মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

শিরোনাম: শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ    গম রপ্তানিতে ভারতের নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশের জন্য নয়    টাকার মান আরও ৮০ পয়সা কমলো    পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়-ইউজিসি পেল সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকার বাজেট    বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট: ৩ বছরে আয় ৩০০ কোটি ছাড়িয়েছে    ফখরুল সাহেব বিশ্বচোরের মুখপাত্র: তথ্যমন্ত্রী    সাতক্ষীরা আওয়ামী লীগ গোছানোর নতুন দায়িত্বে ড. এরতেজা হাসান   
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
ইভিএম চুরির বাক্স, ফলাফল কোনোভাবে মেনে নিতে পারি না: তৈমুর
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশ: রোববার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২২, ১১:২৩ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) কারচুপির জন্য নিজের পরাজয় হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচনের স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার।

তিনি বলেন, পুলিশ, প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে আমাকে পরাজিত করেছে। ইভিএম হলো একটি চুরির বাক্স। নারায়ণগঞ্জবাসী এটি মেনে নেয়নি। প্রথম দিনই বলেছি, ইভিএম জালিয়াতির বাক্স। আজ তা প্রমাণ হয়েছে। এ ফলাফল কোনোভাবে মেনে নিতে পারি না। নির্বাচন কমিশন, পুলিশ ও প্রশাসন যৌথভাবে আমার বিজয় ছিনিয়ে নিয়েছে।

রবিবার (১৬ জানুয়ারি) নাসিক নির্বাচনের বেসরকারি ফল ঘোষণার পর রাত সাড়ে ৮টায় মাসদাইরের নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন।

তৈমুর আলম বলেন, ধীরগতিতে ইভিএমে ভোট হয়েছে। অনেক জায়গায় মেশিন নষ্ট ও হ্যাং পেয়েছি। মেরামত করতে গিয়েও সময় নষ্ট হয়েছে। ভোটাররা লাইনে দাঁড়িয়ে ছিল। কিন্তু ভোট দিতে পারেনি। সারাদিনই এ ধরনের অবস্থা চলছিল।

তৈমূর বলেন, আপনারা দেখবেন, আমি ঘটনাগুলো আপনাদের জানিয়েছি। সিদ্ধিরগঞ্জ থানার আমার সমন্বয়ককে কাগজসহ গ্রেফতার করা হয়। তার মাধ্যমেই শুরু হয় এবং আমার লোকজন প্রতিদিনই গ্রেফতার হতে থাকে।

তিনি বলেন, আপনারা দেখবেন, হেফাজতের মামলা দেওয়া হয়েছে সকলকে। এদের মধ্যে হিন্দু লোকও আছে। এখন দেখা যায়, মুসলমান তো করেই হিন্দুরাও হেফাজত করে। আজ সকাল থেকে আটজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বন্দরের সমন্বয়ককে গ্রেফতার করা হয়েছে। আমার চিফ এজেন্টের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়েছে। এ অবস্থায় একটা মানুষ স্বতন্ত্র দাঁড়িয়ে কীভাবে ঠিক থাকতে পারে। তারপরও জনগণ আমাকে সমর্থন দিয়েছে। আমি সকলকে ধন্যবাদ জানাই।



তিনি আরও বলেন, ঢাকার মেহমানদের অতিরঞ্জিত কথার পরে গ্রেফতার শুরু হয়েছে। জাহাঙ্গীর কবির নানককে যখন জিজ্ঞেস করা হয়, তখন তিনি বলেছিলেন, ১২ ও ১৩ নম্বর ওয়ার্ড তাদের জন্য ঝুকিপূর্ণ। ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে আমি থাকি, আমার ভাই তিনবারের কাউন্সিলর। আর ১২ নম্বর ওয়ার্ড সরকারি এমপির ওয়ার্ড। আমি বললাম, সরকারই যদি তার এমপির কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ মনে করে তাহলে আমার কিছু করার নেই। আমার কোনো ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র নেই।

স্বতন্ত্র এ প্রার্থী আরও বলেন, আমাকে এতগুলো ভোট দেওয়ার জন্য নারায়ণগঞ্জবাসীর কাছে ঋণী হয়ে থাকলাম। যারা আমাকে নির্বাচনের জন্য ডেকে নিয়ে এসেছিলেন, উৎসাহ দিয়েছেন- তারা আমার কাছ থেকে সরে যাননি। তারা জীবনবাজি রেখে হাতি প্রতীকের পক্ষে কাজ করেছেন।

তৈমূর বলেন, আমি সবাইকে ধন্যবাদ জানাই, যারা নির্বাচনে আমার পাশে থেকে সহযোগিতা করেছেন। আমার লোকজন বাড়িতে থাকতে পারেনি। এটিএম কামালের মতো লোককে ঘেরাও করা হয়েছে গ্রেফতার করার জন্য।

তিনি বলেন, তার (সেলিনা হায়াৎ আইভী) বিষয়ে আগেও মন্তব্য করিনি, এখনও করবো না। এটা খেলা হয়েছে সরকার বনাম জনগণ, সরকার বনাম তৈমূর আলম খন্দকার। আমি সিটি করপোরেশনের জন্য কী করেছি, তা তাকে জিজ্ঞেস করেন। নারায়ণগঞ্জবাসী এগুলো জানে।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
http://dailyvorerpata.com/ad/apon.jpg
https://www.dailyvorerpata.com/ad/last (2).gif
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]