শুক্রবার ৬ আগস্ট ২০২১ ২১ শ্রাবণ ১৪২৮

শিরোনাম: প্রযোজক রাজ মাদক মামলায় রিমান্ডে    পরীমনিকে রিমান্ডে পেল পুলিশ    রাতেই আদালতে পরীমনি-রাজ, রিমান্ড আবেদন     ভারতকে বাদ দিয়ে ব্রিটেনের লাল তালিকায় বাংলাদেশ    সিনোফার্মের সাড়ে ৭ কোটি টিকা কিনছে বাংলাদেশ    ভ্যাট দিল গুগল    ইতিহাসের সর্বোচ্চ মৃত্যু দেখলো দেশ   
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
সব সময় আমাদের শেখ জামালের প্রতি শ্রদ্ধা দেখানো উচিৎ: মেজর (অব.) রেজাউল করিম ইবি
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বুধবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২১, ১১:২৪ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ছিলেন এই বিশ্বের অনন্য একজন নেতা এবং তার পরিবারের সব সদস্যই ছিলেন ইতিহাসের কা-ারি। শেখ জামালের মুক্তিযুদ্ধে যোগদান, সেনাবাহিনীর প্রতি তার যে আনুগত্য এবং তার দেশপ্রেম; সেটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যতদিন থাকবে, মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ যতদিন থাকবে ততদিন বাংলার মানুষ তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন। 

দৈনিক ভোরের পাতার নিয়মিত আয়োজন ভোরের পাতা সংলাপের ৩২৩তম পর্বে বুধবার আলোচক হিসেবে উপস্থিত হয়ে এসব কথা বলেন- পিএসসি, নিরাপত্তা বিশ্লেষক, গবেষক ও লেখক মেজর জেনারেল (অব.) এ কে মোহাম্মদ আলী শিকদার, স্বাধীন বাংলার জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রথম দলনেতা রকিবুল হাসান, নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক মেজর (অব.) রেজাউল করিম ইবি। দৈনিক ভোরের পাতা সম্পাদক ও প্রকাশক ড. কাজী এরতেজা হাসানের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ভোরের পাতার সিনিয়র রিপোর্টার উৎপল দাস।

মেজর (অব.) রেজাউল করিম ইবি বলেন, শেখ কামালের জনপ্রিয়তা শেখ  জামালের জনপ্রিয়তাকে ঠেকিয়ে দিয়েছে, এটা খুবই একটি সত্য কথা। সে সময় শেখ কামাল এতো বেশি পরিচিত ছিল এবং বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠপুত্র ছিলেন ও সার্বিকভাবে তিনি বড়মাপের খেলোয়াড় ছিলেন। তো স্বাভাবিক কারণেই শেখ কামালের কারণে শেখ জামালের জনপ্রিয়তা অনেকটা ঢাকা ছিল। এর মানে এটা বুঝায় না যে, শেখ জামাল নিষ্কিয় ছিল, তা নয় কিন্তু। বড় ভাই কামাল যেমন চটপটে মিশুকে স্বভাবের ছিলেন, জামাল তেমন ছিলেন না। জামাল একটু চাপাস্বভাবের। কথা কম বলতেন, তবে এটা বুঝতেন যে কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলা করেই তাকে বড় হতে হবে। শেখ জামাল যে শুধু খেলাধুলা করেছেন তা নয় কিন্তু, সে কিন্তু ভালো কথা বলতে পারতেন। ভালো একজন মিটিবিটার ছিলেন তিনি। তার যারা টিমম্যাট ছিলেন তাদের অনেকের সাথে আমার কথা হয়েছে, তাদের কাছ থেকে যেটা জানতে পেরেছি যে সে খুব দ্রুতই মানুষকে মোটিভেট করতে পারতেন। সবাই জানে যে সে একজন মিলিটারি অফিসার ছিলেন কিন্তু তার প্রশিক্ষণ কিন্তু সাধারণ অফিসারের মতো ছিলো না।  তিনি একজন রাষ্ট্রপতির ছেলে হিসেবে তার বিন্দুমাত্র অহংকার বোধ ছিলও না নিজের মধ্যে। আজকে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আছেন বলেই তার কবরে অনেকেই ফুল দিতে দেখা যাচ্ছে। একজন মানুষ আমাদের মাঝে থাকুক আর নাই বা থাকুক কিন্তু তার কীর্তির জন্য আমাদের তো ন্যূনতম শ্র্রদ্ধাবোধ থাকা উচিৎ। আমরা আজকেও খেয়াল করলে দেখতে পাবো যে তার কবরের চারপাশে ফুলের পাপড়ি দিয়ে ঢেকে ফেলেছে। কিন্তু আজ থেকে ১০ বছর আগে বা তারও আগে যখন এই সরকার ক্ষমতায় ছিল না তখন কেউ কি সেখানে গিয়েছে তারপ্রতি শ্রদ্ধা জানাতে। আসলে আমাদের এই ধরনের মানসিকতা থেকে বের হয়ে আসা উচিৎ। 

ভোরের পাতা/পি

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
https://www.dailyvorerpata.com/ad/last (2).gif
https://www.dailyvorerpata.com/ad/agrani.gif
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক ভোরেরপাতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৮১৮৯১৪১, ৮১৮৯১৪২, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৮১৮৯১৪৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১৮৯১৪৩, ইমেইল: [email protected] [email protected]