শনিবার ২ মার্চ ২০২৪ ১৮ ফাল্গুন ১৪৩০

শিরোনাম: শোক জানিয়ে শেখ হাসিনাকে নরেন্দ্র মেদির চিঠি    অভিশ্রুতি নাকি বৃষ্টি ? পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর মিলবে লাশ     গাউসুল আজম মার্কেটে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে    জাতীয় সংসদে অফশোর ব্যাংকিং বিল উত্থাপন    আমরা উন্নত চিকিৎসার জন্য একটা সুন্দর স্বাস্থ্য ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চাচ্ছি : স্বাস্থ্যমন্ত্রী    ক্রিকেটেই মনোযোগ দিতে চান গৌতম গম্ভীর     ডিসি সম্মেলনের মূল ইস্যুই হচ্ছে নির্বাচনী ইশতেহারের বাস্তবায়ন   
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
চালকের অভাবে অচল ৪৩ লাখ টাকার এ্যাম্বুলেন্স!
টুঙ্গিপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৫ মার্চ, ২০২২, ৮:১৬ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

গর্ভবতী মা ও শিশুদের জরুরী সেবার জন্য দেয়া হয়েছে এ্যাম্বুলেন্স। কিন্তু কোন চালক দেয়া হয়নি। তাই চালকের অভাবে এ্যাম্বুলেন্স অচল হয়ে পড়ে আছে। এ্যাম্বুলেন্স দিয়ে জরুরী সেবা দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। তাই জরুরী সেবা থেকে বি ত হচ্ছেন টুঙ্গিপাড়া উপজেলার মা ও শিশুরা।  

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের মা ও শিশুদের জরুরী সেবায় গত বছরের গত ১৫ আগস্ট  একটি অ্যাম্বুলেন্স প্রদান করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। এ্যাম্বুলেন্সটির মূল্য প্রায় ৪৩ লক্ষ টাকা। কিন্তু এখন পর্যন্ত  চালক নিয়োগ দেয়া হয় নি। চালকের অভাবে এ্যাম্বুলেন্সটি অচল হয়ে পড়ে আছে। 

টুঙ্গিপাড়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র সুত্রে জানাগেছে, প্রায় ৮ মাস আগে পাওয়া  এ্যাম্বুলেন্সটির কোন চালক না থাকায় বেশ কিছু অংশ  বিকল হয়ে যচ্ছে। ব্যাটারি বসে গেছে। ইতিমধ্যে একবার ব্যাটারি পরিবর্তন করা হয়েছে। এ্যাম্বুলেন্সটি পরিচর্যার অভাবে ধূলা বালিতে ভরে গেছে। তবে ইঞ্জিন সচল রাখতে সপ্তাহে একদিন এ্যাম্বুলেন্সটি চালু করে রাখা হয়। 



গিমাডাঙ্গা গ্রামের সোনালী আক্তার ও পাটগাতী গ্রামের শরীফা বেগম বলেন,  প্রসব জনিত কারণে আমরা কয়েক দিন ধরে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে ভর্তি রয়েছি। খোঁজ নিয়ে জেনেছি এ্যাম্বুলেন্স আছে। কিন্তু চালক নেই। এই অবস্থায়  স্বাভাবিক ডেলিভারি না হলে আমাদের গোপালগঞ্জ অথবা খুলনা নিয়ে যেতে হতো। তখন আমাদের দুর্ভোগের শেষ থাকতো না। এমনকি মৃত্যুও হতে পারতো। আমরা গত ৫ মার্চ মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে স্বাভাবিক প্রসবের মাধ্যমে দুটি সন্তানের মা হয়েছি।

প্রসূতির স্বজন গিমাডাঙ্গা গ্রামের সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিজ উপজেলার হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স আছে। কিন্তু চালক নেই। এটা খুবই দুঃখজনক। এতে মা ও শিশুরা জরুরী সেবা থেকে বি ত হচ্ছেন। তাই উপজেলার জনগণের স্বার্থে দ্রুত একজন চালক নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানাই।
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের অ্যাম্বুলেন্স চালক আব্দুল আজিজ জানান, চালকের অভাবে এ্যাম্বুলেন্সটি নিয়মিত চলাচল না করায় কিছু অংশ খারাপ হয়ে গিয়েছিলো। তাই উর্ধতন কতৃপক্ষের নির্দেশে সপ্তাহে একদিন এসে এ্যাম্বুলেন্সটির ইঞ্জিন  চালু করে রাখি।

টুঙ্গিপাড়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের চিকিৎসা কর্মকর্তা ডাঃ মেহেরুন্নেসা বলেন, গর্ভবতী মা ও শিশুদের জরুরী সেবার জন্য এ্যাম্বুলেন্সটি দেয়া হয়েছে। কিন্তু কোন চালক নিয়োগ দেয়া হয়নি। তাই অত্যাধুনিক এ্যাম্বুলেন্সটি পরিচর্যা করার কেউ নেই। তবে এ্যাম্বুলেন্সের ইঞ্জিন সচল রাখতে সপ্তাহে একদিন একজন চালক আসেন। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মৌখিক ও লিখিতভাবে জানালেও চালক নিয়োগ দেয়া হয়নি। এতে মা ও শিশুদের জরুরী সেবা ব্যাহত হচ্ছে।

এবিষয়ে গোপালগঞ্জ জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক একেএম সেলিম ভূঁইয়া বলেন, টুঙ্গিপাড়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে দ্রুত একজন চালক নিয়োগ দেওয়ার জন্য ইতিমধ্যে মহাপরিচালক বরাবর আবেদন করেছি। এছাড়া সারা বাংলাদেশে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে কিছুসংখ্যক চালক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। কিন্তু করোনার জন্য সেটি বাস্তবায়ন করতে একটু সময় লাগছে। দ্রুত টুঙ্গিপাড়া কেন্দ্র অবশ্যই একজন চালক পাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
http://www.dailyvorerpata.com/ad/Vorer-pata-23-12-23.gif
http://www.dailyvorerpata.com/ad/bb.jpg
http://www.dailyvorerpata.com/ad/Screenshot_1.jpg
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]