রোববার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ ৪ আশ্বিন ১৪২৮

শিরোনাম: ই-কমার্স গ্রাহকদের নিয়ে পরামর্শ দিলেন হাইকোর্ট    আদালতে জেমস    খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ আরও বাড়ল    জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান হলেন শাফিন আহমেদ    বিএনপি দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে: ওবায়দুল কাদের    ইভ্যালির রাসেল দম্পতির বিরুদ্ধে আরেক মামলা    ডিআইজি প্রিজন্স পার্থ গোপাল কারাগারে   
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
করোনাকালে আমাদের আরও বেশি মানবিক হওয়া উচিত
কোরআন ও সরকারের নির্দেশনা মেনে চললে করোনা মোকাবিলায় সফল হবো: অধ্যাপক ড. আশরাফুল আলম। #করোনা মোকাবিলার জন্য জাতি, ধর্ম নির্বিশেষে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে: ভিক্ষু সুনন্দপ্রিয়। #করোনাকালেও আমাদের মধ্যে ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় আছে: শ্রী কুশল বরণ চক্রবর্ত্তী। #আমরা এক অদৃশ্য শক্তির সঙ্গে লড়াই করে যাচ্ছি: রেভাবেন্ড রোনাল্ড দিলীপ সরকার।
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: শনিবার, ১০ জুলাই, ২০২১, ১১:৪৬ পিএম আপডেট: ১০.০৭.২০২১ ১১:৫৬ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

আজকে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস বৈশ্বিক মহামারিতে রূপান্তরিত হয়েছে। আজকে এই মহামারি এটা কোন জাতি গোত্র ভেদাভেদ করে আসেনি, এটা সম্পূর্ণ মানব জাতিকে একটা বিপর্যয়ের জন্য এসেছে। এই করোনা মোকাবিলার জন্য আমাদের ধর্ম গোত্র নির্বিশেষে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। এই পরিস্থিতিতে সরকার এবং জনগণ একই সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করি তাহলে করোনা মহামারি থেকে উত্তরণ সম্ভব। 

দৈনিক ভোরের পাতার নিয়মিত আয়োজন ভোরের পাতা সংলাপের ৩৯৬তম পর্বে শনিবার (১০ জুলাই) আলোচক হিসেবে উপস্থিত হয়ে এসব কথা বলেন- ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়ার আল-হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আশরাফুল আলম, বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ভিক্ষু সুনন্দপ্রিয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক, সনাতন বিদ্যার্থী সংসদের সভাপতি, শ্রী কুশল বরণ চক্রবর্ত্তী, ঢাকা আঞ্চলিক ব্যাপ্টিস্ট চার্চ সংঘের প্রধান পালক রেভাবেন্ড রোনাল্ড দিলীপ সরকার। দৈনিক ভোরের পাতা সম্পাদক ও প্রকাশক ড. কাজী এরতেজা হাসানের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাবেক তথ্য সচিব নাসির উদ্দিন আহমেদ।



অধ্যাপক ড. আশরাফুল আলম বলেন, আমি শুরুতেই পবিত্র কোরআনের একটি আয়াত দিয়ে আমার আলোচনা শুরু করতে চাচ্ছি। মহান রাব্বুল আলামিন পবিত্র কোরআনে বলেছেন, পৃথিবীতে যা কিছু ঘটে তোমরা যা কিছুর সাধ গ্রহণ করো সবই মানুষের অর্জন অর্থাৎ মানুষের হাতের কামাই। হাদিস শরীফে এসেছে ‘রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যখন কোনা জাতির মধ্যে অশ্লীলতা-বেহায়াপনা ছড়িয়ে পড়বে তখন তাদের মধ্যে এমন এমন রোগব্যাধি ছড়িয়ে পড়বে যা ইতিপূর্বে কখনো দেখা যায়নি।’ কিন্তু আমরা অত্যন্ত দুঃখের সাথে লক্ষ্য করেছি যে, মহামারি করোনা ভাইরাসে পৃথিবীর সব দেশেই শিক্ষা ব্যবস্থাসহ অর্থনীতি, সমাজের সব সেক্টর আজকে বিধ্বস্ত হয়ে গেছে, অধিকুন্ত আজকে সবাই সঙ্কিত আছি যে কখন কে কোথায় মারা যায় তা নিয়ে। এই ধরনের অবস্থার মধ্যে আমরা জীবন যাপন করেছি। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করেছি যে আমরা সবাই যারা জন্মগ্রহণ করেছি কেউ মুসলিম, কেউ হিন্দু, কেউ বৌদ্ধ, আরও অন্যান্য ধর্মালম্বলি যারা আছি তারা সবাই কিন্তু যখন কোন সমস্যায় পড়ি তখন কিন্তু আমাদের ধর্মীয় বিধি নিষেধ মেনে চলতে হয়। আবু হুরাইরা (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, সংক্রমণের অস্তিত্ব নেই। তখন এক বেদুঈন বলল, হে আল্লাহর রাসুল, আমার উটগুলো হরিনীর ন্যায় সুস্থ থাকে। এরপর একটি চর্মরোগে আক্রান্ত উট এগুলোর মধ্যে প্রবেশ করার পরে অন্যান্য উটও আক্রান্ত হয়ে যায়। তখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, তাহলে প্রথম উটটিকে কে সংক্রমিত করল? (বুখারী, আস-সহীহ ৫/২১৬১, ২১৭৭; মুসলিম, আস-সহীহ ৪/১৭৪২)। পাশাপাশি সংক্রমণের বিষয়ে সতর্ক হতেও রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ) নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, অসুস্থকে সুস্থের মধ্যে নেবে না (রুগ্ন উট সুস্থ উটের কাছে নেবে না)। (বুখারী, আস-সহীহ ৫/২১৭৭; মুসলিম, আস-সহীহ ৪/১৭৪২-১৭৪৩) ‘যদি তোমরা শুনতে পাও যে, কোনো জনপদে প্লেগ বা অনুরূপ মহামারির প্রাদুর্ভাব ঘটেছে, তবে তোমরা তথায় গমন করবে না। আর যদি তোমরা যে জনপদে অবস্থান করছ তথায় তার প্রাদুর্ভাব ঘটে তবে তোমরা সেখান থেকে বের হবে না। (বুখারী, আস-সহীহ ৫/২১৬৩; মুসলিম, আস-সহীহ ৪/১৭৩৮, ১৭৩৯)। এভাবে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) প্রায় দেড় হাজার বৎসর পূর্বে সংক্রমন প্রতিরোধে বিচ্ছিন্নকরণ (কোয়ারেন্টিন) ব্যবস্থার নির্দেশনা প্রদান করেন। এখানে আমাদের ধর্মীয়ভাবে যে নির্দেশনাগুলো দেওয়া হয়েছে সেখানে বৈজ্ঞানিকভাবে যে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে বর্তমান সময়ে করোনা মোকাবিলার জন্য সেখানে এই দুটির মধ্যে কোন মতপার্থক্য নেই। মসজিদে যে ৩ ফিট দূরত্ব বজায় রেখে যে নামাজ আদায় করতে বলা হয়েছে এবং বেশি মানুষ এক জায়গায় উপস্থিত হয়ে এক জায়গায় কোন ধর্মীয় আচরণ না করার জন্যও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এটা শরিয়াহ সম্পূর্ণ এবং আমাদের জীবন রক্ষার জন্য একেবারেই সঠিক।

ভিক্ষু সুনন্দপ্রিয় বলেন, আজকে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসকে বৈশ্বিক মহামারিতে রূপান্তরিত হয়েছে। আজকে যে এই মহামারি এটা কোন জাতি গোত্র ভেদাভেদ করে আসেনি, এটা সম্পূর্ণ মানব জাতিকে একটা বিপর্যয়ের জন্য এসেছে। এই করোনা মোকাবিলার জন্য আমাদের ধর্ম গোত্র নির্বিশেষে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। করোনা সংক্রমণ নিয়ে দেশে-বিদেশে উদ্বেগ বাড়ছে। করোনার ডেল্টা ধরনে সংক্রমণ মারাত্মক আকার ধারণ করায় পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। করোনা থেকে সুরক্ষায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট আমাদেরকে সচেতন করতে কিছু পরামর্শ দিয়েছে। সেগুলো আমাদের মানতে হবে। আমরা লক্ষ্য করেছি এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে, দেশে সংক্রমিত রোগী ও মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমাগতভাবে বাড়ছে। ভারতীয় সীমান্তের আশপাশের কয়েকটি জেলায় ভারতীয় ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় পরিস্থিতি বিপর্যয়ের আকার ধারণ করেছে। কয়েক সপ্তাহ আগেও ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ সীমান্তবর্তী এলাকায় সীমাবদ্ধ থাকলেও খুব অল্প সময়ের মধ্যে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে। ইতোমধ্যে, আমরা প্রতিদিনের কোভিড-১৯ রোগী এবং মৃত্যুর সংখ্যার রেকর্ড পর্যবেক্ষণ করছি। সরকার চেষ্টা করছে ব্যাপক হারে টিকা প্রদানের। এটিই সবচেয়ে বড় উপায় সংক্রমণ ঠেকানোর। কিন্তু তার আগে ব্যাপক হারে মানুষকে সচেতন করার প্রয়োজনটা এখন সবচেয়ে বেশি। একই সঙ্গে দরকার হবে সত্যিকারের কঠোরতার। এই করোনা মহামারিতে আমাদের দেশের সরকার নান্না ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। শেখ হাসিনা সরকারের সতর্ক দৃষ্টি এবং তাৎক্ষণিক ব্যবস্থাপনায় ব্যাপকভাবে ভাইরাসটি সংক্রমিত হয়নি। অনেক দেশ যেখানে ভ্যাকসিন পায়নি সেখানে আমরা দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া শুরু করতে যাচ্ছি। কঠোর বিধিনিষেধের ফলে আক্রান্তের সংখ্যা ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করেনি। বরং লকডাউনে হোম কোয়ারেন্টিন পালন করলে সরকারকে সহযোগিতা করা হচ্ছে- এটাও বুঝতে সক্ষম হচ্ছে এদেশের জনগণ। এই পরিস্থিতিতে সরকার এবং জনগণ একই সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে তাহলে করোনা মহামারির থেকে উত্তরণ সম্ভব। 

শ্রী কুশল বরণ চক্রবর্ত্তী বলেন, আসলে এই করোনা মহামারি যখন আসে তখন আমার মহাভারতের একটি কথা অনেক মনে পড়ে। মহাভারতে এসেছে, যখন শান্তির সময়গুলো চলে যাচ্ছে ঠিক এমন একটি সময়ে ব্যাসদেব এসে তার মা সত্যবতী বলছিলেন, মা এখন যে পৃথিবীতে যে জগতটা আসবে তখন তোমার আর ভালো লাগবেনা, তোমরা চলে যাও। তখন সত্যবতীসহ এরা সবাই কিন্তু বনে চলে যায়। ঠিক এখনো কিন্তু একটি যুগান্তকাল চলছে। এই যুগান্তকালটা কিন্তু একটি সাময়িক সময়ের জন্য। সন্ধ্যা যেমন একটি সাময়িক সময়ের জন্য হয় ঠিক তেমনি এই যুগান্তকালটা সাময়িক সময়ের জন্য। আমাদের এই সাময়িক সময়টা পারি দিতে হবে খুব ধৈর্যের সহিত। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময় তখন আমরা জানতাম যে আমাদের শত্রু কারা কিন্তু বর্তমান যুদ্ধে আমরা কিন্তু একটা অদৃশ্য শত্রুর সাথে মোকাবিলা করছি। এই করোনার মধ্যেও আমাদের আপনজনও শত্রু হয়ে যাচ্ছে। আজকে যাকে সুস্থ দেখছি কাল সে অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে পরের দিন সে আর নেই। মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব- এই কথাটি বলে আমরা অহংকার করে প্রকৃতির সাথে যেমন খুশি তেমন ব্যবহার করেছি, আমরা নদীকে দূষিত করছি, আমরা পরিবেশকে দূষিত করছি, আমরা প্রত্যেকটা জায়গাকে দূষিত করছি। আমাদের এখন উচিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা। স্বাস্থ্যবিধি বলতে তো সাকুল্যে দুটো কাজ। এক. মাস্ক পরতে হবে। মুখের সাথে সুন্দর করে টাইট করে পরতে হবে। ঢিলেঢালা করে পরলে হবে না। দুই. হাত স্যানিটাইজ করতে হবে বা ধুঁতে হবে সাবান দিয়ে। আসুন সবাই স্বাস্থ্যবিধি মানি যতদিন না করোনাকে আমরা বাগে আনতে পারছি। স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনের জন্য প্রয়োজনে সরকারকে কঠোর হতে হবে। এ বিষয়ে শিথিলতা দেখানোর কোনো সুযোগ আপাতত তো নেই। করোনাকে রুখতে যা যা করণীয় তাই করতে হবে নির্মোহভাবে। নিরাপদ থাকার একমাত্র উপায় হলো ঘরে থাকা, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা। এখন যদি স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চলি তাহলে তা আমাদের জীবন ও জীবিকা দুটিকেই ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।

রেভাবেন্ড রোনাল্ড দিলীপ সরকার বলেন, আমরা একটা অদৃশ্য শক্তির সাথে যুদ্ধ করছি, কারণ শত্রু আমাদের সামনেই আছে কিন্ত আমরা তা দেখতে পারছি না। কিন্তু আমরা যুদ্ধ করে চলছি। এই যুদ্ধে অবশ্যই কিছু বিধিবিধান আমাদের পালন করতে হবে। এই করোনাকালীন যে সমস্যা এটা পৃথিবীর শুরু থেকেই ছিল এখনো আছে। আমাদের পবিত্র বাইবেলে লেখা আছে, ‘এমন এমন ঘটনা পৃথিবীতে ঘটবে যা দেখে মানুষের প্রাণ হু হু শব্দ করে উড়ে চলে যাবে।’ এমন ঘটনা কিন্তু এখন হচ্ছে। আমার পাশের লোক আমার স্ত্রী, আমার ভাই পৃথিবী ছেড়ে চলে যাচ্ছে অথচ আমরা দুশ্চিন্তায় পড়ে যাচ্ছি। এমন এমন অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা ঘটেছে যেখানে আমাদের আশপাশে যার কোন অন্ত খুঁজে পাচ্ছি না আমরা। বাংলাদেশের সেকেন্ড ওয়েভ প্রথম ওয়েভ থেকে ইতোমধ্যে অনেক বেশি বড় আকারে দেখা যাচ্ছে। বাংলাদেশের সেকেন্ড ওয়েভের এই ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের উৎস চিহ্নিত না হলেও বলা যায়, এটা সীমান্ত এলাকা দিয়ে এসেছে। কারণ, প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে আমাদের সাড়ে চার হাজার কিলোমিটারের ওপর সীমান্ত। তাই তাদের ওখানে যখন ডেল্টা ভয়াবহ রূপে ছড়িয়ে পড়েছিল, তখন সেখান থেকে যে এখানে আসবে এ ছিল অনিবার্য। আমাদের অবশ্যই স্বীকার করতে হবে যে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার ইতিহাসের সবচেয়ে খারাপ সময়ে দরিদ্রদের সহায়তা প্রদান করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। অতিমারি শুরুর পর থেকে তারা দরিদ্র জনগণকে বিভিন্ন ধরনের সহায়তা দিয়ে আসছে। সরকার অর্থনীতির গতি সচল রাখতে একটি উপযুক্ত অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার প্যাকেজ বাস্তবায়ন করেছে। সর্বোপরি দেশবাসীকে বিনামূল্যে টিকা দেওয়ার মতো সিদ্ধান্ত গ্রহণের সাহস দেখিয়েছে। ফলে ৫০ লাখের বেশি মানুষ ইতোমধ্যে ভ্যাকসিনের দুটি ডোজ গ্রহণ করেছে। মানুষকে বুঝতে হবে, এই রোগ সহজে পৃথিবী থেকে বিদায় নেবে না। নিয়ম মানলে, ঠিকঠাকভাবে মাস্ক পরলে, হাত ধোয়ার অভ্যাস বজায় রাখলে অবস্থার উন্নতি হবেই। 

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
https://www.dailyvorerpata.com/ad/last (2).gif
https://www.dailyvorerpata.com/ad/agrani.gif
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক ভোরেরপাতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৮১৮৯১৪১, ৮১৮৯১৪২, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৮১৮৯১৪৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১৮৯১৪৩, ইমেইল: [email protected] [email protected]