সোমবার ৮ মার্চ ২০২১ ২৩ ফাল্গুন ১৪২৭

শিরোনাম: অচলায়তন ভেদ করে মেয়েরা এগিয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী    বিএনপির বিকল্প আন্দোলন হচ্ছে গোপন বৈঠক আর ষড়যন্ত্র: কাদের    সংগ্রামী পাঁচ নারী পেলেন ‘জয়িতা’ পুরস্কার    খালেদার মুক্তির মেয়াদ আরও ৬ মাস বাড়ানোর সুপারিশ    গিনির সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ২০    গুগল ডুডলে বিশ্ব নারী দিবস    জেনে নিন বিশ্ব নারী দিবসের ইতিহাস   
প্রধানমন্ত্রীর উপহার: ঘর পাচ্ছেন রাঙামাটির ২৬৮ পরিবার
আলমগীর মানিক, রাঙামাটি
প্রকাশ: শুক্রবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২১, ১২:৫৮ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

প্রধানমন্ত্রীর উপহার: ঘর পাচ্ছেন রাঙামাটির ২৬৮ পরিবার

প্রধানমন্ত্রীর উপহার: ঘর পাচ্ছেন রাঙামাটির ২৬৮ পরিবার

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যুগান্তকারী পদক্ষেপ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান কার্যক্রমের আওতায় পার্বত্য রাঙামাটি জেলায় প্রথম পর্যায়ে ৭৩৬ হতদরিদ্র পরিবারকে জমি ও ঘর বানিয়ে দিচ্ছে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন কর্তৃপক্ষ।

আগামী ২৩ জানুয়ারি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সারাদেশের ন্যায় রাঙামাটিতেও প্রাথমিকভাবে সকল কাজ সম্পন্ন হওয়া ২৬৮টি ঘর সংশ্লিষ্ট্য উপকারভোগীদের কাছে চাবি ও বিশেষ দলিল হস্তান্তর করবেন প্রধানমন্ত্রী। পর্যায়ক্রমে রাঙামাটিতে ২ হাজার ৫১২টি ঘর দেওয়া হবে সংশ্লিষ্ট্য উপকার ভোগীদের। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ‘মুজিববর্ষে’ এটিই হবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ উপহার।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে নিজ কার্যালয়স্থ সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে রাঙামাটির জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদ জানিয়েছেন, আনুষ্ঠানিকভাবে ২৩শে জানুয়ারী প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ‘ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান কার্যক্রমের আওতায়’ ২৬৮টি জমিসহগৃহ উপকারভোগীদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ সময় রাঙামাটিতে স্থানীয় সংসদ সদস্য দীপংকর তালুকদারসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিগণ জেলা প্রশাসনের উদ্বর্তন কর্মকর্তাবৃন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধাগণসহ সাংবাদিক ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন।

সংবাদ সম্মেলনে জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন, রাঙামাটিতে জমিও নাই-ঘরও নাই এমন পরিবারগুলোকে (ক) শ্রেণীর অর্ন্তভূক্ত করে সাত উপজেলায় খাস জমি চিহ্নিত করে সেগুলোতে সর্বমোট ৭৩৬টি ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই এসব ঘর মেরামতের জন্য প্রতিটি বাবদ এক লক্ষ ৭১ হাজার টাকা করে বরাদ্দ দিয়ে দিয়েছে সরকার।

তিনি জানান, যাদের জমি আছে কিন্তু থাকার ঘর নাই এমন পরিবারগুলোকে (খ) শ্রেণীর আওতাভূক্ত করে তাদের জন্য প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হবে, এই প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে জেলা প্রশাসক আরও জানিয়েছেন, রাঙামাটি জেলার ১০ উপজেলার মধ্যে সদর উপজেলায় ৬০টি, বরকল উপজেলায় ১৯টি, বাঘাইছড়ি উপজেলায় ৩৫টি, লংগদু উপজেলায় ৩৪টি, কাপ্তাইয়ে ৩০টি, নানিয়ারচর উপজেলায় ২৮টি ও রাজস্থলী উপজেলায় ৬২টিসহ সর্বমোট ২৬৮টি ঘর ভুমি ও গৃহহীন পরিবারকে শনিবার চাবি ও বিশেষ দলিল হস্তান্তর করা হবে। 

পর্যায়ক্রমে প্রথমধাপে সর্বমোট ৭৩৬টি পরিবারকে এই প্রকল্পের আওতায় আনা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদ।

২০২০ সালের ৭ মার্চ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা দিয়েছিলেন “যে দেশের একটি মানুষও গৃহহীন বা ভূমিহীন থাকবে না” তার এই মহান ব্রতকে সামনে রেখেই মুজিব বর্ষে প্রতিটি গৃহহীন-ভূমিহীন পরিবারই পাচ্ছে দুর্যোগ সহনীয় সেমিপাকা ঘর, আর দুই শতাংশ জমির মালিকানা। প্রতিটি সেমিপাকা ঘরের নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা। ইটের দেয়াল, কংক্রিটের মেঝে এবং রঙিন টিনের ছাউনি দিয়ে তৈরি সবগুলো বাড়ি সরকার নির্ধারিত একই নকশায় হচ্ছে। দেশের বিপুলসংখ্যক ভূমিহীন-গৃহহীন মানুষকে নিজস্ব ঠিকানা অর্থাৎ জমির মালিকানাসহ সরকারি খরচে নির্মিত বাড়ি নির্মাণ করে দেওয়ার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বের সামনে আরেকটি মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে যাচ্ছেন, যা নজিরবিহীন বলেও সংবাদ সম্মেলনে মন্তব্য করেছেন রাঙামাটির জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদ।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  

সারাদেশ

এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক ভোরেরপাতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৮১৮৯১৪১, ৮১৮৯১৪২, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৮১৮৯১৪৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১৮৯১৪৩, ইমেইল: [email protected] [email protected]