শনিবার ● ১৬ জানুয়ারি ২০২১ ● ২ মাঘ ১৪২৭ ● ১ জমাদিউস সানি ১৪৪২
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
হোটেলে শারীরিক মিলন অতঃপর মদে বিষ মিশিয়ে স্বামীকে হত্যা
ভোরের পাতা ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২০, ৭:২৫ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

ছবি: নিহত ব্যবসায়ী আলমগীর

ছবি: নিহত ব্যবসায়ী আলমগীর

হবিগঞ্জ শহরের সিনেমা হল রোডে ‘সিহাব রেস্ট হাউজে’ আলমগীর মিয়া (৩০) এর মৃত্যুর রহস্য ৫ মাস পর উদঘাটন হয়েছে। তার দ্বিতীয় স্ত্রী তানিয়া আক্তার আদালতে ১৬৪ ধারার জবানবন্দি দিলে এ রহস্য উদঘাটন হয়। হত্যাকারী স্ত্রী তানিয়া বানিয়াচং উপজেলার ইকরাম গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে সে কারাগারে আছে।

গত ৩০ নভেম্বর সোমবার বিকেলে বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তার জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়। জবানবন্দির বরাত দিয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম মঙ্গলবার রাতে ৯টায় এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে হত্যার মূল কারণ জানান।

তিনি বলেন, গত ২৩ জুলাই রাতে ওই হোটেলের ৩য় তলার ৩০১ নং রুমে মদের বোতলে বিষ মিশিয়ে আলমগীরকে খাওয়ানো হয়। এর আগে রাতে ওই হোটেলে স্বামী-স্ত্রী ‘র পরিচয়ে অবস্থান করেন এবং আলমগীরের সাথে বেশ কয়েকবার শারীরিক সম্পর্কও করেন তানিয়া। এক পর্যায়ে ২৪ জুলাই সকালে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৌসুমি ভদ্র তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত আলমগীর মিয়া শহরের সুলতান মাহমুদপুর গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে ও জেলা সাব রেজিস্ট্রার অফিসের স্ট্যাম্প ভেন্ডার।

যে কারণে এই হত্যাকাণ্ড ভালোবেসে এফিডেভিট করে দু’জন বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হন। কিন্তু তানিয়াকে স্ত্রীর মর্যাদা না দেয়ায় আলমগীরের প্রতি ক্ষুব্ধ হয় তানিয়া। এক পর্যায়ে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী কৌশলে তাকে নিয়ে ওই হোটেলে অবস্থান করেন। রাতে দুইজন শারীরিক মিলনে লিপ্ত হবার আগে তানিয়া কৌশলে আলমগীরকে মদ খাওয়ায়। ওই মদের বোতলে সে বিষ মিশিয়ে দেয়। আর এই বিষপান করে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে আলমগীর। হাসপাতাল থেকে সদর থানার ওসি তানিয়াকে আটক করে কোর্টে পাঠান।

অপরদিকে, আলমগীরের পিতার সন্দেহ হয় তার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। এ দিন রাতেই নিহত আলমগীরের পিতা হাজী আব্দুর রহিম বাদি হয়ে তানিয়াকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

হত্যা মামলার অভিযোগে হবিগঞ্জ সদর থানা পুলিশ তানিয়াকে আটক করে। পরে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে প্রাথমিকভাবে সে হত্যার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে।

পুলিশ তদন্তকালে জানতে পারে ইতোপূর্বে তানিয়ার অন্যত্র বিয়ে হয়েছিলো। তার দুইটি সন্তান আছে। ওই স্বামীকে তানিয়া নিজেই তালাক দিয়ে আলমগীরকে বিয়ে করে।







https://www.dailyvorerpata.com/ad/BHousing_Investment_Press_6colX6in20200324140555 (1).jpg
https://www.dailyvorerpata.com/ad/last (2).gif
https://www.dailyvorerpata.com/ad/431205536-ezgif.com-optimize.gif
https://www.dailyvorerpata.com/ad/agrani.gif
সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক ভোরেরপাতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৮১৮৯১৪১, ৮১৮৯১৪২, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৮১৮৯১৪৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১৮৯১৪৩, ইমেইল: [email protected] [email protected]