মঙ্গলবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১২ আশ্বিন ১৪২৯

শিরোনাম: করোনায় একজনের মৃত্যু    শিনজো আবের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন    বৈশ্বিক সংকট নিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চায় বিএনপি: কাদের    ট্রফি ভেঙে ফেলা সেই ইউএনওকে ঢাকায় বদলি    পঞ্চগড়ে নৌকাডুবি: মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৬৬    আগামী ৫ দিনে বৃষ্টিপাত বাড়ার আভাস দিল আবহাওয়া অফিস    পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবীর তারিখ ঘোষণা   
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
বাংলাদেশের উন্নয়ন ও শেখ হাসিনা একই সূত্রে গাঁথা
#পদ্মা সেতুর মূল রূপকার শেখ হাসিনা: ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ। #পদ্মা সেতুর নাম শেখ হাসিনা সেতু করা হোক: ড. বদরুজ্জামান ভূঁইয়া কাঞ্চন।
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: শুক্রবার, ২০ মে, ২০২২, ১০:৩০ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

জাতির পিতার রক্ত আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ধমনীতে প্রবাহিত। তিনি সাড়া বিশ্বকে তাক লাগিয়ে বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়ন ছাড়া যেভাবে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতুর কাজ সম্পন্ন করেছে তা সবাইকে হতবাক করেছে। তিনি বেঁচে থাকুক শতবছর, তিনি বেঁচে থাকলেই অদম্য গতিতে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। পদ্মা সেতুর নামকরণ জননেত্রী শেখ হাসিনার নামে নামকরণ করা হোক। 

দৈনিক ভোরের পাতার নিয়মিত আয়োজন ভোরের পাতা সংলাপের ৭১০তম পর্বে এসব কথা বলেন আলোচকরা। ভোরের পাতা সম্পাদক ও প্রকাশক ড. কাজী এরতেজা হাসানের নির্দেশনা ও পরিকল্পনায় অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক, জাতীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষণ পরিষদের (জানিপপ) চেয়ারম্যান ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ,  বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. বদরুজ্জামান ভূঁইয়া কাঞ্চন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ভোরের পাতার বিশেষ প্রতিনিধি উৎপল দাস।

ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ বলেন,  জাতির পিতার রক্ত আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ধমনীতে প্রবাহিত। তিনি সাড়া বিশ্বকে তাক লাগিয়ে বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়ন ছাড়া যেভাবে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতুর কাজ সম্পন্ন করেছে তা সবাইকে হতবাক করেছে। বিশ্ব ব্যাংকের অভিযোগকে ভুল প্রমাণিত করে আজ পদ্মা সেতু কিন্তু বাস্তবে পরিণীত হয়েছে। সারা বিশ্ব আজ শেখ হাসিনার রাষ্ট্রনায়কোচিত প্রজ্ঞা, দেশপ্রেম, সততা এবং সিদ্ধান্তগ্রহণ ও বাস্তবায়নে পারঙ্গমতার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করছে। এই পদ্মা সেতুর মূল রূপকার আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দিনরাত অবিশ্রান্ত চলছে বিশাল এ কর্মযজ্ঞ। কোটি মানুষের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় এই কর্মযজ্ঞ অব্যাহত রয়েছে। পদ্মা সেতু যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত হলে এই সেতুকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে প্রথম কোনো সমন্বিত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে। পদ্মা সেতুর বদৌলতে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কৃষিজীবী মানুষের জীবনধারা পাল্টে যাবে। বদলে যাবে বাংলাদেশের অর্থনীতিও। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য পদ্মা সেতু হতে যাচ্ছে এর ইতিহাসের একটি সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জিং নির্মাণ প্রকল্প। আর এই চ্যালেঞ্জিং নির্মাণ প্রকল্পকে বাস্তবে রূপ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পদ্মা সেতু চালুর মাধ্যমেই শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশের পথে আরও একধাপ এগিয়ে যাবে!

ড. বদরুজ্জামান ভূঁইয়া কাঞ্চন বলেন, জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৪১ বছরের রাজনীতির আলোকে আজকে বাংলাদেশ পুরো আলোকিত। আজকের বাংলাদেশ বদলে যাওয়া বাংলাদেশ। ১৯৮১ সালের ১৭ মে জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফিরে এসেছিলেন। এটি ছিল তার প্রথম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন। তখন থেকেই মূলত বাংলাদেশের পুনর্জন্ম হয়। তারপর থেকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি আওয়ামী লীগকে। সমস্যা সমাধানে শেখ হাসিনার শ্রেষ্ঠত্ব ও তাঁর দর্শনের গ্রহণযোগ্যতা দেশের মানুষের কাছে সকল সময়ের সীমা অতিক্রম করেছে। ১৯৯৬ সালে প্রথম দফায় প্রধানমন্ত্রীত্বের সময় পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি ও গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি করে শেখ হাসিনা নিজের রাজনৈতিক প্রজ্ঞার সুবিশাল প্রকাশ ঘটান। আবার সেই সময়ে দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করে। এ দেশের মানুষের আবেগ জড়িয়ে আছে একুশের সঙ্গে, তার সময়েই একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের গৌরব অর্জন করে। পরবর্তীতে ২০১৫ সালের ৭ মে বাংলাদেশ-ভারত স্থলসীমান্ত চুক্তির মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শিতায় বাংলাদেশ-ভারত দুই দেশের মধ্যে ছিটমহল বিনিময় চুক্তি ছিল মানবাধিকার সুরক্ষার আরও একটি যুগান্তকারী ঘটনা।  আজকে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ যে অবস্থানে আছে, রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সূচকগুলো যেভাবে ঊর্ধ্বগতিতে আছে তার আলোচনা করে সহজে শেষ করা যাবেনা। সরকারের এক যুগ পূর্তি, উন্নয়ন বিপ্লবে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন, দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিদ্যুৎ ও অবকাঠামো উন্নয়নের মতো বড় খাতগুলোকে দেয়া হয়েছিল অগ্রাধিকার। একটা বহুমাত্রিক উন্নয়নের দেশ হিসেবে বাংলাদেশ এখন আত্মপ্রকাশ করেছে যেখানে কয়েক বছর আগে মাথা পিছু আয় ছিল ৩০০-৩৫০ ডলার সেখানে আজকে মাথা পিছু আয় অনেক বেড়েছে এবং আগামী ২০৩০ সাল পর্যন্ত এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকে তাহলে এই মাথা পিছু আয় ১০০০০ ডলার অতিক্রম করবে এবং ২০৪১ সালে এটা ১৪০০০ ডলারে উন্নীত করতে পারবো। তিনি বেঁচে থাকুক শতবছর, তিনি বেঁচে থাকলেই অদম্য গতিতে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। পদ্মা সেতুর নামকরণ জননেত্রী শেখ হাসিনার নামে নামকরণ করা হোক।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
http://dailyvorerpata.com/ad/apon.jpg
https://www.dailyvorerpata.com/ad/last (2).gif
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]