রোববার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ ৪ আশ্বিন ১৪২৮

শিরোনাম: ই-কমার্স গ্রাহকদের নিয়ে পরামর্শ দিলেন হাইকোর্ট    আদালতে জেমস    খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ আরও বাড়ল    জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান হলেন শাফিন আহমেদ    বিএনপি দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে: ওবায়দুল কাদের    ইভ্যালির রাসেল দম্পতির বিরুদ্ধে আরেক মামলা    ডিআইজি প্রিজন্স পার্থ গোপাল কারাগারে   
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
স্কুল বন্ধ থাকায় শ্রমিকের কাজ করছে শিশুরা
পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৫ আগস্ট, ২০২১, ৯:৫০ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

প্রাণঘাতী করোনায় দীর্ঘদিন যাবৎ দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলায় বিভিন্ন কল-কারখানা, মোটরসাইকেল গ্যারেজ, চায়ের দোকান, হোটেল রেস্তরা ও ব্যাটারিচালিত অটোভ্যানের চালকসহ দিন মজুরের কাজ করছে শিশুরা। 

শিশুরা বলছে, করোনায় দীর্ঘদিন ধরে স্কুল বন্ধ রয়েছে। একারনে বিভিন্ন কারখানা, গুদাম, গ্যারেজ, দোকানপাট ও অটোভ্যানসহ দিন মজুরের কাজ করছে তারা। এসব কাজ করে যে টাকা পায় তা দিয়ে পরিবারের অভাব পুরুনের পাশাপাশি নিজেদের পকেট খরচ চলে। তাছাড়া, দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ থাকায় পড়াশোনাতেও মন বসছেনা আর।

উপজেলার মহিপুর এলাকায় মেসার্স ফিরোজ ট্রেডার্স নামে একটি পাটের বস্তার গুদামে গিয়ে দেখা যায় ১৫/২০ শিশু শ্রমিক কাজ করছেন বস্তা সেলাইয়ের। তারা সবাই ৩য় শ্রেণি থেকে ৮ম শ্রেণির ছাত্র। সকাল ৯ টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত কাজ করছেন দিন মজুর হিসেবে।

উপজেলার মহিপুর মাওলানা ভাসানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির ছাত্র হোসাইন বলেন, অনেক দিন থেকে স্কুল বন্ধ আছে। পড়শোনায় তেমন আর মন বসেনা। এখানে বস্তা সেলাইয়ের কাজ করছি। সারাদিনে ৪০/৫০ টি বস্তা সেলাই করি। এর জন্য গুদামের মালিক আমাকে ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা দেয় দিনে। একই স্কুলের ২য় শ্রেণির ছাত্র সিয়াম হোসেন বলেন, মা-বা দুজনেই গরীব। এজন্য আমিও এখানে বস্তা সেলাইয়ের কাজ করি।

মহিপুর হাজী মহসীন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্র মোস্তাকিম মন্ডল বলেন, যতদিন স্কুল বন্ধ আছে ততদিন এখানে কাজ করছি। সারাদিনে বস্তা সেলাই করে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা মজুরি পাই। তা দিয়ে পরিবারের অভাব পুরুনের পাশাপাশি আমার পকেট খরচ চলে।

এদের মত এমন শত শত শিশুরা উপজেলার বিভিন্ন কল-কারখানা, গুদাম, গ্যারেজ, দোকানপাট ও অটোভ্যানসহ কৃষি কাজও করছে। 

সচেতন সমাজের নাগরিকরা বলছেন, এই কম বয়সি শিশুরা যে উপার্জনে নেমেছে তা পরবর্তী সময়ের পুনরায় স্কুলে ফিরিয়ে আনতে অনেকটা কাট খড়ি পুড়তে হবে।





ভোরের পাতা/কে 

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
https://www.dailyvorerpata.com/ad/last (2).gif
https://www.dailyvorerpata.com/ad/agrani.gif
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক ভোরেরপাতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৮১৮৯১৪১, ৮১৮৯১৪২, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৮১৮৯১৪৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১৮৯১৪৩, ইমেইল: [email protected] [email protected]