শুক্রবার ● ২২ জানুয়ারি ২০২১ ● ৮ মাঘ ১৪২৭ ● ৭ জমাদিউস সানি ১৪৪২
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
বাংলার মানুষের আস্থার মূর্ত প্রতীক শেখ হাসিনা
#শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা গত দশ বছরে বিপ্লব ঘটিয়েছি: হাবীবুল্লাহ সিরাজী। #শেখ হাসিনা এখন শুধু বাংলাদেশের নয় সারা বিশ্বের অহংকার: এম এ গনি। #করোনা দুর্যোগেও দুঃসাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন শেখ হাসিনা: সাবিনা আক্তার তুহিন।
সিনিয়র প্রতিবেদক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২১, ১০:১২ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

বাংলার মানুষের আস্থার মূর্ত প্রতীক শেখ হাসিনা

বাংলার মানুষের আস্থার মূর্ত প্রতীক শেখ হাসিনা

দেশরত্ন শেখ হাসিনা এখন শুধু একজন ব্যক্তি নয়, একটি আদর্শের নাম, একটি চেতনার নাম, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের একটি অনুভূতির নাম। তিনি তাঁর সততা, দেশপ্রেম, মানবিক মূল্যবোধ ও কঠিন পরিশ্রমে নিজেকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। সেখানে শেখ হাসিনার বিকল্প একমাত্রই শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনার বড় শক্তি তিনি মহান জাতির পিতার সন্তান। ছোট বেলা থেকেই দেখেছেন পিতা বঙ্গবন্ধু মুজিব এদেশের মানুষের মুক্তির জন্য কত সংগ্রাম, কত ত্যাগ স্বীকার করেছেন। দেশের প্রতি, দেশের মানুষের এই ভালোবাসা তিনি পিতার কাছ থেকেই পেয়েছেন। এই রকম নেতার হাতে কখনোই পথ হারাতে পারেনা বাংলাদেশ। 

দৈনিক ভোরের পাতার নিয়মিত আয়োজন ভোরের পাতা সংলাপের ২১৭তম পর্বে এসব কথা বলেন আলোচকরা। মঙ্গলবার (১২ জানুয়ারি) আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজী, ইউরোপ-মধ্যপ্রাচ্য আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা এবং সর্ব-ইউরোপীয় আওয়ামী লীগের সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এম এ গনি, ঢাকা মহানগর উত্তর যুব মহিলা লীগের সভাপতি, সাবেক মাননীয় সংসদ সদস্য সাবিনা আক্তার তুহিন। দৈনিক ভোরের পাতা সম্পাদক ও প্রকাশক ড. কাজী এরতেজা হাসানের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাবেক তথ্য সচিব নাসির উদ্দিন আহমেদ।
 
হাবীবুল্লাহ সিরাজী বলেন, সংস্কৃতির যে অঙ্গনে আমরা কাজ করি লেখালেখি, সঙ্গীত, শিল্পকলা সহ শিল্পের অন্যান্য অঙ্গ থেকে জনগণের সাথে যেভাবে আমি সম্পৃক্ত আছি সেখান থেকে আমি বলতে চাই গত দশ বছরে জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা এই অঙ্গনে বিপ্লব ঘটিয়েছি। ১৯৭১ সালের যুদ্ধের সময় যে প্রেক্ষাপট ছিল তা ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর প্রেক্ষাপট শুরু হয়েছিল তা ভাষা আন্দোলনের ভিতর দিয়ে এবং তার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সংক্ষেপে বলা যায়, ৫৪'র যুক্ত ফ্রন্টের নির্বাচন, ৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন, ৬৬'র বাঙ্গালির মুক্তির আন্দোলন, যে ছয় দফা ছিল তার মধ্যেই আমাদের অগ্রসর হওয়ার সব কিছু যুক্ত ছিল। তারর পরিপ্রেক্ষিতে ৬৯'র গণ আন্দোলন, ৭০'র নির্বাচন এবং সর্বোপরি ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ স্বাধীনতার জন্য আমাদের ঝাঁপিয়ে পড়া। বর্তমান সময় নিয়ে আমি বলতে চাই, তরুণরা বিপথগামী হওয়া, মাদকাসক্তি হওয়া এবং সর্বোপরি তাদের একটি বিশৃঙ্খল জীবনযাপন। আমি মনে করি সংস্কৃতি একমাত্র তাদের এই পথ থেকে উদ্ধার করতে এবং এই সরকার একটি সংস্কৃতি বান্ধব সরকার। এই সরকার একটি সংস্কৃতি বান্ধব সরকার বলেই সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীনে ১৭টি প্রতিষ্ঠান সাংস্কৃতি উন্নয়নের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। কি ছাত্র, কি সংগঠন, কি গোষ্ঠী, সবার জন্য আমরা একটি সংস্কৃতি বিপ্লবের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। আর এই সংস্কৃতি বিপ্লব আমাদের বাংলাদেশ সম্পর্কে ধারনা বদলাবে আমাদের জাতিগত ধারনা বদলাবে। বিশ্বের প্রভাবশালী রাষ্ট্র সমূহ যখন জঙ্গিবাদের কালো থাবায় আক্রান্ত, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে হিমসিম খাচ্ছে, সেখানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর জিরো টলারেন্স নীতির কারণে জঙ্গী দমন ও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়েছে। হলি আর্টিজানের ঘটনাসহ আরো বেশ কয়েকটি ঘটনা যেভাবে দ্রুত মোকাবেলা করা হয়েছে, তাতে বাংলাদেশের জঙ্গী ও সন্ত্রাস দমনের দক্ষতা ও সক্ষমতা বিশ্বনেতৃত্বের প্রশংসা কুড়িয়েছে। সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার মডেল দেশ এখন বাংলাদেশ। জাতিসংঘ মহাসচিবের ভাষ্যমতে, বাংলাদেশ এমডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঠিক দিক-নির্দেশনা ও সফল বাস্তবায়নের ফলে এ অর্জন সম্ভব হয়েছে। শুধু ৪৮টি স্বল্পোন্নত দেশই নয় অনেক উন্নয়নশীল দেশ থেকেও এক্ষেত্রে বাংলাদেশের সাফল্য ঈর্ষণীয়। তাঁর রাষ্ট্রনায়কোচিত প্রজ্ঞা তাঁকে বিশ্ব নেতৃত্বের কাতারে নিয়ে গেছে। তাঁর নেতৃত্ব, দেশ ও জনগণের উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ, পরিকল্পনা, নারীর উন্নয়ন ও ক্ষমতায়ন, শিক্ষার প্রসার, এসজিডি অর্জনে সাফল্য, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যূতে তাঁর বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর, দশ লক্ষ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দেয়া ইত্যাদি বিষয়গুলোতে বিশ্ববাসীর নজর কেড়েছে। তাই তিনি একটির পর একটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছেন। আজ সবার ভালোবাসা ও বিশ্বাস নিয়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যেভাবে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে তাতে সারা বিশ্ব বাংলাদেশের দিকে তাকিয়ে আছে। এশিয়ার অন্যতম একটি নির্ভরশীল জাতি হিসেবে বাঙালি তার স্থানকে শক্ত পোক্ত করেছে।

এম এ গনি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পরে সারা দেশব্যাপী যেসব উন্নয়ন কর্মসূচী হাতে নিয়েছিলেন তা আসলেই প্রশংসনীয়। আমি ৩৩ বছর শেখ হাসিনার সাথে কাজ করছি। আমরা যখন বিরোধীদলে ছিলাম তখন শেখ হাসিনা যখন এই লন্ডনে আসতেন তখন তিনি আমাদের এখানকার রাস্তা দেখে বলতেন আল্লাহ আমার বাংলাদেশের এমন রাস্তা কবে হবে, তিনি যখন এখানকার বাস দেখতেন তখন বলতেন কবে আমাদের এখানে এমন বাস সার্ভিস চালু হবে। সব সময় তিনি চিন্তা করতেন, দেশটাকে কিভাবে উন্নয়ন করা যায় এসব চিন্তায় তিনি মগ্ন থাকতেন সব সময়। যদিও উনি লন্ডনে ছিলেন কিন্তু মনটা থাকতো বাংলাদেশে। আসলে ইচ্ছা থাকলে উপায় হয় বলে একটা কথা আছে। ইচ্ছা ছিল বলেই আল্লাহ উনাকে একটা সুযোগ দিয়েছিলেন এবং তিনি আজ এইসব করে দেখিয়েছেন। বঙ্গবন্ধু স্বপ্ন দেখেছিলেন এবং শেখ হাসিনা তা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন। উন্নয়নের যে ধারা বঙ্গবন্ধু শুরু করেছিলেন তা শেখ হাসিনা শেষ করবেন বলে প্রতিজ্ঞা করেছিলেন। তাই যখন তিনি ক্ষমতায় আসলেন তখন তিনি তিনটা জিনিস মাথায় রেখে আগালেন। প্রথমে তিনি মনে করলেন, এই দেশের উন্নয়ন করতে হলে প্রথমে এই দেশের রাস্তাঘাটের উন্নয়ন করতে হবে। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা নিজেকে একজন রাজনীতিবিদের গণ্ডি পেরিয়ে সফল রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে নিজের উত্তরণ ঘটিয়েছেন। একজন রাজনীতিবিদ কেবল পরের নির্বাচন নিয়ে চিন্তা করেন, কিন্তু একজন রাষ্ট্রনায়ক চিন্তা করেন আগামী প্রজন্ম নিয়ে। কাজেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজনীতিবিদের সীমানা পেরিয়ে একজন সফল রাষ্ট্রনায়কের দক্ষতা অর্জন করেছেন। আমাদের মহাননেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তার জীবনের সবচাইতে বড় একটা সম্পদ তিনি আমাদের জন্য রেখে গেছেন। জননেত্রী, দেশরত্ন, ভাষাকন্যা ইত্যাদি নামে ভূষিত করা হয় সেই সম্পদকে। এই সম্পদ হলো আমাদের জননেত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মাণের জন্য। সেজন্যই আজ বাংলাদেশের অবস্থান একটি শক্ত ভিত্তির উপর দাঁড়িয়েছে। "উন্নয়নের রোল মডেল" হিসেবে জাতিসংঘ কর্তৃক বাংলাদেশকেই উদাহরণ হিসেবে দেয়া হয়। একজন সফল রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তাঁর অবদান আজ আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত। শান্তি, গণতন্ত্র, স্বাস্থ্য ও শিশু মৃত্যুর হার হ্রাস, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার, দারিদ্র্য বিমোচন, সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং দেশে দেশে জাতিতে জাতিতে ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার জন্য নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। কোভিড-১৯-এর করাল থাবায় বিশ্ব আজ বিপর্যস্ত। অন্যদেশ যেভাবে করোনা মোকাবেলা করছে, প্রধানমন্ত্রীর কৌশল একদম ভিন্ন। এই ভাইরাসজনিত কারণে একদিকে অনগ্রসর, অর্থনৈতিকভাবে অসচ্ছল মানুষদের ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দিতে হচ্ছে, অন্যদিকে বর্ষার আগেই হাওরের ধান কেটে কৃষকদের ঘরে তুলে দেয়া হচ্ছে। বৈশ্বিক এই মহামারীর একদিন অবসান হবে, আবারো সুন্দর সকাল আসবে। আবারো মানুষ যান্ত্রিক জীবনে ফিরবে, সেদিন পুরো পৃথিবী দুঃসময়ের হিরোদের স্মরণ করবে। পৃথিবীর ম্যাক্সিমাম নেতার মধ্যে দুর্নীতি আছে কিন্তু আমাদের নেত্রীর মধ্যে ন্যূনতম দুর্নীতি নেই। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সরকার এক উদার মানবিকতার পরিচয় দিয়েছে। সারাবিশ্বে এই পদক্ষেপ প্রশংসিত হয়েছে।

সাবিনা আক্তার তুহিন বলেন, আজকের যে বিষয়ে কথা বলবো সেটা হলো পথ হারাবে না বাংলাদেশ, আমি বলতে চাই শেখ হাসিনার হাতে যতদিন আছে দেশ, পথ হারাবে না বাংলাদেশ। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়নের মহাসড়কে দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বের অন্যান্য উন্নয়নের দেশ গুলো থেকে বাংলাদেশ দ্রুত উন্নয়নের গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। এইজন্যই শেখ হাসিনাকে বলা হয় উন্নয়নের ম্যাজিক কন্যা। কথায় আছে, তুমি যদি একজন ভাল মা দেও তাহলে আমি তোমাকে একটি ভালো জাতি দেবো। আজকে আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একজন মমতাময়ী মায়ের মত এই দেশকে আগলিয়ে রেখেছে। আজকে বিশ্বের অনেক জায়গায় তাকে নিয়ে গবেষণা করা হয়, কারণ এতো অল্প সময়ে, এতো দ্রুত উন্নয়ন বিশ্বের অন্য কোন নেতা দেখাতে পারেনি আগে। একটি দেশকে কিভাবে উন্নয়নের লক্ষে এগিয়ে নিয়ে যেতে হয় তার জন্য দিন রাত কাজ করে যাচ্ছেন আমাদের নেত্রী। আজকে দেখেন আমাদের রিজার্ভ বেড়েছে, মাথা পিছু আয় বেড়েছে। বিশ্ব ব্যাংক যে গ্রোথ আশা করে তার থেকে কিন্তু আমরা প্রতিবারই এগিয়ে থাকি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাসন আমলে কিন্তু তাই হয়েছিল। এর পরবর্তী সময়ে যেসব সরকার এসেছে তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল সব লুট পাট করে দেশটাকে খোকলা বানিয়ে ফেলা। তারা হাওয়া ভবন, লুটেরা ভবন তৈরি করে দেশে নানান লুটতরাজ চালিয়েছিল। কিন্তু আজ জননেত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবার কথায় এখানে উল্লেখ করা যায়, তারই সু-পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের অবদানে তথ্য-প্রযুক্তিতে বাংলাদেশ বিলিয়ন ডলার উপার্জন করতে সক্ষম হচ্ছে। তার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ জয় অটিস্টিকের উপর কাজ করে বিশ্ব নন্দিত পদক আনছেন দেশের জন্য। আজ জননেত্রী শেখ হাসিনা নারী উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে সারা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। আগে বাংলাদেশ ছিল খাদ্য ঘাটতির দেশ আর বর্তমান বাংলাদেশে এখন সচরাচর ভিক্ষুক খুঁজে পাওয়া যায় না। আজ মৎস্য খাতে আমরা দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছি, শস্য খাতে, মেডিসিন খাতেও আমরা অনেক দূর এগিয়ে গিয়েছি। আজ আমাদের দেশের তৈরি মেডিসিন বিশ্বের অনেক দেশেই রপ্তানি হচ্ছে। এসবই সম্ভব হচ্ছে একমাত্রও শেখ হাসিনার ভিশনারি নেতৃত্বের জন্য। স্বাধীনতার পরে দীর্ঘসময় ধরে তিনি বাংলার প্রধানমন্ত্রী। ষড়যন্ত্রকারীরা ওত পেতে ছিল সহস্রবার। তার লালিত সপ্নপূরণে বাধা এসেছিল বারবার। নিজের জীবন বাজি রেখে কীভাবে একজন মানুষ শত প্রতিকূলতাকে তুচ্ছজ্ঞান করে এগিয়ে যেতে পারে, সারাবিশ্বে তিনি তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রেখেছেন। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধ্বংস করা হয়েছিল। আর সেই চেতনা পুনরুদ্ধারে সক্ষম হয়েছেন শেখ হাসিনা। অন্যদিকে একজন রাষ্ট্রনায়কের প্রধান কর্তব্য জনগণের সেবা করা যা বঙ্গবন্ধু তার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংগ্রাম আর সরকার প্রধান হিসেবে দেখিয়ে গেছেন। তার রাজনৈতিক জীবনের পুরোটাই দেশের মানুষের কল্যাণের কথা ভেবে কাটিয়েছেন। এখনো কাজ করে যাচ্ছেন। যার ফলশ্রুতিতে গত নির্বাচনে তার দল ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সংসদের ৩০০ আসনের ২৮৮টিতেই জয় লাভ করে।








আরও সংবাদ
https://www.dailyvorerpata.com/ad/BHousing_Investment_Press_6colX6in20200324140555 (1).jpg
https://www.dailyvorerpata.com/ad/last (2).gif
https://www.dailyvorerpata.com/ad/431205536-ezgif.com-optimize.gif
https://www.dailyvorerpata.com/ad/agrani.gif
সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক ভোরেরপাতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৮১৮৯১৪১, ৮১৮৯১৪২, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৮১৮৯১৪৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১৮৯১৪৩, ইমেইল: [email protected] [email protected]