বৃহস্পতিবার ৯ ডিসেম্বর ২০২১ ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮

শিরোনাম: অবশেষে উদ্ধার হলো নালায় নিখোঁজ শিশুর মরদেহ    বেগম রোকেয়া পদক পেলেন ৫ বিশিষ্ট নারী    মালিতে বোমা বিস্ফোরণে জাতিসংঘের ৭ শান্তিরক্ষী নিহত    করোনায় বেড়েছে প্রাণহানি    কুয়াশার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শীত    জনতার রায়ে ১৫১ রাজাকারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছিল    দরপত্রের নিয়ম ভেঙে ৪১ হাজার ল্যাপটপ ক্রয়ের চেষ্টা   
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
মণ্ডপে কোরআন রাখা কে এই ইকবাল
ভোরের পাতা ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ২০ অক্টোবর, ২০২১, ১১:১২ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

সিসি টিভি ফুটেজে কুমিল্লার পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন রাখা ব্যক্তির নাম পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশ। ওই ব্যক্তির নাম ইকবাল হোসেন (৩০)। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।

ইকবাল হোসেন কুমিল্লা মহানগরীর সুজানগর এলাকার নূর আহম্মদ আলমের ছেলে। তাকে গ্রেফতারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক ইউনিট কাজ করছে।

ইকবাল হোসেনের ন্যাশনাল আইডি কার্ড (এনআইডি) অনুসারে তার বাবার নাম নূর আহমেদ আলম। মায়ের নাম আমেনা বিবি। জন্ম তারিখ ৬ আগস্ট, ১৯৯২। বাড়ি কুমিল্লার সুজানগর এলাকায়।

সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে ইকবাল হোসেনকে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে কুমিল্লার পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ জানিয়েছেন। বুধবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানান, পুলিশের একাধিক সংস্থার তদন্তে এটা সম্ভব হয়েছে। ইকবালকে গ্রেপ্তারে গত কয়েক দিন ধরে চলছে জোর অভিযান।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে ইকবাল সবার বড়। পূজামণ্ডপে কোরআন শরীফ রাখা ইকবালের মা আমেনা বিবি সংবাদমাধ্যমকে জানান, ইকবাল ১৫ বছর বয়স থেকেই নেশা করা শুরু করে। ১০ বছর আগে কুমিল্লার বরুড়া উপজেলায় বিয়ে করে। ওই ঘরে তার এক ছেলে রয়েছে। পাঁচ বছর আগে ইকবালের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। তারপর ইকবাল চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মিয়া বাজার এলাকার কাদৈর গ্রামে আরেকটি বিয়ে করে। এই সংসারে তার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।

তিনি আরও জানান, ইকবাল নেশা করে পরিবারের সদস্যদের ওপর অত্যাচার করত। বিভিন্ন সময় রাস্তাঘাটেও নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ঘুরে বেড়াত।

ইকবাল মাজারে মাজারে থাকতে ভালোবাসতেন জানিয়ে তিনি জানান, সে বিভিন্ন সময় আখাউড়া মাজারে যেত। কুমিল্লার বিভিন্ন মাজারেও তার যাতায়াত ছিল।

তার মা জানায়, ইকবালের সঙ্গে ১০ বছর আগে তার বন্ধুদের মারামারি হয়। এসময় তারা ইকবালকে পেটে ছুরিকাঘাত করে। তখন ইকবাল অপ্রকৃতিস্থ আচরণ শুরু করে।

আমেনা বেগম জানান, তিনি স্থানীয় কাউন্সিলরের মাধ্যমে জানতে পেরেছেন ইকবাল পূজামণ্ডপ থেকে হনুমানের গদা সরিয়ে সেখানে কোরআন শরীফ রেখেছেন। আমেনা বলেন, ইকবাল কারও প্ররোচনায় এমন কাজ করতে পারে। তার বোধবুদ্ধি খুব একটা নেই। ছেলে সত্যিই যদি অন্যায় করে, তাহলে যেন তার শাস্তি হয়।



এবিষয়ে ১৭ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সৈয়দ সোহেল সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আমি ১০ বছর ধরে ইকবালকে চিনি। সে রঙের কাজ করত। মাঝে মাঝে নির্মাণকাজের সহযোগী হিসেবেও কাজ করত। ইকবাল ইয়াবা সেবন করায় প্রায়ই তাকে নিয়ে অনেক দেনদরবার করতে হতো।



ভোরের পাতা/কে 

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
http://www.dailyvorerpata.com/ad/Comp 1_3.gif
https://www.dailyvorerpata.com/ad/last (2).gif
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক ভোরেরপাতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৮১৮৯১৪১, ৮১৮৯১৪২, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৮১৮৯১৪৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১৮৯১৪৩, ইমেইল: [email protected] [email protected]