সোমবার ১৪ জুন ২০২১ ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮

শিরোনাম: বিশ্ব রক্তদাতা দিবস আজ    অবশেষে নেতানিয়াহু যুগের অবসান    ধর্ষণ চেষ্টাকারীর নাম প্রকাশ করলেন পরিমনী    শেখ হাসিনার মুক্তিতেই বাংলাদেশ মুক্তি পেয়েছিল    ২৩৮ কোটি টাকায় মহাকাশে বেজোসের সঙ্গী হচ্ছেন এক রহস্যময় ব্যক্তি!    কিছু দেশ সারা পৃথিবীর ভাগ্য নির্ধারণ করবে, সেই যুগ শেষ: চীন    পরীমণিকে ধর্ষণ করলো কে?   
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
বঙ্গবন্ধুই বাংলাদেশ
ড. কাজী এরতেজা হাসান
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৬ মার্চ, ২০২১, ১১:৫১ পিএম আপডেট: ১৭.০৩.২০২১ ১২:১২ এএম | অনলাইন সংস্করণ

বাঙালি জাতির হাজার বছরের ইতিহাসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (১৯২০-১৯৭৫) শ্রেষ্ঠতম বাঙালি। গণতান্ত্রিক মূল্যচেতনা, শোষণ মুক্তির আকাঙ্ক্ষা এবং অর্থনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠা-এ ত্রিমাত্রিক বৈশিষ্ট্যই বঙ্গবন্ধুর জাতীয়তাবাদী ভাবনার মূল কথা। বাংলাদেশের কথা বলতে গিয়ে অনিবার্যভাবে এসে যায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কথা। আজ আমাদের জাতির মুক্তির অগ্রদূত, স্বাধীনতার স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন। ১৯২০ সালের আজকের এই দিনে টুঙ্গিপাড়ায় তিনি জন্মেছিলেন বলেই বাংলাদেশ নামক একটি স্বাধীন রাষ্ট্র পেয়েছি। তিনিই আমাদের কাছে বাংলাদেশ। তাঁর মধ্যেই বাঙালি জাতির সকল স্বপ্ন সাধ খুঁজে পাই।

ইংরেজদের হাত থেকে অবিভক্ত ভারতবর্ষকে মুক্ত করার জন্য এই ভূখন্ডের মানুষ যখন ঐক্যবদ্ধ হচ্ছিল তখন থেকেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর সক্রিয় রাজনীতির শুরু। ১৯৩৪ সালে যখন তিনি সপ্তম শ্রেণিতে পড়তেন তখন তিনি অসুস্থতাজনিত কারণে অনেক দিন স্কুলে যাননি। সে সময় তিনি স্বদেশি আন্দোলনে যুক্ত ছিলেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এ প্রসঙ্গে লিখেছেন ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে- দুচোখের চিকিৎসার পর মাদারীপুরে ফিরে এলাম, কোনো কাজ নেই। লেখাপড়া নেই, খেলাধুলা নেই, শুধু একটা মাত্র কাজ, বিকালে সভায় যাওয়া। তখন স্বদেশি আন্দোলনের যুগ। মাদারীপুরের পূর্ণ দাস তখন ইংরেজের আতঙ্ক। স্বদেশি আন্দোলন তখন মাদারীপুর ও গোপালগঞ্জের ঘরে ঘরে।‘

শোষিত মানুষের পক্ষে বঙ্গবন্ধুর এই নির্ভীক অবস্থানের কারণে তিনি কেবল বাংলাদেশেই নয়, নিপীড়িত বিশ্বমানব সমাজেরও অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন। প্রসঙ্গত স্মরণ করতে পারি ১৯৭৩ সালে অনুষ্ঠিত আলজিয়ার্সের জোট-নিরপেক্ষ সম্মেলনে বঙ্গবন্ধুর সেই ঐতিহাসিক ভাষণের কথা, যেখানে তিনি স্পষ্ট করে বলেছিলেন- ‘বিশ্ব আজ দু’ভাবে বিভক্ত শোষক ও শোষিত। আমি শোষিতের পক্ষে।’ জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন-এসব স্থানে শোষিত মানুষের পক্ষে বঙ্গবন্ধুর অবস্থান বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়, বিশ্বের শোষিত নির্যাতিত মানুষ বাঙালির বঙ্গবন্ধুকে বরণ করে নেয় নিজেদের নেতা হিসেবে।

এ কারণেই বঙ্গবন্ধু প্রসঙ্গে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের পরম মিত্র ইন্দিরা গান্ধী বলে গেছেন-‘শেখ মুজিব ছিলেন একজন মহান নেতা। তাঁর অনন্যসাধারণ সাহসিকতা এশিয়া ও আফ্রিকার জনগণের জন্য প্রেরণাদায়ক ছিল।’ কিংবা ফিদেল ক্যাস্ত্রোর মতো বিশ্বনেতা বলেন এ কথা- ‘আমি হিমালয় দেখিনি কিন্তু শেখ মুজিবকে দেখেছি, ব্যক্তিত্ব এবং সাহসিকতায় তিনিই হিমালয়।... শেখ মুজিবের মৃত্যুতে বিশ্বের শোষিত মানুষ হারাল তাদের একজন মহান নেতাকে, আমি হারালাম একজন অকৃত্রিম বিশাল হৃদয়ের বন্ধুকে।’

বিশ্ব-ইতিহাসে বঙ্গবন্ধুর মতো জাতীয়তাবাদী নেতার দৃষ্টান্ত বিরল। তিনিই বিশ্বের একমাত্র নেতা-যিনি জাতীয় পুঁজির আত্মবিকাশের আকাক্সক্ষা ও বাঙালির সম্মিলিত মুক্তির বাসনাকে এক বিন্দুতে মেলাতে পেরেছেন। এ কারণেই তিনি বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা, এ কারণেই তিনি আমাদের জাতির পিতা। সবার স্বপ্নকে তিনি একটি গ্রহণযোগ্য মোহনায় মেলাতে পেরেছেন।

পাকিস্তান রাষ্ট্র গড়ে ওঠার পর পরই বর্তমান বাংলাদেশ রাষ্ট্রের ওপর বিমাতাসুলভ আচরণ করতে থাকে। দেশ বিভাগের পর পরই বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্র ভাষা না করা এবং উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার প্রতিবাদে এবং পাকিস্তান সরকারের সমালোচনা করার দায়ে তাঁকে ১৯৪৮ সালের মার্চ মাসে কারাবাসে যেতে হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ইংরেজমুক্ত যে স্বাধীন দেশ দেখতে চেয়েছিলেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার পরই তাঁর অন্তঃসারশূন্যতা উপলব্ধি করলেন। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর উচ্চকিত কণ্ঠস্বর পাকিস্তান শাসকগোষ্ঠীকে ভীতসন্ত্রস্ত করে তোলে। ১৯৪৮ সালের মার্চ মাসের পর সেপ্টেম্বরে আবারও তাঁকে কারাবাস ভোগ করতে হয়। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিকার বঞ্চিত চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের অধিকার আদায়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। অধিকার আদায়ের এ আন্দোলনের কারণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছাত্রত্ব বাতিল করে তৎকালীন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে অন্যরা ভবিষ্যতে আর আন্দোলন না করার লিখিত অঙ্গীকার দিয়ে ছাত্রত্ব ফিরে পেয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ন্যায়ের পথে অনড় থাকার স্বার্থে লিখিত দিয়ে ছাত্রত্ব ফিরে পাওয়ার কোনো চেষ্টাই করেননি। সময় যত সামনের দিকে এগিয়েছে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলার রাজনীতিতে ততটাই প্রভাবক হয়ে উঠেছিলেন।  

দেশ বিভাগে অসীম সম্ভাবনার অযুত স্বপ্ন নিয়ে বর্তমান বাংলাদেশের জনগণ স্বাধীনতার আনন্দে মেতে উঠেছিলেন। সেই আনন্দ অনতিবিলম্বে ফিকে হয়ে আসে। সমস্ত আশা পরিণত হয় হতাশায়। আশাভঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পশ্চিম পাকিস্তানের সব শোষণের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন। তিনি প্রথমত মানুষদের সংগঠিত করার কাজ করেন। ১৯৪৭ সাল থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত পূর্ব পাকিস্তানের যে রাজনৈতিক ইতিহাস, সেই বৃত্তের মধ্যকার বিন্দুর মতো ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। প্রকৃত অর্থে তাঁকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়েছে পাকিস্তান শাসনামলের বাংলার রাজনীতি।

নেতা আর জনতার আশ্চর্য যোগে উত্তাল হয়ে উঠেছিল ১৯৬০-এর দশকের পূর্ব বাংলা। আন্দোলনের পর আন্দোলন পেরিয়ে মুক্তিযুদ্ধের হাত ধরে ঘটল বাংলাদেশের অভ্যুদয়। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ আর মুক্তিযুদ্ধের সুবর্ণজয়ন্তীর সন্ধিক্ষণে এবারে এল সেই বিজয়ের দিন। স্বাধীন বাংলাদেশের পথে ইতিহাসের সেই সোনায় বাঁধানো ক্ষণগুলো ফিরে দেখার আয়োজন।

কৈশোরকাল থেকেই তিনি মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারের পক্ষে ছিলেন সোচ্চার। আটচল্লিশ ও বায়ান্নোর রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন, চুয়ান্নোর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ৫৮-র সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন, বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন, ছিষট্টির ছয় দফা, ঊনসত্তরের মহান গণ-অভ্যুত্থান, সত্তরের নির্বাচন, একাত্তরের গৌরবোজ্জ্বল মুক্তিযুদ্ধ-বাঙালির প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তিনি পালন করেন নেতৃত্বের ভূমিকা। বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের প্রধান শক্তির উৎস ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। গণতান্ত্রিক অধিকারের পক্ষে তিনি ছিলেন সর্বদা বজ্রকণ্ঠ।

১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ভাষণ একটি জাতিকে জাগ্রত করেছে, সবাইকে মিলিয়েছে এক মোহনায়, সবাইকে করে তুলেছে স্বাধীনতামুখী- এমন ঘটনা বিশ্ব-ইতিহাসে বিরল। হাজার বছরের অপেক্ষার শেষে ৭ মার্চের ভাষণ গোটা জাতিকে উদ্বুদ্ধ করেছে স্বাধীনতার স্বপ্নে, মুক্তির সংগ্রামে। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ এ সূত্রেই অনন্য অতুলনীয় ঐতিহাসিক। ব্যক্ত হয়েছে যে, একটি ভাষণ ছিল একটি জাতিরাষ্ট্র নির্মাণের মৌলশক্তি ও রাজনৈতিক দর্শন।

পৃথিবীর অন্য কোনো ভাষণের সঙ্গেই তাই বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের তুলনা হয় না। প্রসঙ্গত আমরা পেট্রিক হেনরি, আব্রাহাম লিঙ্কন, উইনস্টল চার্চিল কিংবা মার্টিন লুথার কিংয়ের ভাষণের কথা বলতে পারি। এ চারজনের ভাষণও বিশ্ব-ইতিহাসের অসামান্য গৌরবোজ্জ্বল ভাষণ।

যে মানুষটার জন্য আজ আমরা একটা দেশ পেয়েছি, একটা পতাকা পেয়েছি, একটা জাতীয় সংগীত পেয়েছি; সেই মানুষটাকেই এই দেশে নৃশংসভাবে সপরিবারে হত্যা করা হলো। যে বাঙালিকে তিনি আজীবন বিশ্বাস করেছেন, তাদেরই কয়েকজন তাকে হত্যা করল। বিশ্বাসঘাতকতার এই করুণ ইতিহাস ভুলবার নয়। এর থেকে দুঃখের, এর থেকে বেদনার আর কী হতে পারে বাঙালির জন্য। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাতে রচিত হয় ইতিহাসের সেই কলঙ্কিত অধ্যায়। এই দিনে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করেছিল নরপিশাচরা। বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ড- বাংলাদেশকে এর মূলনীতি ও প্রত্যয় থেকে অনেক দূরে সরিয়ে নিয়ে যায়। বঙ্গবন্ধু ছাড়াও ১৫ আগস্ট রাতে ধানমন্ডির বাড়িতে তাঁর সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, ছেলে শেখ কামাল, শেখ জামাল ও ১০ বছরের শিশুপুত্র শেখ রাসেল, পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজী জামাল, বঙ্গবন্ধুর একমাত্র ভাই শেখ আবু নাসের, বঙ্গবন্ধুর নিরাপত্তা কর্মকর্তা কর্নেল জামিলকে হত্যা করা হয়। বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে যুবলীগ নেতা শেখ ফজলুল হক মনির বাসায়ও হামলা করা হয়। বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবার এবং নিকটাত্মীয়সহ ২৬ জনকে ওই রাতে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা সে সময় তৎকালীন পশ্চিম জার্মানিতে অবস্থান করায় তাঁরা প্রাণে বেঁচে যান।



পিতা মুজিবের আপসহীন এবং সংগ্রামী রাজনৈতিক জীবনাদর্শ নিয়েই তাঁর সুযোগ্য কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা পিতার অসমাপ্ত স্বপ্ন বাস্তবায়নে এগিয়ে চলেছেন অপ্রতিরোধ্য গতিতে। দেশরত্ন শেখ হাসিনা সবকিছু হারিয়ে, অভিমান-কষ্ট-ব্যথা ভুলে সেই বাঙালিকেই আবার আগলে ধরেছেন। হাজারো বন্ধুর পথ পাড়ি দিয়ে তিনি আবার হারানো সেই ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগানকে তার প্রাণ ফিরিয়ে দিয়েছেন। ১৯৮১ সালে তাঁর আগমনে বাংলার মানুষ আবার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিল, যে স্বপ্ন আজ বাস্তবায়িত হচ্ছে। বিশ্বমোড়লদের তাক লাগিয়ে দিয়ে তলাবিহীন ঝুড়ি আখ্যা দেওয়া বাংলাদেশকে তিনি অমিত সম্ভাবনার দেশ হিসেবে বিশ্বলোকে সুপরিচিত করেছেন। 

আজ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বছরে দাঁড়িয়ে নিজেকে সৌভাগ্যমান মনে হচ্ছে, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পদার্পণ করেছে। আমি দৃঢ়তার সঙ্গেই বিশ্বাস করি, যতদিন বঙ্গবন্ধুর রক্তের উত্তরাধিকারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে বাংলাদেশ পরিচালিত হবে; ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা নিশ্চিন্তে থাকতেই পারি। আমাদের আশা ভরসার শেষ আশ্রয়স্থল শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তী পালন হচ্ছে, জাতির জনকের শতবর্ষ উদযাপন হচ্ছে, তা সত্যিই আমাদের পরম সৌভাগ্যের। আমাদের সকল বিভেদ ভুলে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতেই শেখ হাসিনার হাতকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। তা হলেই জাতির জনক জান্নাতুল ফেরদৌস থেকে শান্তি পাবেন বলে মনে করি। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং এগিয়ে যাবে ইনশাল্লাহ। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।

লেখক: সম্পাদক ও প্রকাশক, দৈনিক ভোরের পাতা, দ্য পিপলস টাইম
সহ-সভাপতি, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগ
সদস্য, কেন্দ্রীয় শিল্প-বাণিজ্য উপকমিটি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
পরিচালক, এফবিসিসিআই
প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, ইরান-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


আরও সংবাদ   বিষয়:  বঙ্গবন্ধু   বাংলাদেশ   স্বাধীনতা   ১৯৭১   ১৭ মার্চ  







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
https://www.dailyvorerpata.com/ad/last (2).gif
https://www.dailyvorerpata.com/ad/agrani.gif
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক ভোরেরপাতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৮১৮৯১৪১, ৮১৮৯১৪২, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৮১৮৯১৪৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১৮৯১৪৩, ইমেইল: [email protected] [email protected]