মঙ্গলবার ১১ মে ২০২১ ২৮ বৈশাখ ১৪২৮

শিরোনাম: ঈদ কবে, জানা যাবে বুধবার    শুনানি না হওয়া পর্যন্ত সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গাছ না কাটতে হাইকোর্টের নির্দেশ    চীনা রাষ্ট্রদূতের বক্তব্যের জবাবে যা বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী    প্রথমবারের মতো চলল মেট্রোরেল    মেট্রোরেল নির্মাণ কাজের সার্বিক অগ্রগতি ৬৩ শতাংশ    বাংলাদেশসহ ৪ দেশের ওপর কুয়েতের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা    করোনার ভারতীয় ধরন উদ্বেগজনক: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা   
সাম্প্রদায়িকতা কোনো রাষ্ট্রের জন্য কল্যাণ বয়ে আনে না: সাবিনা আক্তার তুহিন
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল, ২০২১, ১১:২৫ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

কোনো সাম্প্রদায়িকতা দেশের জন্য কল্যাণ বয়ে আনে না। সেটা যে দেশেই হোক না কেন। সেটা শুধু যে বাংলাদেশ তা নয় ভারত, পাকিস্তান এমনকি ইউরোপের দেশেও কিন্তু সাম্প্রদায়িকতা আছে। সাম্প্রদায়িকতায় কোনো একটা রাষ্ট্রের জন্য মঙ্গল বয়ে নিয়ে আসে না। ধর্মকে পুঁজি করে যেকোনো দেশেই যদি জালাও-পোড়াও আন্দোলন করা হয় তাহলে এটাকে সরাসরি ধর্মের অবমাননা। বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক উগ্রগোষ্ঠীকে কঠোর হস্তে দমন করার জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনা যে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছেন।

দৈনিক ভোরের পাতার নিয়মিত আয়োজন ভোরের পাতা সংলাপের ৩১৭তম পর্বে বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) আলোচক হিসেবে উপস্থিত হয়ে এসব কথা বলেন- সাবেক সংসদ সদস্য, ঢাকা মহানগর উত্তর যুব মহিলা লীগের সভাপতি সাবিনা আক্তার তুহিন, ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ লিংকন মোল্লা, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি (আ.লীগ পন্থী) সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া। দৈনিক ভোরের পাতা সম্পাদক ও প্রকাশক ড. কাজী এরতেজা হাসানের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ভোরের পাতার সিনিয়র রিপোর্টার উৎপল দাস।

সাবিনা আক্তার তুহিন বলেন, কোন সাম্প্রদায়িকতা দেশের জন্য কল্যাণ বয়ে আনে না। সেটা যে দেশেই হোক না কেন। সেটা শুধু যে বাংলাদেশ তা নয় কিন্তু, ভারত, পাকিস্তান এমনকি ইউরোপের দেশেও কিন্তু সাম্প্রদায়িকতা আছে। কোন সাম্প্রদায়িকতায় একটা রাষ্ট্রের জন্য মঙ্গল বয়ে নিয়ে আসে না। ধর্মকে পুঁজি করে যেকোনো দেশেই যদি জালাও পোড়াও আন্দোলন করা হয় তাহলে এটাকে সরাসরি ধর্মের অবমাননা বলে আমি মনে করি। এটাকে যেভাবেই হোক রুখতে হবে নাহলে মানুষের ধর্মের প্রতি একটা ভয় চলে আসবে। যে যে ধর্ম পালন করুক, যে ধর্মকে ভয় পায় তারা খারাপ কাজ করতে ভয় পায়। আজকে মামুনুল হকসহ যেসব নেতাকর্মীরা ধরা খেয়েছে তাদের পূর্বপুরুষরা একাত্তরের সময় কিন্তু ঘাতক দালাল ছিল। স্বাধীনতাবিরোধী এই সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীটি স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং মুজিববর্ষের উদযাপনকে ভালো চোখে দেখতে পারেনি। তারা একেবারে শুরু থেকেই বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উদযাপন নিয়ে বিভিন্ন ধরনের কটূক্তি করেছে, অপপ্রচার চালিয়েছে। এর অংশ হিসেবে কৌশলী হেফাজত মামুনুলের নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যকে মূর্তি হিসেবে উপস্থাপন করে গোটা দেশকে অস্থিতিশীল করে তোলে। এই নব্য রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়ে তারা পাকিস্তানপন্থি জামায়াত-বিএনপি, এমনকি প্রগতিশীলতার দাবিদার কিছু পচে যাওয়া সংগঠনের সাম্প্রদায়িক শক্তির শক্ত সহযোগী হিসেবে রাজনীতির মাঠে অবতীর্ণ হওয়ার মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতার স্বাদ গ্রহণ করতে চেয়েছিল। হেফাজতে ইসলামের বহুল আলোচিত নেতা মামুনুল হক এবং শিশুবক্তা মাদানীকে ধর্মীয় উগ্রবাদী হিসেবে চিহ্নিত করা গেছে। উস্কানি ও সহিংস ঘটনায় দু’জনই এখন পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়ে বিচারের সম্মুখীন হয়েছে। এরা বেআইনি জন সমাবেশে লিপ্ত ছিল। কখনো কখনো সাধারণ মানুষকে এলোপাতাড়ি মারধর, হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত করে গুরুতরভাবে জখম করেছে, হুমকি দেওয়া আর ধর্মীয় কাজে ইচ্ছাকৃতভাবে গোলযোগ সৃষ্টি ও প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ তো আছেই। এমনকি চুরি ও অপরের পরিবারের নারীদের অপদস্ত এবং প্রতারণার ঘটনার অভিযোগও আছে। ২০১৩ সালের ৫ মে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতের তাণ্ডবের সঙ্গেও এদের কোনো না কোনোভাবে সম্পর্ক রয়েছে। কেবল হেফাজত-জামায়াত নয় শিক্ষিত মৌলবাদী সোশ্যাল মিডিয়ায় সাম্প্রদায়িক আচরণের প্রকাশ ঘটিয়ে চলেছে। এই বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িকতা রুখতে আমরা সকলেই ঐক্যবদ্ধ থাকবো।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


আরও সংবাদ   বিষয়:  ভোরের পাতা সংলাপ   সাবিনা আক্তার তুহিন  







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  

সারাদেশ

এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক ভোরেরপাতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৮১৮৯১৪১, ৮১৮৯১৪২, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৮১৮৯১৪৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১৮৯১৪৩, ইমেইল: [email protected] [email protected]