়ায় না ঢেলে বিপুল অংকের টাকা নিজেদের পকেটে পুরেছেন। এর একটি নমুনা ১২০০ টাকার একেকটি পর্দার দাম খাতা-কলমে দেখানো হয়েছে ৫৩ হাজার টাকা। অর্থাৎ আসল দামের চেয়ে ৫০ গুণ বেশি! বিআইডব্লিউটিসির ১০ কর্মকর্তা ‘মিলেমিশে’ ঘটিয়েছেন এমন কাণ্ড।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বহুল আলোচিত ‘বালিশকাণ্ড’কেও যেন ছাপিয়ে গেছে এই কেনাকাটার ঘটনা। বিআইডব্লিউটিসি ২০১৮ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকায় জাহাজের খুচরা যন্ত্রাংশ ও বিভিন্ন জিনিসপত্র এবং বেশ কয়েকটি ভবন নির্মাণ ও সংস্কারকাজে কেনাকাটার নামে এই অর্থ খরচ করেন। শুধু পর্দাই নয়, আরো যেসব জিনিসের দাম আকাশচুম্বী দেখানো হয়েছে, সেগুলো হলো- ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা মূল্যের একটি হাইড্রোলিক পাম্প ফর রোম্পের দাম ৪ লাখ ৫৫ হাজার টাকা, ৪০ হাজার টাকার একটি পিনিয়ন ফর কাপলিং ডিস্ক কেনা হয়েছে ১ লাখ ১৯ হাজার ৮০০ টাকায়, ২৫০ টাকার দেয়াল ঘড়ি ১৬৫০ টাকা, ১৬ হাজার টাকার গিয়ার অয়েল কুলার ১ লাখ ৩৪ হাজার টাকা, ২ হাজার টাকার এক পিস ইপজেকরিন জেল ১৩ হাজার টাকা, ১৫০০ টাকার গিয়ার অয়েল ফিল্টার ১২ হাজার ৯৫০ টাকা। 
এসব অপকর্মের পেছনে যে ১০ জনের নামে সর্বাগ্রে আসছে তারা হলেন- বিআইডব্লিউটিসির সাবেক প্রকল্প পরিচালক তাজুল ইসলাম, প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল গফুর সরকার, সিভিল ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আলী, চিফ প্ল্যানিং জেসমিন আরা বেগম, জিএম (মেরিন) শওকত সরদার, মুখ্য নৌ-নির্মাতা জিয়াউল ইসলাম,  ইঞ্জিনিয়ার শামসুদ্দিন, ডেপুটি (ক্রয়) অফিসার কামরুন নাহার বিথি এবং অভিযোগের চিঠির নাম অনুযায়ী সহ-সচিব মাইনুল ইসলাম ও ম্যানেজার খায়রুল ইসলাম। এ ছাড়া আছে তাদেরই পছন্দের অন্তত হাফ ডজন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানও। এসব দুর্নীতির ঘটনা ধামাচাপা দিয়ে রাখলেও প্রকাশ পেয়ে যায় বিআইডব্লিউটিসির সাবেক প্রকল্প পরিচালক সৈয়দ তাজুল ইসলামসহ ১০ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে ২ হাজার ১০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ দুর্নীতি দমন কমিশন- দুদকে দায়ের হলে। অভিযোগটি দায়ের করেন রাজধানীর মিরপুর পল্লবী এলাকার মো. মনির হোসেন। তার বাবার নাম সাখাওয়াত হোসেন।

এ-সংক্রান্ত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের টিসি শাখা উপসচিব মো. নজরুল ইসলাম ৪ নভেম্বর-২০২১ তারিখে স্বাক্ষরিত ১৮.০০.০০০০.০১৫.২৭.০০৮.১৩-২৪ নং স্মারক মূলে বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান বরাবর মতামতসহ প্রতিবেদন চেয়ে চিঠি প্রেরণ করেন। কিন্তু পর্দাকাণ্ডের সেই চিঠি এখনো রয়ে গেছে পর্দার আড়ালেই। 

অনুসন্ধানে জানা গেছে, চট্টগ্রামে বিআইডব্লিউটিসির রেস্টহাউসের একটি অতিথি কক্ষের বিভিন্ন আসবাবপত্র কেনাকাটার জন্য ৩৪ লাখ ২৯ হাজার ৭২৯ টাকা ব্যয় করা হয়। যেখানে ১৮ হাজার টাকা মূল্যের একটি খাট ৭৩ হাজার ১৪০ টাকা, ১৫ হাজার টাকার একটি স্টিল আলমারি ৯০ হাজার ৯৯৫ টাকা, ৪ হাজার টাকার একটি টেবিল ১৯ হাজার ১৭৭ টাকা, ৬ হাজার টাকার একটি সিঙ্গেল সোফা ৫২ হাজার ৭৭২ টাকা, ৩ হাজার টাকার একটি চেয়ার ১৩ হাজার ৬২২ টাকা, ৮ হাজার টাকার একটি খাবার টেবিল ৪১ হাজার টাকা, ৭ হাজার টাকার একটি ম্যাট্রেস ২৯ হাজার ৭৫৮ টাকা, ৪ হাজার টাকার একটি কম্বল ১৭ হাজার ৫০০ টাকা, ২ হাজার টাকার একটি দেয়াল ঘড়ি ১৬ হাজার ৫০০ টাকা, ১৫০ টাকার এক জোড়া চপ্পল (স্যান্ডেল) ৬০০ টাকা, ৪০০ টাকার একটি প্লাস্টিক বালতি ১৬৫০ টাকা, ৫ হাজার টাকার একসেট কার্পেট ২৫ হাজার টাকা, ১৫০০ টাকার বিছানার চাদর ৫ হাজার ৯০০ টাকা, ৮০০ টাকার মশারি ৩ হাজার ১০০ টাকা, ১২০০ টাকার টাওয়াল ৩ হাজার ৩০০ টাকা, ১২০০ টাকার টেবিল ক্লথ ৫ হাজার ৩০০ টাকা, ১২০০ টাকার একজোড়া পর্দা ৫৩ হাজার টাকায় কেনাকাটা করা হয়েছে। 

জাহাজের যন্ত্রাংশের মধ্যে ৪০০ টাকার একটি রিং পিস্টন ৫ হাজার ২২৫ টাকা, ৩ হাজার টাকার সিলিন্ডার লাইনার ৯ হাজার ৫০০ টাকা, ৮ হাজার টাকার একটি পানির পাম্প ৪৩ হাজার টাকায়, ৫০ হাজার টাকার ভলভো ইঞ্জিনের দুটি টার্বো চার্জার ৫ লাখ ২ হাজার ২৫০ টাকা, ডেট্রয়েট ব্র্যান্ডের বিএইচপি-৪৪০ মডেলের ডিজেল ইঞ্জিনের টার্বো চার্জারের বাজার মূল্য ২৫ হাজার টাকা হলেও এই চক্রটি কিনেছে ১১ লাখ ৫০ হাজার টাকায়। ৬ হাজার ৫০০ টাকার একটি গ্যাসকেটের দাম ২৩ হাজার ৯০০ টাকা। অথচ বাজারে এ রকম গ্যাসকেটের দাম ৬ হাজার ৫০০ টাকা। ডেট্রয়েট ব্র্যান্ডের ইঞ্জিনের জন্য ১ হাজার ৮০০ টাকার একটি গিয়ার ফিল্টারের দাম ১২ হাজার ৯৫০ টাকা, এলআরের কাছ থেকে ৪২টি লুব অয়েল ফিল্টার ও ৪৩টি ডিজেল ফিল্টার কেনা হয়েছে। বিআইডব্লিউটিসি ৩৫০ টাকার লুব অয়েল ফিল্টারের দাম ১ হাজার ৫০০ টাকা, ৩০০ টাকার ডিজেল ফিল্টারের দাম ১ হাজার ৫০০ টাকা দেখানো হয়েছে।

অপরদিকে উপকূলীয় জাহাজ এম.ভি বারো-আউলিয়ার ৩টি জেনারেটর ইঞ্জিন কেনা হয়েছে ১২ কোটি টাকায়। অথচ এর বাজারদর দেড় কোটি টাকার বেশি নয়। জেনারেটরটি বেলজিয়ামের দেওয়ার কথা থাকলেও সরবরাহকারী দিয়েছে চায়না কোম্পানির জেনারেটর। প্রাইভেট ডকইয়ার্ড থেকে এম.ভি মনিরুল হক জাহাজটি ১৪ কোটি টাকা খরচে মেরামত করা হলেও এখনো কোনো ট্রিপ দিতে পারেনি। অভিযোগ রয়েছে, কোনো মেরামত কাজ না করেই ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে পুরো টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, যদি তা না-ই হবে, তাহলে বর্তমানে সংস্থার ডকইয়ার্ড-২-এ মেরামতের জন্য জাহাজটি পড়ে আছে কেন?

শুধু তা-ই নয়, এই চক্রের বিরুদ্ধে অভিযোগের মধ্যে আরো রয়েছে, টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর বিভিন্ন শর্ত নিজেদের পছন্দমতো পরিবর্তন করে ডকইয়ার্ড মালিক বা ঠিকাদারকে কাজ পাওয়ার সুযোগ করে দেওয়া। ওপেন টেন্ডার মেথড ‘ওটিএম’ পদ্ধতি না করে ‘এলটিএম’ পদ্ধতিতে করে সুনির্দিষ্ট কিছু ডকইয়ার্ড ও ঠিকাদারই মোটা অংকের ঘুষের বিনিময়ে কাজ পাচ্ছে। যেমন- এফএমসি ডকইয়ার্ড, ওয়েস্টার্ন মেরিন ডকইয়ার্ড, কর্ণফুলী ডকইয়ার্ড, কুমিল্লা ডকইয়ার্ড এবং হাই স্পিড ডকইয়ার্ড এবং খুচরা যন্ত্রাংশ ঠিকাদার হচ্ছে-সাবেক ছাত্রলীগের নেতা শাহিন, টোটন, যুবলীগের রাজু এবং স্বেচ্ছাসেবক লীগের মারুফ হোসেন রাজিব ও মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের জাহাঙ্গীর গং অন্যতম।

সি-ট্রাক এমভি জব্বার মেরামতে প্রথমে ৬১ লাখ টাকা প্রাক্কলন করে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন লাগবে বলে ৫০ লাখ টাকার নিচে ৪৯,৯৯,৯০০ টাকা মেরামত ব্যয় দেখানো হয়েছে। পরবর্তীতে ব্যয় বাড়িয়ে ৬৬ লাখ টাকায় মেরামত করা হলে মেরামতের পর একদিনের জন্যও জাহাজটি ট্রাফিকে চলাচল করেনি।

প্রায় ৫৬ কোটি টাকা ব্যয়ে এম.ভি বাঙ্গালী এবং এম.ভি মধুমতি নতুন নামে দুটি যাত্রীবাহী জাহাজ নির্মাণ করা হয়েছে। এর মধ্যে জাহাজ দুটিতে এসি, জাহাজের বিভিন্ন রুম মেরামতের নামে প্রায় ৩ কোটি টাকা ও ২টি জেনারেটর ইঞ্জিন ক্রয়ে ৪ কোটি টাকা, মোট ৭ কোটি ব্যয়ের অন্তরালে লুটপাট করা হয়েছে। অথচ ৩ বছরে জাহাজটি পরিচালনায় সংস্থার ৪০ কোটি টাকা আর্থিক ক্ষতিসাধন হয়েছে। এর পেছনে রয়েছে অপরিকল্পিত নির্মাণ, নিম্নমানের যন্ত্রাংশ ও অধিক জ¦ালানি তেল খরচ। সংস্থা ডকইয়ার্ড-৩ এ মেরিন ওয়ার্কশপ স্থাপন ও অবকাঠামো উন্নয়নের নামে ৩৯ কোটি ৯০ লাখ টাকা অনুমোদিত হলেও এ পর্যন্ত ১৩ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে। অথচ ২ কোটি টাকার কাজের অস্তিত্বই খুঁজে পাওয়া যায়নি।

এর বাইরেও পুরাতন মেশিনারি রং করে নতুন দেখানো হয়েছে। ভবন মেরামতের নামে শুধু চুনকাম করে তুলে ওনওয়া হয়েছে বিপুল অংকের টাকা। স্পিড বোট শ্যালো মেশিন দিয়ে বানানো হয়েছে, যার ব্যয় দেখানো হয়েছে ১৪ লাখ ৫৫ হাজার টাকা। অথচ প্রকৃত ব্যয় করা হয়েছে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা। এভাবে প্রকল্প থেকে শতকরা ৬০ থেকে ৭০ ভাগ টাকা আত্মসাৎ করে বিআইডব্লিউটিসিকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নেওয়া হয়েছে।



এখানেই থামেনি চক্রটির দুর্নীতি। নতুন করে শুধু প্রকল্পের নামে অর্থ আত্মসাতের জন্যই সংস্থার ১৬ জন যাত্রী ধারণক্ষমতাসম্পন্ন ‘অপ্রয়োজনীয়’ লুবারক্রাফট ২৯ কোটি টাকায় এবং ৩৫ জন যাত্রী ধারণক্ষমতাসম্পন্ন আরো একটি লুবারক্রাফট ৫৬ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

এ ছাড়া অভিযোগের মধ্যে আরো আছে, প্রকল্পের কাজ শুরু করার পর কাজের পরিধি ও টাকার পরিমাণ কল্পনাতীত বৃদ্ধি করা। প্রকল্প পরিচালক, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা কোনো কাজ না করেই প্রকল্পের ৬০-৭০ শতাংশ টাকা ‘কাজ হয়েছে’ মর্মে পত্র প্রকাশ করে বিল তুলে নিয়ে যান। অথচ সময় শেষ হয়ে গেলেও প্রকল্প মুখ থুবড়ে পড়ে থাকে। বিওকিউ অনুযায়ী জাহাজ নির্মাণ হচ্ছে না। নি¤œমানের প্লেট, যন্ত্রাংশ, অবকাঠামোর, অন্যান্য মালামাল সরবরাহ ইঞ্জিনের হর্স পাওয়ার কম, যে দেশের বা ব্র্যান্ডের দেওয়ার কথা তা না দিয়ে চায়না বা আরো নি¤œমানের ও পুরাতন ইঞ্জিন সরবরাহ করা হয়। এ লাইন মোটেও ঠিক হয় না যার জন্য প্রতিটি জাহাজ মেরামতের নামে বারবার ডকইয়ার্ডে আসে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিআইডব্লিউটিসির একাধিক কর্মকর্তা ভোরের পাতাকে বলেন, আসলে চিঠিতে যা দেখেছেন তা একেবারেই বাস্তবচিত্র। যারা ঠিকাদার আছেন তাদের যদি চুরির সুযোগ দেওয়া না হতো তাহলে তারা কখনো এত বড় দুর্নীতির ঘটনা ঘটাতে পারত না।  
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ঠিকাধারী প্রতিষ্ঠান ভোরের পাতাকে জানায়, আমাদের দরকার কাজ। সেটার জন্য যা করা দরকার আমরা সেটাই করব। আমরা সব সময়ই চাই নিয়ম অনুযায়ী কাজ করার জন্য। তবে ভেতরের কর্মকর্তাদের অতি লোভের কারণেই আমাদের কাজের মান ‘যত গুড় তত মিষ্টি’ হয়ে যায়।

এসব বিষয়ে বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান আহমদ শামীম আল রাজীর কাছে জানতে চাওয়া হলে ভোরের পাতাকে তিনি বলেন, ‘এ রকম অভিযোগ দেখেছি। তদন্ত চলছে। শেষ না হওয়া পর্যন্ত কিছু বলা যাচ্ছে না। তা ছাড়া তদন্ত শেষে যদি কোনো ব্যক্তি অপরাধ করে থাকে তাহলে প্রত্যেকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
http://www.dailyvorerpata.com/ad/dd.jpg
http://dailyvorerpata.com/ad/apon.jpg
https://www.dailyvorerpata.com/ad/last (2).gif
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]