রোববার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১০ আশ্বিন ১৪২৯

শিরোনাম: অপার সম্ভাবনার বাংলাদেশ গড়েছেন শেখ হাসিনা    জাতীয় নির্বাচন: ভোট দিতে লাগবে ১০ আঙ্গুলের ছাপ    করোনায় আর ৪ জনের মৃত্যু    বিদায়বেলায় অঝোরে কাঁদলেন ফেদেরার, অশ্রুসিক্ত নাদালও    তালাবদ্ধ ঘরে পড়েছিল বৃদ্ধ দম্পতির হাত-মুখ বাঁধা লাশ    জমিতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে ২ কৃষকের মৃত্যু    চলন্ত ট্রেনে উঠতে গিয়ে প্রাণ গেল বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্রের   
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
শেখ হাসিনার স্বর্ণযুগে বাস করছি আমরা
#শেখ হাসিনার দৃঢ় চেষ্টায় ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ: ড. বদরুজ্জামান ভূঁইয়া কাঞ্চন। #টেকসই উন্নয়নের দিকে ধাবিত হচ্ছে বাংলাদেশ: আল মামুন।
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২১ এপ্রিল, ২০২২, ১১:৩৪ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশের সমস্ত পরিকল্পনাগুলো আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে করে যাচ্ছেন সেখানে তিনি শেষবার যে পরিকল্পনা করে গেলেন সেটা হচ্ছে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা। সেখানে স্পষ্ট উল্লেখ করা আছে যে, ২০২৫ সালে ১ কোটি ১৩ লাখ ৩০ হাজার কর্মসংস্থান তৈরি, দারিদ্রের হার ২০.৫ ভাগ থেকে নেমে ১৫ ভাগে নেমে আসবে এবং অতি দারিদ্রের হার ১০ ভাগের নিচে নেমে আসবে।  

দৈনিক ভোরের পাতার নিয়মিত আয়োজন ভোরের পাতা সংলাপের ৬৮১তম পর্বে বৃহস্পতিবার (২১ এপ্রিল) এসব কথা বলেন আলোচকরা। ভোরের পাতা সম্পাদক ও প্রকাশক ড. কাজী এরতেজা হাসানের নির্দেশনা ও পরিকল্পনায় অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. বদরুজ্জামান ভূঁইয়া কাঞ্চন, বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ভোরের পাতার বিশেষ প্রতিনিধি উৎপল দাস।

অধ্যাপক ড. বদরুজ্জামান ভূঁইয়া কাঞ্চন বলেন,  আজকের ভোরের পাতা সংলাপের আলোচ্য বিষয় একেবারেই সময়োপযোগী। আমরা যদি দেখি বাংলাদেশের সমস্ত পরিকল্পনাগুলো আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে করে যাচ্ছেন সেখানে তিনি শেষবার যে পরিকল্পনা করে গেলেন সেটা হচ্ছে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা। সেখানে স্পষ্ট উল্লেখ করা আছে যে, ২০২৫ সালে ১ কোটি ১৩ লাখ ৩০ হাজার কর্মসংস্থান তৈরি, দারিদ্রের হার ২০.৫ ভাগ থেকে নেমে ১৫ ভাগে নেমে আসবে এবং অতি দারিদ্রের হার ১০ ভাগের নিচে নেমে আসবে। জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ় চেষ্টা ও প্রত্যয়ে আজকে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। আজকে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ যে অবস্থানে আছে, রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সূচকগুলো যেভাবে ঊর্ধ্বগতিতে আছে তার আলোচনা করে সহজে শেষ করা যাবেনা। সরকারের এক যুগ পূর্তি, উন্নয়ন বিপ্লবে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন, দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিদ্যুৎ ও অবকাঠামো উন্নয়নের মতো বড় খাতগুলোকে দেয়া হয়েছিল অগ্রাধিকার। একটা বহুমাত্রিক উন্নয়নের দেশ হিসেবে বাংলাদেশ এখন আত্মপ্রকাশ করেছে যেখানে কয়েক বছর আগে মাথা পিছু আয় ছিল ৩০০-৩৫০ ডলার সেখানে আজকে মাথা পিছু আয় অনেক বেড়েছে এবং আগামী ২০৩০ সাল পর্যন্ত এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকে তাহলে এই মাথা পিছু আয় ১০০০০ ডলার অতিক্রম করবে এবং ২০৪১ সালে এটা ১৪০০০ ডলারে উন্নীত করতে পারবো। আজকে আমাদের দেশে কৃষির এক অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছি। আমাদের জাতীয় অর্থনীতিতে ৪০.৬% অবদান রাখে এই কৃষি খাত। আমাদের দেশে এখন শিশু শিক্ষার হার শতভাগে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। গণতন্ত্র, শান্তি ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা এবং নারী শিক্ষার বিস্তার, শিশুমৃত্যুর হার হ্রাস ও দারিদ্র্য বিমোচনের সংগ্রামে অসামান্য ভূমিকা রাখার স্বীকৃতি হিসেবে দেশি-বিদেশি বেশ কিছু পুরস্কার ও সম্মানে ভূষিত হয়েছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। আমি বিশ্বাস করি আমাদের মমতাময়ী মা শেখ হাসিনার জন্যই দেশের সকল উন্নয়ন আজ বাস্তবায়ন হচ্ছে যার প্রতিটি স্বপ্ন বাঙালি জাতিকে দেখিয়ে গিয়েছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

আল মামুন বলেন, আমার পূর্ববর্তী বক্তা অধ্যাপক ড. বদরুজ্জামান ভূঁইয়া কাঞ্চন স্যার যেভাবে তার বক্তব্য দিলেন সেখানে তিনি বর্তমান সরকারের নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড গুলোকে বিস্তর তুলে ধরেছেন। বাংলাদেশ আসলে বর্তমানে টেকসই উন্নয়নের দিকে ধাবিত হচ্ছে। সেটি ইতিমধ্যে অনেকাংশে সম্পূর্ণ হয়েছে এবং এর ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ আরও অনেক দূরে এগিয়ে যাবে। আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আমাদের এই বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল এবং তার পর থেকেই একদল ষড়যন্ত্রকারীরা আমাদের স্বাধীন বাঙলার উন্নয়ন রথ যেটা আমাদের জাতির পিতার নেতৃত্বে শুরু হয়েছিল তা থামিয়ে দিতে চেয়েছিল। এই জন্যই ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ইতিহাসের নিকৃষ্টতম হত্যাকাণ্ড চালানো হয় বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের উপর। এরপর ২১টি বছর বাংলাদেশ ছিল অন্ধকার যুগে। এরপর এর থেকে বাঙালিকে পরিত্রাণ দেয় জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধু বাংলার মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য অনেক নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন। আজকে তিনি নেই কিন্তু তার সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের মাঝে আছেন। তারই সুযোগ্য নেতৃত্বে আজ আমরা দেশের বিরুদ্ধে রটে যাওয়া সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়েছি এবং হচ্ছি। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গত এক যুগ ধরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে স্বর্ণযুগ পালন করে আসছে যা ইতি মধ্যে সারা বিশ্বের কাছে প্রমাণিত হয়ে গিয়েছে।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
http://dailyvorerpata.com/ad/apon.jpg
https://www.dailyvorerpata.com/ad/last (2).gif
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]