বুধবার ● ২৮ অক্টোবর ২০২০ ● ১২ কার্তিক ১৪২৭ ● ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪২
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
বঙ্গবন্ধুর প্রতিচ্ছবি ছিলেন শেখ রাসেল
#বঙ্গবন্ধুর মতো প্রিন্সকোট পরিধান করতেন শেখ রাসেল: ড. বীরেন শিকদার। #শেখ রাসেলের রক্তের ঋণ শোধ হবে যেদিন শিশু নির্যাতন হবে না: নুজহাত চৌধুরী। #জাতি হিসাবে বঙ্গবন্ধু পরিবারের কাছে আমরা ঋণী: হাসনাত মিয়া। #শেখ রাসেল হয়ে উঠেছিলেন হাসু আপার কলিজার টুকরো: নাসির উদ্দিন আহমেদ।
সিনিয়র প্রতিবেদক
প্রকাশ: রোববার, ১৮ অক্টোবর, ২০২০, ১০:২০ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

বঙ্গবন্ধুর প্রতিচ্ছবি ছিলেন শেখ রাসেল

বঙ্গবন্ধুর প্রতিচ্ছবি ছিলেন শেখ রাসেল

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিপূর্ণ প্রতিচ্ছবি ছিলেন তার কনিষ্ঠ সন্তান শেখ রাসেল। মাত্র ১০ বছর বয়সে তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছিল। কোনো রাজনৈতিক হত্যার উদ্দেশ্যে পরিচালিত হত্যাকাণ্ডে এমন একজন শিশুকে পৃথিবীর কোথাও হত্যা করা হয়নি। শেখ রাসেলের রক্তের ঋণ শোধ হবে সেদিনই যেদিন এদেশের সকল শিশু সুরক্ষিত হবে। দৈনিক ভোরের পাতার নিয়মিত আয়োজন ভোরের পাতা সংলাপের ১৩১ তম পর্বে আলোচকরা এসব কথা বলেন। রবিবার (১৮ অক্টোবর) আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদার, শহীদ বুদ্ধিজীবী পরিবারের সন্তান এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চক্ষু বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. নুজহাত চৌধুরী এবং জার্মান দূতাবাসের গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনারারি কনস্যুলেট ইঞ্জিনিয়ার হাসনাত মিয়া। দৈনিক ভোরের পাতার সম্পাদক ও প্রকাশক ড. কাজী এরতেজা হাসানের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনা করেন সাবেক তথ্য সচিব নাসির উদ্দিন আহমেদ।

বীরেন শিকদার বলেন, আমি প্রথমেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, ১৫ আগস্টে শাহাদাতবরণকারী সকল শহীদ, মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ বুদ্ধিজীবী, জাতীয় চার নেতা, সম্ভ্রম হারানো দুই লাখ মা বোনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আজকের আলোচনায় অংশ নিতে চাই। আমি দৈনিক ভোরের পাতাকে ধন্যবাদ জানাই আজকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ সন্তান শেখ রাসেলের জন্মদিনে এই আলোচনায় আমন্ত্রণ জানানোর জন্য। মাত্র ১০ বছর বয়সে শেখ রাসেলকে যেভাবে হত্যা করা হয়েছে, এমন নারকীয় ঘটনা পৃথিবীর কোথাও নেই। পৃথিবীর অনেক দেশেই সামরিক অভ্যুত্থানে রাষ্ট্রনায়কদের হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সবাইকে যেভাবে হত্যা করা হয়েছে, এমন নজির কোথাও নেই। কারবালার ময়দানেও কোনো নারীকে হত্যা করা হয়নি। কিন্তু শেখ রাসেল এবং নারীদের হত্যা করে এ হত্যাকাণ্ড কারবালাকেও হার মানিয়েছে। আমাদের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং শেখ রেহানা আপা বিদেশে থাকায় বেঁচে যান। এ কারণেই শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল হয়েছে। শেখ রাসেল বেঁচে থাকলে তার প্রিয় হাসু আপার পাশে দাঁড়িয়ে বাঙালি জাতিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য অগ্রযাত্রায় সামিল হতেন। তিনিও অবদান রাখতে পারতেন দেশের উন্নয়নের ক্ষেত্রে। আমাদের বিরুদ্ধের পক্ষ অনেকেই বলতেন, বঙ্গবন্ধু নেতৃত্ব দিয় দেশ স্বাধীন করেছেন, নেতা হিসাবে তিনি সেরা, কিন্তু রাষ্ট্রনায়ক হিসাবে প্রশাসক হিসাবে তিনি সফল ছিলেন না। বঙ্গবন্ধু মাত্র সাড়ে তিন বছর দেশ শাসনের সুযোগ পেয়েছিলেন। আজ শেখ হাসিনা দেখিয়ে দিয়েছেন, কিভাবে একজন দক্ষ প্রশাসক হিসাবে দেশকে এগিয়ে নিতে হয়। শেখ রাসেলকে যদি আমরা দেখি, বঙ্গবন্ধুর মতোই সকল গুণ পেয়েছিলেন। তিনিও সবার সঙ্গে মিলে মিশে খেতেন। বঙ্গবন্ধুর মতো শেখ রাসেলও প্রিন্স কোট পরিধান করতেন। শেখ রাসেল বেঁচে থাকলে আজকের বাংলাদেশের উন্নয়ন আরো তরান্বিত হতো। 

ডা. নুজহাত চৌধুরী বলেন, আজকের দিনে শেখ রাসেল যদি বেঁচে থাকতেন তার বয়স হতো ৫৭ বছর। এই বয়সে তিনি কর্মময় জীবন শেষ করে অবসরের পথে থাকতেন। একটা জীবনকে প্রস্ফুটিত হতে দেয়া হয়নি। এখনো আমাদের সামনে ছোট্ট রাসেলকেই দেখতে পাই। তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। পৃথিবীতে অনেক রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর পরিবারের শিশু, গর্ভবতী নারীদেরও নৃশংসভাবে হত্যা করার কোনো ইতিহাস খুঁজে পাওয়া যাবে না। ছোট্ট রাসেলের কি দোষ ছিল, আরজু মনি গর্ভবতী ছিলেন, কি অপরাধ ছিল তার অনাগত সন্তানের। আমাদের সমাজে মানবিক চেতনাবোধ থেকে যদি দেখি, এই ছোট্ট ছেলেটির মৃত্যুর শেষ মুহূর্তের দিকটা পর্যবেক্ষণ করি তাহলে দেখতে পাবো, বঙ্গবন্ধু, বঙ্গমাতাকে হত্যার এক ঘন্টা পর তাকে হত্যা করা হয়েছিল। রাসেল তার মায়ের কাছে যেতে চেয়েছিল। একজন দানব ছাড়া সবারই এমন একজন দশ বছরের শিশুর প্রতি মায়া হবে। সে যখন মায়ের কাছে যেতে চাওয়ার পর সিঁড়িতে বাবার লাশ দেখলো, নিচ তলায় বড় ভাইয়ের লাশ দেখলো; এরপর মায়ের লাশের পাশে নিয়ে গুলি করা হলো। কিন্তু ইতিহাসের কি নির্মমতা দেখুন, ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ করে খুনিদের বিচারের পথ রুদ্ধ করে দিয়েছিল। খুনিদের পুরষ্কৃত করে এ্যাম্বাসেডর করা হয়েছিল। এই হত্যার পর আইনের যে অবক্ষয় হয়েছে, সংবিধানকে ভুলণ্ঠিত করা হয়েছিল সে কারণে বেনিফিসিয়ারিদের বিচার করতে হবে। কমিশন গঠন করে খুনিরা মারা গেলেও তাদের মুখোশ উন্মোচনে করে মরণের ওপরে হলে বিচারিক প্রক্রিয়ায় খুনির তকমা দিতে হবে। আমরা এখন শেখ রাসেলের রক্তের ঋণ সেদিনই শোধ হবে যেদিন বাংলাদেশে কোনো শিশু নির্যাতন হবে না। আমরা এখন তার আত্নার শান্তি কামনা করতেই পারি। প্রতিটি শিশু সুরক্ষিত হবে এবং দুধে ভাতে যেদিন থাকবে সেদিনই রাসেলের রক্তদান সফল হবে। 

হাসনাত মিয়া বলেন, আজকে আমাদের আনন্দের দিন হওয়ার কথা ছিল। কারণ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ সন্তান শেখ রাসেলের ৫৭ তম জন্মদিন। আল্লাহর অশেষ রহমতে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট আমাদের বঙ্গবন্ধু কন্যা, জননেত্রী, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জার্মানিতে ছিলেন। সেদিন আল্লাহর ওহি নাজিল হয়েছিল বলেই বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা বেঁচে গিয়েছিলেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কারণে আমরা বিশ্বব্যাপী পরিচিতি পেয়েছিলাম। ঠিক তেমনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে। শেখ রাসেল ১৯৬৪ সালের ১৮ অক্টোবর জন্মেছিলেন। আমার সৌভাগ্য হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ছোট আপা শেখ রেহানার কাছ থেকে শুনতে পেরেছি ওইদিনের ঘটনা নিয়ে। তারা সব সময়ই বলেন, কি অপরাধ করেছিল আমাদের ছোট্ট রাসেল। হত্যাকারীরা ছোট্ট রাসেলকেও ক্ষমা করেনি। বঙ্গবন্ধুর পরিবারের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ। বঙ্গবন্ধু মানুষের মতো মানুষ করার জন্যই নোবেল বিজয়ী বার্ট্রান্ড রাসেলের নামকরণ অনুযায়ী। আমরা যারা নতুন প্রজন্ম তাদের জানা উচিত, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের পর ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ এবং রাজাকার শাহ আজিজের সংবিধানের ৫ম সংশোধনীর মাধ্যমে জাতিকে কলংকিত করেছিল। এখনো যারা স্বাধীনতা বিরোধীরা কৃত্রিম সংকট তৈরি করার চেষ্টা করছে, তাদের রুখতে প্রাথমিক পর্যায় থেকে শিক্ষাক্ষেত্রে অন্তুভুক্ত করতে হবে। শোককে শক্তিতে পরিণত করার শিক্ষা আমরা বঙ্গবন্ধুর কাছ থেকেই পেয়েছি। শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে আসেন নানা বাধাকে ডিঙিয়ে। তখন আওয়ামী লীগের অবস্থা খুবই বাজে ছিল। তিনি নিজের বাড়িতেও যেতে পারেননি। বিচারহীনতার যে সংস্কৃতি বাংলাদেশে সৃষ্টি হয়েছিল ১৯৭৫ এর পর, সেটা কাটিয়ে উঠে বাংলাদেশে এখন আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বের কারণেই বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল। শেখ হাসিনার কারণেই বাংলাদেশে গণতন্ত্র মুক্তি পেয়েছে। বাংলাদেশে ১৯৭৫ সালে অনেক বিজ্ঞ লোক ছিল, আইনজীবী, মানবাধিকার কর্মী ছিলেন, কিন্তু কেউই আওয়াজ তুলেননি বঙ্গবন্ধুর পরিবারের হত্যার বিচার চেয়ে। আজ শেখ রাসেল বেঁচে থাকলে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথ আরো সুগম হতো। আমি ৩৫ বছর ধরে বিদেশে থাকি। এখন জার্মানিরা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করার আগ্রহ দেখাচ্ছে। যে বাংলাদেশ ১০ বছরে শেখ হাসিনার সুশাসনের কারণে এগিয়ে গেছে। অনেকেই বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে কেন্দ্র করে জল ঘোলা করার চেষ্টা করছে। এদের বিষয়ে আরো সতর্ক থাকার অনুরোধ করছি। জাতি হিসাবে বঙ্গবন্ধু পরিবারের কাছে আমরা ঋণী।

নাসির উদ্দিন আহমেদ বলেন, শেখ রাসেল পৃথিবীর আলো দেখার সময় সম্ভবত আগে দেখেছিল ‘হাসু আপু’র মুখ। শেখ হাসিনার আদর-স্নেহেই বড় হয়ে উঠছিল রাসেল। এটা বুঝতে কষ্ট হয় না যে, রাসেল হয়ে উঠেছিল শেখ হাসিনার ‘কলিজার টুকরা’। এই ভাইটিকে হারানোর দুঃসহ বেদনা যে ভোলার নয়! এই দুঃখভার বুকে নিয়ে, উদ্গত কান্না চেপে দেশ পরিচালনার গুরুদায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে তাকে। আজ যারা বিচারহীনতার কথা বলে, যারা আইনের শাসন নিয়ে কুম্ভীরাশ্রু বর্ষণ করে তারা কিন্তু রাসেল হত্যার বিচার বন্ধের বিরুদ্ধে টুঁ শব্দ করেননি। আমরা এখন কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, তথ্যপ্রযুক্তি নিয়ে চিন্তা করছি, কাজ করতে পারছি। শেখ রাসেল বেঁচে থাকলে হয়তো তিনিও সামিল হতেন বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ বিনির্মাণে। ভিশন ২০২১, ২০৩০, ২০৪১, ডেল্টা প্ল্যান, চতুর্থ শিল্পবিপ্লব নিয়ে তার বোন বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা, সজীব ওয়াজেদ জয় এখন যেমন দেশের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন, বেঁচে থাকলে তিনিও নিঃসন্দেহে নিজেকে দেশের জন্য নিয়োজিত রাখতেন। তিনি হয়তো বিজ্ঞানী অথবা জাতির পিতার মতো বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার কাণ্ডারী হতেন। কিংবা হতে পারতেন বার্ট্রান্ড রাসেলের মতোই স্বমহিমায় উজ্জ্বল বিশ্বমানবতার প্রতীক। শিশু রাসেলকে হত্যা করার মধ্য দিয়ে ঘাতকরা মানব সভ্যতার ইতিহাসে জঘন্যতম অপরাধ করেছে। এ ধরনের নিষ্ঠুর ‘মার্সি কিলিং’ শুধু রাসেলের জীবনকেই কেড়ে নেয়নি, সেই সঙ্গে ধ্বংস করেছে তার সব অবিকশিত সম্ভাবনাও। মানবাধিকার রক্ষার নামে যারা বিভিন্ন সময়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে আঙুল তোলেন। সমালোচনায় তুলেন বিতর্কের ঝড়। আজ পর্যন্ত সেই সুশীল সমাজের কয়জন শিশু রাসেল হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে কথা বলছেন? বিচার চেয়েছেন সেই হত্যাকাণ্ডের? ইতিহাসের খলনায়ক জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা করে বিভিন্ন দূতাবাসে পদায়ন করেছেন খুনিদের। সেই জিয়াউর রহমানের বিচার দাবি করেছেন বা সমালোচনা করেছেন ক'জন মানবাধিকার নেতা? সেই দিন মানবাধিকার ছিলো প্রশ্নবিদ্ধ। বঙ্গবন্ধুর হত্যার নীল নকশাকারী ও নেপথ্য কুশীলবদের মুখোশ উন্মোচন আজ সময়ের দাবি, ঠিক তেমনি শিশু রাসেলের হত্যাকারীদের মুখোশ উন্মোচন করা হোক। শিশু রাসেল আজ শিশু অধিকার আদায়ের প্রতীক। যখনই গণমাধ্যমে শিশু নির্যাতন বা হত্যার খবর প্রকাশিত হয়, আমাদের চোখে ভেসে ওঠে রাসেলের প্রতিচ্ছবি। আমরা চাই শিশুর অধিকার, তাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খাদ্য ও বাসযোগ্য পৃথিবী নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিশু নির্যাতন বন্ধের কার্যকরী পদক্ষেপ নেবেন সরকার। শিশুদের অধিকার আদায়ের প্রতীক হয়ে সবার মাঝে বেঁচে থাক শেখ রাসেল। শেখ রাসেলের শুভ জন্মদিনে এমন প্রত্যাশা সকলের।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »






https://www.dailyvorerpata.com/ad/BHousing_Investment_Press_6colX6in20200324140555 (1).jpg
https://www.dailyvorerpata.com/ad/last (2).gif
https://www.dailyvorerpata.com/ad/431205536-ezgif.com-optimize.gif
https://www.dailyvorerpata.com/ad/agrani.gif
সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক ভোরেরপাতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৮১৮৯১৪১, ৮১৮৯১৪২, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৮১৮৯১৪৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১৮৯১৪৩, ইমেইল: vorerpata24@gmail.com news@dailyvorerpata.com