সোমবার ● ১৮ জানুয়ারি ২০২১ ● ৪ মাঘ ১৪২৭ ● ৩ জমাদিউস সানি ১৪৪২
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
মোহাম্মদপুরের আতংক মনির: পর্ব ০১
কমিশনার রাজীবের অপকর্ম চালিয়ে নিচ্ছেন আদাবরের মনির!
উৎপল দাস
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২০, ৮:১৯ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

কমিশনার রাজীবের অপকর্ম চালিয়ে নিচ্ছেন আদাবরের মনির!

কমিশনার রাজীবের অপকর্ম চালিয়ে নিচ্ছেন আদাবরের মনির!

ক্যাসিনো কেলেংকারিতে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকলেও মোহাম্মদপুরের সাবেক কমিশনার তারেকুজ্জামান রাজীবের অপকর্ম চালিয়ে নিচ্ছেন তারই ঘনিষ্ঠজন হিসাবে পরিচিত আদাবর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির। এই মনিরকে ঢাকা উদ্যানের পরিচালনা কমিটির সভাপতিও করা হয়েছে। জমি দখল, অর্থপাচার, নারী কেলেংকারি,বিএনপি-জামায়াতের সঙ্গে গভীর সম্পৃক্ততার অভিযোগও রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী এই আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে। মনিরুজ্জামান মনিরের নানা অপকর্ম নিয়ে ভোরের পাতার ধারাবাহিক প্রতিবেদনের আজ থাকছে প্রথম পর্ব। 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ক্যাসিনোকান্ডে গ্রেফতার হওয়া কমিশনার তারেকুজ্জামান রাজীবের সকল অপকর্মের দেখাশোনা করছেন মনিরুজ্জামান মনির। মোহাম্মদপুর-আদাবর এলাকার মাদক সম্রাট, ভূমিদস্যু হিসাবে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করছেন এই মনির। একসময় মনিরের চাচা বিএনপির ওয়ার্ড কমিশনার সলিমুল্লাহ সলুর সাথে রাজনীতি করতেন। এছাড়া মনিরের পাতানো দাদা আবু সাঈদ ব্যাপরীর সাথেও বিএনপি-জামায়াত আমলেই জমি দখলের কাজ শুরু করে। এরপর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে পরিবারের অনেকেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে থাকে বলে সেখানে চলে যান। এরপর সুকৌশলে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান এবং তার ছেলেকে ৫০ লাখ টাকা দিয়ে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় হন। এক্ষেত্রে সাদেক খানের নির্বচনের সময় আরো প্রায় ১ কোটি টাকা খরচ করেছেন বলেও দাবি করেছে নির্ভরযোগ্য সূত্র। দেশে দুর্নীতি বিরোধী অভিযান শুরু হলে আবারো আমেরিকায় চলে যান মনির। 

পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে দেশে ফিরেই ঢাকা উদ্যান, নবীনগর হাউজিং এবং চন্দ্রিমা উদ্যানে বেপোরোয়া দখল বাণিজ্য শুরু করেন। মনিরের বিরুদ্ধে শুধু মোহাম্মদপুর থানা ও আদালতে চাঁদাবিাজি, জবরদখল, মাদক, অস্ত্র, নারী নির্যাতন এবং সংঘবন্ধ চোর দলের পৃ্ষ্ঠপোষক বলে অভিযোগ রয়েছে। এমনকি প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর জন্য ছিন্নমূল নারীদেরও ব্যবহার করেন তিন। মাতাল অবস্থায় ইয়াবা এবং দুই নারীসহ খিওগাঁও থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তারও করেছিল।তার বিরুদ্ধে অর্ধশতাধিক মামলা এবং সাধারণ ডায়েরি রয়েছে। কমপক্ষে ১০ টি মামলার নথি ভোরের পাতার হাতে এসেছে।বিতর্কিত এই আওয়ামী লীগ নেতা মনিরুজ্জামান মনিরের মাদক ব্যবসা দেখাশোনা করেন তার ম্যানেজার মাসুদ। এই মাসুদের বিরুদ্ধেও বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকা পরও পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করছে না। 

এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে বুধবার রাতে মনিরুজ্জামান মনিরকে ফোন করা হলে তিনি ফোন ধরেননি। পরবর্তীতে নিজেই ফোন ব্যাক করে দীর্ঘ ১৩ মিনিট ৬ সেকেন্ড এ প্রতিবেদকের সাথে কথা বলেন। সকল অভিযোগকে মিথ্যা দাবি করেন এবং ঢাকা উদ্যানের সভাপতি হিসাবে তিনি গত ১ বছরে কি কি উন্নয়ন করেছেন তার ফিরিস্তি তুলে ধরেন। তবে তার পিতা একজন মুক্তিযোদ্ধা এবং মোহাম্মদপুর এলাকায় যখন আওয়ামী লীগ করার কোনো লোক ছিল না তখন আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতেন বলে দাবি করেন। তার প্রতিপক্ষরা মিথ্যাচার করছেন বলেও দাবি করেন মনিরুজ্জামান মনির।

আগামী পর্বে: ভূমি দখল আর নারী কেলেংকারিতে রেকর্ড মনিরের







আরও সংবাদ
https://www.dailyvorerpata.com/ad/BHousing_Investment_Press_6colX6in20200324140555 (1).jpg
https://www.dailyvorerpata.com/ad/last (2).gif
https://www.dailyvorerpata.com/ad/431205536-ezgif.com-optimize.gif
https://www.dailyvorerpata.com/ad/agrani.gif
সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক ভোরেরপাতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৮১৮৯১৪১, ৮১৮৯১৪২, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৮১৮৯১৪৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১৮৯১৪৩, ইমেইল: [email protected] [email protected]