বৃহস্পতিবার ২২ এপ্রিল ২০২১ ৯ বৈশাখ ১৪২৮

শিরোনাম: সেই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে বরিশালে বদলি    তালিকা পাঠান, অভিযুক্ত সকলকে নিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে জেলে যাব: বাবুনগরী    ব্যাংককে হেফাজত-বিএনপি গোপন বৈঠকে ষড়যন্ত্র, নেপথ্যে ইঞ্জিনিয়ার মাহফুজ হান্নান    হেফাজত নেতা ইহতেশামুল হক গ্রেফতার    জলবায়ু পরিবর্তন: বিশ্বনেতাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর ৪ পরামর্শ    ভাঙলো মুমিনুল-শান্তর ২৪২ রানের জুটি    যুক্তরাষ্ট্রের ‘ডু নট ট্রাভেল’ তালিকায় বাংলাদেশ   
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উজ্জ্বল আলোর পথে বাংলাদেশ
#বাংলাদেশ এখন তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে উপচে পড়া ঝুড়ি: ড. মোহাম্মদ আলী মানিক। #অগ্নিঝরা মার্চ মাসের প্রতিটি দিনই গুরুত্বপূর্ণ: ড. শাহিনুর রহমান। #বাংলাদেশের সর্বক্ষেত্রে শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়ন কর্মযজ্ঞ চলছে: ভিক্ষু সুনন্দপ্রিয়।
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: শনিবার, ৬ মার্চ, ২০২১, ১০:৩৪ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উজ্জ্বল আলোর পথে বাংলাদেশ

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উজ্জ্বল আলোর পথে বাংলাদেশ

অগ্নিঝরা মার্চ মাসের প্রতিটি দিনই গুরুত্বপূর্ণ। এই মার্চ মাস আসলেই আমাদের শরীরের রক্ত টগবগ করে উঠে। আজ বাংলাদেশ একটি মাহেন্দ্রক্ষণ পার করছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে পৌঁছে গেল বাংলাদেশ। বাংলাদেশ এখন তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে উপচে পড়া ঝুড়ি।

দৈনিক ভোরের পাতার নিয়মিত আয়োজন ভোরের পাতা সংলাপের ২৭০তম পর্বে শনিবার (০৬ মার্চ) আলোচক হিসাবে উপস্থিত হয়ে এসব কথা বলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ড. মোহাম্মদ আলী মানিক, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়ার ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. শাহিনুর রহমান, বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ভিক্ষু সুনন্দপ্রিয়। দৈনিক ভোরের পাতা সম্পাদক ও প্রকাশক ড. কাজী এরতেজা হাসানের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ভোরের পাতার সিনিয়র রিপোর্টার উৎপল দাস।

ড. মোহাম্মদ আলী মানিক বলেন, 'মুজিব মানেই সংগ্রাম, মুজিব মানেই কবি। কেমন কইরা আইকা দিল, বাংলাদেশের ছবি।'  সেই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি আমাদের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে আমি আমার বক্তব্য শুরু করছি। আজকের সংলাপের আলোচ্য বিষয়, সুবর্ণ জয়ন্তীতে স্বাধীনতা। এই মাসটি মার্চ মাস। এই মার্চ মাস বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের কারণে ঐতিহ্যমণ্ডিত। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে ১৯৭১ সালের মার্চ মাস ছিল উত্তাল ঘটনাবহুল মাস। ১৯৭১ সালের ১ মার্চ হঠাৎ এক হটকারী সিদ্ধান্তে পাকিস্তানের তৎকালীন সামরিক স্বৈরশাসক প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করলে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে বাংলার আপামর জনতা। সেদিন আমি ঢাকা স্টেডিয়ামে খেলা উপভোগ করছিলাম, মুহূর্তের মধ্যে সবার মধ্যে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে সেই স্থগিতের ঘোষণা। আমিও বসে থাকেনি। আমিও বেড়িয়ে পরলাম সেদিন। এটা কোন পুঁথিগত বিদ্যা নয়। এটা আমার চক্ষু মিলিয়া স্মৃতি গ্রহণ। ১৯৪৭ সালে শেখ মুজিব ছিলেন তরুণ উদীয়মান নেতা। অচিরেই তিনি হয়ে উঠলেন আপসহীন সংগ্রামী, ত্যাগী এবং পূর্ব বাংলার জাতি-গোষ্ঠীসমূহকে মুক্ত করার এক বিরল প্রতিভার অধিকারী নেতা হিসেবে। ঢাকায় ২ মার্চ হরতাল, ৩ তারিখ দেশব্যাপী হরতাল, অসহযোগ আন্দোলনের ডাক এবং ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে জনসভার ঘোষণা দিলেন। ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, আমরা ভাতে মারব। আমরা পানিতে মারব। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন- “প্রত্যেক গ্রামে, প্রত্যেক মহল্লায় আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তোল এবং তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে প্রস্তুত থাক।” এই মার্চ মাস আসলেই আমাদের শরীরের রক্ত টগবগ করে উঠে। কিভাবে তিনি এই বাঙলার মানুষকে একত্রিত করেছিলেন। আজ অনেকেই অনেক কথা বলেন যে, অমুক ছাত্র নেতা পতাকা উত্তোলন করেছিলেন, অমুক জন মানচিত্র তৈরি করেছিলেন, আবার কেউ কেউ বলে অমুক জন স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেছিলেন। আসলে আমার বাসা বঙ্গবন্ধুর বাসার পাশেই ছিল। প্রতিদিন পায়ে হেটে তার বাসায় চলে যেতাম। সেখানে দেখতাম তার নির্দেশেই ছাত্র নেতা ও ছাত্রলীগের নেতারা সেসময় কর্মসূচী দিতো। আজ বাংলাদেশ একটি মাহেন্দ্রক্ষণ পার করছে। একদিকে হাজার বছরের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী, অপরদিকে প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর দ্বারপ্রান্তে। এমন একটি সময় বাংলাদেশের জনগণের জন্য এসেছে আত্মমর্যাদার বিশ্ব স্বীকৃতি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে পৌঁছে গেল বাংলাদেশ। বাংলাদেশ এখন তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে উপচে পড়া ঝুড়ি। 

ড. শাহিনুর রহমান বলেন, আজকের এই দিনে আমি আমার বক্তব্যের শুরুতে গভীর শ্রদ্ধা জানাই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে, যে মহামানবের অবদানে আজ আমারা লাল সবুজের পতাকা নিয়ে পৃথিবীর বুকে মাথা উঁচু করা দাড়িয়ে আছি, গভীর শ্রদ্ধা সাথে স্মরণ করছি ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টের সেই কালো রাতে তার পরিবারের যেসব সদস্যরা শাহাদাৎ বরণ করেছিলেন। গভীরভাবে স্মরণ করি জাতীয় ৪ নেতাকে। গভীর শ্রদ্ধা সাথে স্মরণ করছি ৩০ লক্ষ শহীদ ও ২ লক্ষ ইজ্জত হারা মা বোনদের। এই মাসটি মার্চ মাস। অগ্নিঝরা মার্চ মাসের প্রতিটি দিনই গুরুত্বপূর্ণ। বঙ্গবন্ধু কখনও স্বাধিকার ও স্বায়ত্তশাসনের প্রশ্নে আপোষ করেননি, বাঙালি জাতিসত্তার জন্য বারবার তিনি নিজের জীবন উৎসর্গ করতেও চেয়েছেন। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা চলাকালীন বঙ্গবন্ধুকে গুলি করে হত্যা করতে চেয়েছিল পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী, পাকিস্তানের কারাগারে তাকে ফাঁসি দিতে চেয়েছিল। কোনোকিছুই দমাতে পারেনি বঙ্গবন্ধুকে। বাংলার জনগণের নিরঙ্কুশ ম্যান্ডেট পাওয়া সত্ত্বেও যখন সংসদ অধিবেশন বসতে দেওয়া হলো না, তখন ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ তিনি অসহযোগ আন্দোলনের ঘোষণা দেন। ৩ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ—এই ২৩ দিন বস্তুত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানই অলিখিতভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করেন। সমগ্র বিশ্বে এটা একটি বিরল এবং বিস্ময়কর ঘটনা। তিনি ভোটের অধিকার প্রয়োগ করে পাকিস্তানের সরকারকে অস্বীকৃতি জানিয়ে পাল্টা সরকার গঠন করেন। এ আন্দোলনে তিনি প্রমাণ করেন পাকিস্তান বাংলাদেশকে শাসন করার সকল নৈতিক, রাজনৈতিক ও আইনগত অধিকার হারিয়ে ফেলেছে। প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশ একটি দেশ হিসেবে জন্ম নেওয়া বা এর স্বাধীনতা লাভের পূর্বে সমগ্র সংগ্রামের মুল নায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৭১ সালের মার্চের ২৫ মার্চ দিবাগত রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নির্বিচারে গণহত্যা শুরু করলে গ্রেফতার হবার আগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।এর আগে জাতির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চ ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তানি শাসকদের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, ‘রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরো দেব। এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়ব—ইনশাল্লাহ। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। জয় বাংলা।’ মূলত এটিই ছিলো স্বাধীনতার অনানুষ্ঠানিক ঘোষণা। বঙ্গবন্ধুর এ ভাষণের পর থেকেই স্বাধীনতার জন্য প্রস্তুত হতে শুরু করে বীর বাঙালি। ঢাকাসহ গোটা দেশে পত পত করে উড়তে শুরু করে সবুজ জমিনের উপর লাল সূর্য আর সোনালি মানচিত্রের পতাকা। স্বাধীনতার পরে বঙ্গবন্ধু এই স্বাধীন বাংলাকে সোনার বাঙলায় রুপান্তর করার জন্য তার সাড়ে তিন বছরের আমলে মূল ভিত্তি তৈরি করেছিলেন, কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য যে তাকে আমরা পূর্ণ সময় পেলাম না। কিন্তু তার সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে তার পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার দ্বারপ্রান্তে আমরা রয়েছি।

ভিক্ষু সুনন্দপ্রিয় বলেন, মার্চ মাস অগ্নিঝরা মার্চ। এই মার্চ মাসের শুরু থেকে শেষ পর্যন্তরও প্রতিটি দিনই তাৎপর্যপূর্ণ। এই মার্চ মাসে বিজয়ের প্রায় অর্ধশত বছর পর বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াল। জাতিসংঘ ঘোষিত উন্নয়নশীল দেশের পথে এখন বাংলাদেশ। জীবনযাত্রার মান বাড়ার অন্যতম প্রধান কারণ ডিজিটাল জগতে প্রবেশ ও এর সদ্ব্যবহার। দেশের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ডিজিটাল বাংলাদেশের বীজ রোপণ করেছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। মূলত ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ভাষার জন্য যে আগুন জ্বলে উঠেছিল- সে আগুন যেন ছড়িয়ে পড়ে বাংলার সর্বত্র। এরপর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ’৬২-এর শিক্ষা আন্দোলন, ’৬৬-এর ছয় দফা এবং ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের সিঁড়ি বেয়ে একাত্তরের মার্চ বাঙালির জীবনে নিয়ে আসে নতুন বার্তা। এ বছরের ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু ঘোষণা করেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা। মাতৃভূমির স্বাধীনতার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে সুনির্দিষ্ট কর্মসূচির ভিত্তিতে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের মধ্য দিয়ে এগোতে হয়েছে। লক্ষ্য স্থির করে, ধাপে ধাপে আন্দোলন-সংগ্রাম পরিচালনা করে প্রস্তুতি গ্রহণ করেন তিনি। স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়ার পরিস্থিতি তৈরি করা শুরু হয়েছিল মূলত ৬ দফার মধ্য দিয়েই। ঊনসত্তরের বিশাল গণআন্দোলনে সামরিক শাসক আইয়ুব খানের পতন হল। নিয়মতান্ত্রিক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যেই বঙ্গবন্ধু ’৭০-এর নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন। বঙ্গবন্ধু সত্তরের নির্বাচনকে নিলেন তার স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গণভোট হিসেবে। আর ব্যালটে তিনি এমন অভাবিত বিজয় অর্জন করলেন যখন পাকিস্তানিদের বুলেট, ট্যাঙ্ক, কামান- সবই তুচ্ছ হয়ে গিয়েছিল। এ নির্বাচনে বাঙালিরা বঙ্গবন্ধুর ছয় দফার প্রতি সমর্থন জানিয়ে তাকে অভূতপূর্ব একটা বিজয় উপহার দিয়েছিল। দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ১৬ ডিসেম্বরের বিজয় অর্জনের মধ্য দিয়ে জাতি লাভ করে স্বাধীনতা। আজ বাংলাদেশের চারবারের প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্য দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা জিয়াউর রহমানের শাসন দেখেছি, আমরা এরশাদের শাসন দেখেছি, আমরা খালেদা জিয়ার শাসন দেখেছি। তারাই কি বা এমন উন্নয়ন করেছে যে? আজকে সারা দেশে যে উন্নয়নের জোয়ার বয়ে যাচ্ছে তা কিন্তু একদিনে হয়নি। করোনা মহামারি মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সময়োচিত ও দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণেই বাংলাদেশে করোনায় মৃত্যুহার অনেক সীমিত রয়েছে। আজ নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু তৈরি হচ্ছে, মেট্রোরেল, পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, মাতারবাড়ী বিদ্যুৎ কেন্দ্র, রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র, ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল, মহাসড়কগুলো চার লেনে উন্নিতকরণ ইত্যাদি মেগা প্রজেক্টসহ অসংখ্য উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন কাজ দ্রুতগতিতে চলছে। কোভিড-১৯ বিশ্বব্যাপী অর্থনীতির ওপর আঘাত আনলে বাংলাদেশের অর্থনীতি তুলনামূলকভাবে এখনও ভালো আছে। এসব অর্জন সবই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রাজ্ঞ, দূরদর্শী ও গতিশীল নেতৃত্বের জন্যই সম্ভব হচ্ছে।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


আরও সংবাদ   বিষয়:  ভোরের পাতা সংলাপ   শেখ হাসিনা   বাংলাদেশ  







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  

সারাদেশ

এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক ভোরেরপাতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৮১৮৯১৪১, ৮১৮৯১৪২, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৮১৮৯১৪৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১৮৯১৪৩, ইমেইল: [email protected] [email protected]