সোমবার ১৭ জানুয়ারি ২০২২ ২ মাঘ ১৪২৮

শিরোনাম: ইভিএম চুরির বাক্স, ফলাফল কোনোভাবে মেনে নিতে পারি না: তৈমুর    শাবিপ্রবি বন্ধ ঘোষণা, সেই প্রভোস্টের পদত্যাগ    টাঙ্গাইল-৭ আসনের উপনির্বাচনে নৌকার প্রার্থী বিজয়ী    আইভীর হ্যাটট্রিক জয়     শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জ-সাউন্ড গ্রেনেড হামলা, আহত ৩০    নাসিকে ৫০ শতাংশ ভোট পড়েছে: ইসি সচিব    নাসিক নির্বাচন: ১১৬ কেন্দ্রের ফল   
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
ছাত্রলীগের হল কমিটি দেওয়ার জন্য কেন অনশনে বসতে হবে: সোহান খান
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: শুক্রবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২২, ১২:৫১ এএম | অনলাইন সংস্করণ

একটি বিষয় নিয়ে বর্তমান সময়ে ছাত্রলীগের মাঝে বেশ আলোড়িত হচ্ছে এবং আমরাও দীর্ঘদিন ধরে এটা নিয়ে দাবি দাওয়া করে আসছি কেন ছাত্রলীগের হল কমিটি গঠন করা কেন এতো প্রলম্বিত করা হচ্ছে? এই যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে হল কমিটি আটকে রাখা হয়েছে সেখানে এর দায়ভার কিন্তু আমাদের নিতে হবে। একটি হল কমিটির মেয়াদ ১ বছরে শেষ হয় সেখানে আমরা দেখতেছি যে বর্তমান হল কমিটি ৫ বছর শেষ হয়ে ৬ বছরের পথে সেখানে এখনো নতুন করে হল কমিটি দেওয়া হচ্ছে না। এই বিষয়কে কেন্দ্র করে আমাদের নেতারা একে অপরকে দোষারোপ করছেন সেটা খুবই দুঃখজনক।

দৈনিক ভোরের পাতার নিয়মিত আয়োজন ভোরের পাতা সংলাপের ৫৮২তম পর্বে বৃহস্পতিবার (১৩ জানুয়ারি) এসব কথা বলেন আলোচকরা। ভোরের পাতা সম্পাদক ও প্রকাশক ড. কাজী এরতেজা হাসানের নির্দেশনা ও পরিকল্পনায় অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সহ সভাপতি সোহান খান, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সহ সভাপতি ইয়াজ আল রিয়াদ, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সহ সভাপতি সৈয়দ মো. আরিফ হোসেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ভোরের পাতার বিশেষ প্রতিনিধি উৎপল দাস।

সোহান খান বলেন, গতকাল রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলের যেসব পদ প্রত্যাশিত নেতাকর্মীরা আছেন তার ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের বাসায় গিয়েছিলেন। তারপর ওইখানে তাদের সাথে কথা। আমি যতটুকু জানি সেখানে তাদের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। তারপর সেখান থেকে তারা ক্যাম্পাসে ফিরে আসেন। এরপর যখন ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় এবং সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য টিএসসিতে আসে তখন তাদের সাথে হলের যেসব পদ প্রত্যাশিতরা আছেন তাদের মধ্যে কথা বার্তার এক পর্যায়ে কিছু উচ্চবাচ্য হয়। উচ্চবাচ্যের একসময় লেখক ভট্টাচার্য সম্ভবত বলে উঠে ‘তোরা কি নুরুর অনুসারী’। এই কথাটি বলার পর সেখানে উপস্থিত হলের পদ প্রত্যাশিদের মনঃক্ষুণ্ন হয়। তারা তাদের রাগ কোন রকমভাবে সামাল দিয়ে লেখক ভট্টাচার্যের সঙ্গে তর্কে জরায়। কিন্তু তারপরেও যেহেতু ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক তাদের অভিভাবক নয় তারা কিন্তু বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সকল নেতাকর্মীদের দিকপাল। সেই জায়গা থেকে যদি তারা যদি সেখানে উপস্থিত ছাত্রলীগের ছেলেদের নুরুর অনুসারী বলে তাহলে তো তারা কোনভাবেই এটা মেনে নিতে পারে না। এটাই স্বাভাবিক। তখন পদ প্রত্যাশিরা অনশনে বসতে চাইলে তাদেরকে আল নাহিয়ান খান জয়ও বলে উঠে তাহলে বসো তোমরা অনশনে। এখন আমার কথা হচ্ছে, হল কমিটির জন্য কেন তাদেরকে অনশনে বসতে হবে? লেখক ভট্টাচার্য সম্ভবত এই কথাও বলেছে যে, যখন করোনার জন্য হল বন্ধ ছিল তখন তো ছেলেরা ছিল না, তখন কি প্রোগ্রাম সফল হয়নি? তারমানে কি দাঁড়ালো? আমরা কি শুধু জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যেসকল উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে বিশেষ কিছু দিবস ও দেশের বিশেষ কিছু দিবসে ছাত্র জনতা একত্রে করে মিছিল দেখানোর জন্য কি ছাত্র রাজনীতি করি? নাকি আমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের কর্মী সৃষ্টির জন্য ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে বিকশিত করার জন্য ছাত্ররাজনীতি করি। আমরা মহান মুক্তিযুদ্ধের আদর্শকে সারা দেশের ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য ছাত্রলীগ করি, আমরা দেশরত্ন শেখ হাসিনার যেসকল অর্জন আছে সেগুলোকে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য ছাত্র রাজনীতি করি।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
http://www.dailyvorerpata.com/ad/Comp 1_3.gif
https://www.dailyvorerpata.com/ad/last (2).gif
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক ভোরেরপাতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৮১৮৯১৪১, ৮১৮৯১৪২, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৮১৮৯১৪৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১৮৯১৪৩, ইমেইল: [email protected] [email protected]