রোববার ২৪ অক্টোবর ২০২১ ৭ কার্তিক ১৪২৮

শিরোনাম: দ. কোরিয়া সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান    বিএফইউজের নেতৃত্বে ওমর ফারুক-দীপ আজাদ    দেশে ৬ কোটির বেশি করোনার টিকা প্রয়োগ    শক্তিশালী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতিসংঘ গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর    ফেসবুকে ধর্মীয় উসকানিমূলক পোস্ট: ইবি শিক্ষার্থী গ্রেফতার    ওয়েস্ট ইন্ডিজদের লজ্জায় ডোবালো ইংল্যান্ড    রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ের পর অস্ট্রেলিয়ার জয়   
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের পথে অগ্রণী ব্যাংক: এমডি ও সিইও
রমজান আলী
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১০:০৭ পিএম আপডেট: ১৫.০৯.২০২১ ১১:০১ এএম | অনলাইন সংস্করণ

২০১৬ সাল থেকে চলছে ব্যাংকটির ধারাবাহিকভাবে প্রবৃদ্ধি। অথচ এই সময়ে ব্যাংকখাতে নানা সংকট দেখা দিলেও সেক্ষেত্রে অগ্রণী ব্যাংকের চিত্র ছিল ভিন্ন। গত সাড়ে চার বছর ধরে তাদের রয়েছে একের পর এক সফলতা। ব্যাংকটিতে চালু হয়েছে অত্যাধুনিক ব্যাংকিং পদ্ধতি। বর্তমানে তারা সরকারি ব্যাংকগুলোর মধ্যে আমানতে দ্বিতীয়। এছাড়া রেমিট্যান্স, গ্রীন ব্যাংকিং এবং আমদানি-রফতানি ব্যবসাতে রয়েছে শীর্ষে। এছাড়া অনাদয়ী ঋণ আদায়, বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সূচকে তাদের অবস্থান এক নম্বরে। যার প্রচেষ্টায় ব্যাংকটির এই সাফল্য তিনি হলেন, ‘বঙ্গবন্ধু কর্নার’-এর রূপকার ও অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহম্মদ শামস্-উল ইসলাম। যার ফলে আজ সারা দেশে ‘বঙ্গবন্ধু কর্নার’ সকল স্কুল-কলেজসহ সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানে বাস্তবায়িত হয়েছে। এমনকি বিদেশেও বঙ্গবন্ধু কর্নার স্থাপিত হয়েছে।

দৈনিক ভোরের পাতাকে ব্যাংকের সার্বিক পরিস্থিতি ও পরিকল্পনা নিয়ে তিনি বলেন, গ্রাহকের হাতের মুঠোয় থাকবে অগ্রণী ব্যাংকের ব্যাংকিং সেবা। দেশ যেহেতু ডিজিটাল। তাই এর সুফল যাতে গ্রাহকরা পায়, গ্রাহকরা যাতে ঘরে বসে সব ধরনের সেবা পেতে পারে এমন টিন্তা থেকেই অ্যাপস চালু করা হয়েছে। যা ই-অগ্রণী নামে গ্রাহকদের নিকট পরিচিতি পেয়েছে। এই অ্যাপসের মাধ্যমে গ্রাহকরা ঘরে বসেই ব্যাংকের একাউন্ট থেকে সবকিছুই করতে পারবেন। এছাড়া অগ্রণী ব্যাংকে চালু করেছে এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা। যা সরকারি ব্যাংকগুলোর মধ্যে আমরাই প্রথম। এর মধ্যেই তিনশ’টি শাখা খোলা হয়েছে। আগামীতে এগুলোর প্রসার বাড়ানোর জন্য পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। এভাবে সব ধরনের আধুনিকায়নের সুয়োগ-সুবিধা যাতে গ্রাহকরা ভোগ করতে পারেন সেই লক্ষ্যে কাজ কাজ করে যাচ্ছি। 

এছাড়া তিনি বলেন, ব্যাংকিং খাতকে যুগোপযোগী করতে একই সঙ্গে আধুনিক বিশে^র সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে আমরা বেশ কিছু পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি। যার ভেতরে অন্যতম হচ্ছে ক্যাশলেস ও পেপারলেস (কাগজহীন) ব্যাংকিং পদ্ধতি চালু করা। এই সিস্টেম মানেই ব্যাংকিং কাজকর্ম ডিজিলাইজেশন করা। নগদে নয় কার্ডে, অনলাইনে হবে সব লেনদেন। পকেটে মানি ব্যাগ নয়, ফোন থাকলেই হবে। নগদ অর্থ লেনদেনের চেয়ে ডিজিটাল পেমেন্ট গ্রাহকের নিরাপত্তা অনেক বেশি, দ্রুত, নির্ভরযোগ্য ও সুবিধাজনক। একদিন  হয়তো ধাতব বা কাগজি মুদ্রার প্রচলন থাকবে না। তখন বিকল্প হিসেবে বিভিন্ন ডিজিটাল মুদ্রার (ক্রিপ্টোকারেন্সি) প্রচলন শুরু হবে। যেমন- ক্রিপ্টো-কারেন্সি, এআই, ব্লকচেঞ্জ, ফিনটেক ইত্যাদি। এক সময় সর্বোপুরি চালু হবে। তখন আমরা কীভাবে ব্যাংকিং করবো। যাতে আমরাও তথ্য-প্রযুক্তিতে পিছিয়ে না পড়ি। তাই আইটিকে ঢেলে সাজাচ্ছি। যাতে আমার পরির্বতে লেনদেনের ক্ষেত্রে কোন সমস্যা না হয়। সেই সক্ষমতা ও ম্যানপাওয়ার তৈরি করছি। 

মোহম্মদ শামস্-উল ইসলাম বলেন, সরকারি ব্যাংকগুলোর মধ্যে প্রথম অফশোর ব্যাংকিং ইউনিট (ওবিইউ) ও পাশাপাশি শরিয়াহভিত্তিক ইসলামিক ব্যাংকিং উইন্ডো চালু করেছি। এছাড়া ‘প্রবাসীদের ঘরে ফেরা ঋণ’ নামে একটি স্কীম চালু করেছি। এতে প্রবাসীদের বিনা জামানতে ঋণ দেওয়া হবে। এর মুনাফা ধরা হবে ৭ শতাংশ। এর সময়সীমা তিন বছর পর্যন্ত হতে পারে। 

তিনি আরো বলেন, এসএমই ও সিএসএমইতে খাতে ঋণ বিতরণের লক্ষ্য পূরণে ১৩টি ব্যাংকের মধ্যে অগ্রণী ব্যাংক প্রথম হয়েছে। যার জন্য প্রংশসা পত্র পাচ্ছে অগ্রণী ব্যাংক। সরকারি আর কোন ব্যাংক এ খাতে লক্ষ্যপূরণ করতে পারিনি। তবে কিছু মূলধনে ঘাটতি রয়েছে। এ ব্যাপারে সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে। সরকারে ৩৪টি সার্ভিস ফ্রি দিয়ে থাকি। এগুলোতে ফি নিলে আয় বাড়ত। ফলে আমাদের আরো মূলধন বাড়ত। যেহেতু আমরা কোন ফি পাচ্ছি না। তাই সরকারের কাছে একটা আবেদন কবরো।  মূলধন ঘাটতি কাটানোর জন্য চার-পাঁচ হাজার কোটি টাকার একটি বন্ড চাইবো। এটা পেলে ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি থাকবে না। 

তিনি বলেন, অগ্রণী ব্যাংক নামকরণ করেছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাই অগ্রণী ব্যাংক অগ্রে থাকতে হবে। আমি যখন ব্যাংকে যোগদান করি তখন খেলাপি ঋণ ছিলো ২৯ শতাংশ আর তা কমে এখন দাঁড়িয়েছে সাড়ে ১৩ শতাংশ। বৈশি^ক বিপর্যয় না হলে আরো কমে আসতো। তবে আগামী দুই বছরের মধ্যে খেলাপিঋণ সহনীয় পযার্য়ে আনা হবে।  

মোহম্মদ শামস্-উল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার স্বপে¦র পদ্মা সেতুতে অগ্রণী ব্যাংক পাশে দাঁড়িয়ে ছিল। পদ্মা সেতু নির্মাণে প্রয়োজনীয় সকল বৈদেশিক মুদ্রা রাষ্ট্রায়ত্ত এই ব্যাংকটিই সরবরাহ করছে। ইতোমধ্যে এই প্রকল্পে ১৪০ কোটি ডলারের বেশি বৈদেশিক মুদ্রা সরবরাহ করেছে অগ্রণী। সেতুর কাজ সম্পন্ন করতে মোট ২৪৩ কোটি ডলারের প্রয়োজন হচ্ছে। বাকি প্রায় ১০৩ কোটি ডলারও অগ্রণী ব্যাংক সরবরাহ করবে। রেমিট্যান্স ও রফতানি আয় থেকে প্রাপ্ত বৈদেশিক মুদ্রা থেকেই পদ্মা সেতুর প্রয়োজনীয় বৈদেশিক মুদ্রা সরবরাহ করছে ব্যাংকটি। 



তিনি আরো বলেন, দেশের গুরুত্বপূর্ণ মেগাপ্রকল্পে অগ্রণী ব্যাংক অর্থায়ণ করে যাচ্ছে। মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারটিও নির্মিত হয়েছে অগ্রণী ব্যাংকের অর্থায়নে। এছাড়া এ পর্যন্ত ১৫টি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে অর্থায়ন করেছে অগ্রণী। এসব কেন্দ্র থেকে ১ হাজার ৭শ মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে। অর্থাৎ, দেশের মোট উৎপাদিত বিদ্যুতের প্রায় ১২ দশমিক ৩২ শতাংশ আসছে অগ্রণী ব্যাংকের অর্থায়িত কেন্দ্রগুলো থেকে। উন্নয়নের পাশাপাশি নানা জনবান্ধব কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে অগ্রণী ব্যাংক। সরকার যখন রেমিট্যান্সে ২ শতাংশ প্রণোদনা ঘোষণা করে তখন ব্যাংকটি সরকারি প্রণোদনার সঙ্গে আরও ১ শতাংশ যোগ করে ৩ শতাংশ প্রণোদনা দেওয়া শুরু করে গ্রাহকদের। এতে একদিকে প্রবাসী পরিবারগুলো লাভবান হয়, অন্যদিকে বৈধ চ্যানেলে বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ আরও বেড়ে যায়। ২০২০ সালে দেশে মোট আহরিত প্রাবাসী আয়ের প্রায় সাড়ে ১১ শতাংশই আসে অগ্রণী ব্যাংকের মাধ্যমে। আর চলতি বছরের জুলাই পর্যন্ত সময়ে দেশের মোট রেমিট্যান্সের ১০ দশমিক ১৫ শতাংশ এসেছে ব্যাংকটির মাধ্যমে। 

তিনি বলেন, বৈশি^ক বিপর্যয়কালেও অগ্রণী ব্যাংক আমানত সংগ্রহে বাজিমাত করেছে। গ্রাহকদের ক্রমবর্ধমান আস্থা ও সহযোগিতায় দেশের তৃতীয় ব্যাংক হিসেবে আমানতে লাখ কোটি টাকার মাইলফলক অতিক্রম করেছে অগ্রণী। ৩০ জুন পর্যন্ত সময়ে ব্যাংকটির আমানত বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৪ হাজার ৩৭৭ কোটি টাকা। অর্থনীতিতে করোনা মহামারিতে সরকার যে ১ লাখ ২৮ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছিল সেটাও প্রায় শতভাগ বাস্তবায়নে সক্ষম হয়েছে অগ্রণী ব্যাংক। ৫টি প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় অগ্রণী ব্যাংকের জন্য প্রথম পর্যায়ে বরাদ্দ ছিল ২ হাজার ৯১৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে গত ৩০ জুনের মধ্যেই সাড়ে ৯৮ শতাংশ ঋণ মঞ্জুর হয়েছে। এর মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে ২ হাজার ৭০৮ কোটি টাকার বেশি যা বরাদ্দের প্রায় ৯৩ শতাংশ। এরমধ্যে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতে (সিএমএসএমই) ব্যাংকটি লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি ঋণ বিতরণে সক্ষম হয়েছে। যেখানে সিএমএসএমইতে ব্যাংক খাতের সার্বিক বিতরণের হার ৭৫ শতাংশের নিচে সেখানে অগ্রণী ব্যাংক প্রায় ১০৩ শতাংশ বিতরণ করেছে। প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় প্রথম পর্যায়ে ৯৫০ কোটি টাকা বিতরণের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে গত ৩০ জুন পর্যন্ত ৯৭৭ কোটি টাকার বেশি বিতরণ করেছে অগ্রণী। প্রণোদনা প্যাকেজের বাইরেও ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের বিকাশে গুরুত্ব দিচ্ছে ব্যাংকটি। যে কারণে ব্যাংকটির নিজস্ব প্রোগ্রামের আওতায় বিপুল পরিমাণ এসএমই ঋণ বিতরণ করছে। যেখানে ২০২১ সালে এসএমই খাতে ব্যাংকটির মোট ঋণ স্থিতির লক্ষ্যমাত্রা ৮ হাজার ৮৭৬ কোটি টাকা, সেখানে জুন মাসের মধ্যেই লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৯৫ শতাংশ অর্জিত হয়েছে। এসএমই খাতে ৩০ জুন পর্যন্ত বিনিয়োগ স্থিতি (খেলাপি ঋণ বাদে) ৮ হাজার ৩৯৭ কোটি টাকা। শুধু এসএমই খাত নয়, পরিবেশবান্ধব ব্যাংকিংয়েও সমান নজর অগ্রণীর। যে কারণে দেশের ব্যাংকগুলোর মধ্যে গ্রীন ব্যাংকিংয়ে সবার শীর্ষে অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড। এই খাতে ব্যাংকের মোট অর্থায়নের ১৬ শতাংশই করেছে ব্যাংকটি। ২০২১ সালের জুন পর্যন্ত এই খাতে ৭৫৮ কোটি টাকার বেশি অর্থায়ন করেছে অগ্রণী। এদিকে আমানতের পাশাপাশি ব্যাংকটির ঋণ ও অগ্রিমের পরিমাণও বাড়ছে। ২০১৯ সালে যেখানে ব্যাংকটির ঋণ ও অগ্রিম ছিল সাড়ে ৪৬ হাজার কোটি টাকা সেখানে ২০২১ সালের জুন শেষে দাঁড়িয়েছে ৫৪ হাজার ৩৮৫ কোটি টাকায়। এছাড়া ব্যাংকটির বিনিয়োগও দেড় বছরের ব্যবধানে দ্বিগুণ হয়েছে। ২০১৯ সালে বিনিয়োগ ছিল ২০ হাজার কোটি টাকার কিছুটা কম। চলতি বছরের জুন শেষে বিনিয়োগ দাঁড়িয়েছে ৪৪ হাজার ৫৮৯ কোটি টাকায়। দেড় বছরের ব্যবধানে ব্যাংকটির মোট সম্পদ বেড়েছে প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকা। এছাড়া করোনা মহামারির মধ্যেও বড় পরিচালন মুনাফা করেছে ব্যাংকটি। ২০২০ সালে ৭৪৩ কোটি টাকা ও ২০২১ সালের অর্ধবার্ষিকীতে ৩৫১ কোটি ৫৩ লাখ টাকা মুনাফা করেছে অগ্রণী ব্যাংক। 

সার্বিক  বিষয়ে  ব্যাংকটির এম.ডি ও সিইও মোহম্মদ শামস্-উল ইসলাম বলেন, আমরা শুধু মুনাফাই করব, দেশ ও জনগণের প্রতি কোনও দায়িত্ব পালন করবো না, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক হিসেবে এমনটা হওয়া উচিত নয়। তাই আমরা দেশ ও দেশের মানুষের সেবাকেই প্রাধান্য দিচ্ছি।

এমডি বলেন, আমাদের অস্বাভাবিক মুনাফা করার কোনো লক্ষ্য নেই। তারপরও আমরা ভাল মুনাফা করছি। করোনা মহামারির মধ্যেও চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসেই আমাদের সাড়ে ৩০০ কোটি টাকা মুনাফা হয়েছে। স্বাভাবিক সময়ে হলে এটা হতো ৫০০ বা সাড়ে ৫০০ কোটি টাকা হতে পারত। 

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
http://www.dailyvorerpata.com/ad/Comp 1_3.gif
https://www.dailyvorerpata.com/ad/last (2).gif
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক ভোরেরপাতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৮১৮৯১৪১, ৮১৮৯১৪২, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৮১৮৯১৪৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১৮৯১৪৩, ইমেইল: [email protected] [email protected]