মঙ্গলবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১২ আশ্বিন ১৪২৯

শিরোনাম: শিনজো আবের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন    বৈশ্বিক সংকট নিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চায় বিএনপি: কাদের    ট্রফি ভেঙে ফেলা সেই ইউএনওকে ঢাকায় বদলি    পঞ্চগড়ে নৌকাডুবি: মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৬৬    আগামী ৫ দিনে বৃষ্টিপাত বাড়ার আভাস দিল আবহাওয়া অফিস    পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবীর তারিখ ঘোষণা    মরদেহের অপেক্ষায় স্বজনরা: নিহত বেড়ে ৪৭   
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
'প্রধানমন্ত্রীর ১০টি উদ্ভাবনী বিশেষ উদ্যোগের প্রতিটিই অত্যন্ত চমকপ্রদ'
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
প্রকাশ: শুক্রবার, ১০ জুন, ২০২২, ১:৫৪ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর ১০টি উদ্ভাবনী বিশেষ উদ্যোগের প্রতিটিই অত্যন্ত চমকপ্রদ। দেশকে এগিয়ে নিতে প্রধানমন্ত্রীর অনেক উদ্যোগ আছে। তবে তাঁর বিশেষ ১০ উদ্যোগ দেশকে বদলে দিয়েছে। এসব উদ্যোগকে আরও শাণিত করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুন) সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১০টি উদ্ভাবনী উদ্যোগ নিয়ে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন আয়োজিত কর্মশালা উদ্বোধনের সময় এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর ১০টি বিশেষ উদ্যোগ স্থানীয় পর্যায়ে বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ এবং নতুন সম্ভাবনা চিহ্নিত করার পাশাপাশি উদ্যোগ সমূহের বহুল প্রচারে করণীয় নির্ধারণ বিষয়ে সুপারিশ প্রণয়নের উদ্দেশ্যে এ কর্মশালার আয়োজন করে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন।

কর্মশালায় জানানো হয়, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক, আশ্রয়ণ, শিক্ষা সহায়তা, নারীর ক্ষমতায়ন, সবার জন্য বিদ্যুৎ, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, পরিবেশ সুরক্ষা, বিনিয়োগ বিকাশ, কমিউনিটি ক্লিনিক ও শিশু বিকাশ এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১০টি বিশেষ উদ্যোগ নামে পরিচিত। এ উদ্যোগগুলো প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ভিশন ২০২১ অর্জনসহ দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে এবং বাংলাদেশকে ইতোমধ্যে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উন্নীত করেছে।

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক হুমায়ুন কবির বলেন, সরকারের উদ্দেশ্য হচ্ছে আধুনিক ও বিজ্ঞানভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা সে জন্য কাজ করছি। তাঁর দক্ষ নেতৃত্বে দেশ সব ক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে। মাঠে যাঁরা কাজ করেন, তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। সরকারের সব উদ্যোগকে যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। দেশকে আলোকিত করেছেন শেখ হাসিনা। ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ তাঁরই উদ্যোগ। দেশের ঘরে ঘরে এখন বিদ্যুৎ পৌঁছে গেছে।

তিনি বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী হলো এমন একটি নিরাপদ বেড়াজাল, যার মাধ্যমে সমাজের অসহায় ও পিছিয়ে পড়া মানুষকে বিশেষ সুবিধা দেয়া হয়। বর্তমান সরকার সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় দেশের দরিদ্র জনগোষ্টির ভাগ্যয়ান্নয়ন করেছেন।

তিনি আরও বলেন, সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠী তথা দুস্থ, বিধবা, প্রতিবন্ধী ও বৃদ্ধ মানুষকে সহায়তা করার জন্য সরকার সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় যে মাসিক ভাতা চালু করেছিল, সব মহলেই তা প্রশংসিত হয়েছে।

ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রসঙ্গে হুমায়ুন কবির বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ আসলে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলার আধুনিক রূপ, যার বাস্তবায়ন শুরু হয় ২০০৯ সালে। প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন দর্শনের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা দেশের সব মানুষের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সম্প্রসারণ ও বিকাশ, অন্তর্ভূক্তিমূলক উন্নয়ন, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ডিজিটাল অর্থনীতি ও ক্যাশলেস সোসাইটি গড়ে তোলার ব্যাপক কার্যক্রম গ্রহণ করে বর্তমান সরকার।

তিনি বলেন, জনগণের দোরগোড়ায় সহজে, দ্রুত ও স্বল্প ব্যয়ে সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে ২০১০ সালের ১১ নভেম্বর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের ৪ হাজার ৫০১টি ইউনিয়নে একযোগে ইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্র্র উদ্বোধন করেন। যা বর্তমানে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার (ইউডিসি) নামে সুপরিচিত। এই সেন্টার থেকে গ্রামীণ জনপদের মানুষ খুব সহজেই তাঁদের বাড়ির কাছে পরিচিত পরিবেশে জীবন ও জীবিকা ভিত্তিক তথ্য ও প্রয়োজনীয় সকল সেবা পাচ্ছেন। 



হুমায়ুন কবির বলেন, ডিজিটাল সেন্টার সাধারণ মানুষের জীবনমান সহজ করার পাশাপাশি দৃষ্টিভঙ্গিও বদলে দিয়েছে। মানুষ এখন বিশ্বাস করে, ঘরের কাছেই সব ধরনের সেবা পাওয়া সম্ভব। মানুষের এই বিশ্বাস অর্জন ডিজিটাল বাংলাদেশের পথচলায় সবচেয়ে বড় পাওয়া। এর ফলে ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের সুফল দেশের প্রত্যেক মানুষ পাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনীতি, শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য, দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থানসহ এমন কোনো খাত নেই যেখানে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে না। এটা সম্ভব হচ্ছে মূলত সারা দেশে একটি শক্তিশালী আইসিটি অবকাঠামো গড়ে ওঠার কারণে, যা গ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত।

জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন- পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ বাসুদেব বসু, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মাসরুবা ফেরদৌস, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান বাবু, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) কাজী আরিফুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) তানজিল্লুর রহমান, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপি প্রমুখ।

কর্মশালায় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ১০টি উদ্ভাবনী উদ্যোগের বিষয়ে উপস্থাপন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক কাজী আরিফুর রহমান ও দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবিএম খালিদ হোসেন। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা-তুজ-জোহরা। প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বীর মুক্তিযোদ্ধা, জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, গনমাধ্যমকর্মী, শিক্ষা কর্মকর্তা, স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীসহ জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ অংশ নেন।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
http://dailyvorerpata.com/ad/apon.jpg
https://www.dailyvorerpata.com/ad/last (2).gif
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]