বুধবার ● ২১ অক্টোবর ২০২০ ● ৫ কার্তিক ১৪২৭ ● ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪২
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
জাতি হিসাবে বঙ্গবন্ধু পরিবারের কাছে আমরা ঋণী: হাসনাত মিয়া
সিনিয়র প্রতিবেদক
প্রকাশ: রোববার, ১৮ অক্টোবর, ২০২০, ১০:২০ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

জাতি হিসাবে বঙ্গবন্ধু পরিবারের কাছে আমরা ঋণী: হাসনাত মিয়া

জাতি হিসাবে বঙ্গবন্ধু পরিবারের কাছে আমরা ঋণী: হাসনাত মিয়া

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিপূর্ণ প্রতিচ্ছবি ছিলেন তার কনিষ্ঠ সন্তান শেখ রাসেল। মাত্র ১০ বছর বয়সে তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছিল। কোনো রাজনৈতিক হত্যার উদ্দেশ্যে পরিচালিত হত্যাকাণ্ডে এমন একজন শিশুকে পৃথিবীর কোথাও হত্যা করা হয়নি। শেখ রাসেলের রক্তের ঋণ শোধ হবে সেদিনই যেদিন এদেশের সকল শিশু সুরক্ষিত হবে। দৈনিক ভোরের পাতার নিয়মিত আয়োজন ভোরের পাতা সংলাপের ১৩১ তম পর্বে আলোচকরা এসব কথা বলেন। রবিবার (১৮ অক্টোবর) আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদার, শহীদ বুদ্ধিজীবী পরিবারের সন্তান এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চক্ষু বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. নুজহাত চৌধুরী এবং জার্মান দূতাবাসের গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনারারি কনস্যুলেট ইঞ্জিনিয়ার হাসনাত মিয়া। দৈনিক ভোরের পাতার সম্পাদক ও প্রকাশক ড. কাজী এরতেজা হাসানের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনা করেন সাবেক তথ্য সচিব নাসির উদ্দিন আহমেদ।

হাসনাত মিয়া বলেন, আজকে আমাদের আনন্দের দিন হওয়ার কথা ছিল। কারণ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ সন্তান শেখ রাসেলের ৫৭ তম জন্মদিন। আল্লাহর অশেষ রহমতে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট আমাদের বঙ্গবন্ধু কন্যা, জননেত্রী, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জার্মানিতে ছিলেন। সেদিন আল্লাহর ওহি নাজিল হয়েছিল বলেই বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা বেঁচে গিয়েছিলেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কারণে আমরা বিশ্বব্যাপী পরিচিতি পেয়েছিলাম। ঠিক তেমনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে। শেখ রাসেল ১৯৬৪ সালের ১৮ অক্টোবর জন্মেছিলেন। আমার সৌভাগ্য হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ছোট আপা শেখ রেহানার কাছ থেকে শুনতে পেরেছি ওইদিনের ঘটনা নিয়ে। তারা সব সময়ই বলেন, কি অপরাধ করেছিল আমাদের ছোট্ট রাসেল। হত্যাকারীরা ছোট্ট রাসেলকেও ক্ষমা করেনি। বঙ্গবন্ধুর পরিবারের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ। বঙ্গবন্ধু মানুষের মতো মানুষ করার জন্যই নোবেল বিজয়ী বার্ট্রান্ড রাসেলের নামকরণ অনুযায়ী। আমরা যারা নতুন প্রজন্ম তাদের জানা উচিত, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের পর ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ এবং রাজাকার শাহ আজিজের সংবিধানের ৫ম সংশোধনীর মাধ্যমে জাতিকে কলংকিত করেছিল। এখনো যারা স্বাধীনতা বিরোধীরা কৃত্রিম সংকট তৈরি করার চেষ্টা করছে, তাদের রুখতে প্রাথমিক পর্যায় থেকে শিক্ষাক্ষেত্রে অন্তুভুক্ত করতে হবে। শোককে শক্তিতে পরিণত করার শিক্ষা আমরা বঙ্গবন্ধুর কাছ থেকেই পেয়েছি। শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে আসেন নানা বাধাকে ডিঙিয়ে। তখন আওয়ামী লীগের অবস্থা খুবই বাজে ছিল। তিনি নিজের বাড়িতেও যেতে পারেননি। বিচারহীনতার যে সংস্কৃতি বাংলাদেশে সৃষ্টি হয়েছিল ১৯৭৫ এর পর, সেটা কাটিয়ে উঠে বাংলাদেশে এখন আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বের কারণেই বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল। শেখ হাসিনার কারণেই বাংলাদেশে গণতন্ত্র মুক্তি পেয়েছে। বাংলাদেশে ১৯৭৫ সালে অনেক বিজ্ঞ লোক ছিল, আইনজীবী, মানবাধিকার কর্মী ছিলেন, কিন্তু কেউই আওয়াজ তুলেননি বঙ্গবন্ধুর পরিবারের হত্যার বিচার চেয়ে। আজ শেখ রাসেল বেঁচে থাকলে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথ আরো সুগম হতো। আমি ৩৫ বছর ধরে বিদেশে থাকি। এখন জার্মানিরা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করার আগ্রহ দেখাচ্ছে। যে বাংলাদেশ ১০ বছরে শেখ হাসিনার সুশাসনের কারণে এগিয়ে গেছে। অনেকেই বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে কেন্দ্র করে জল ঘোলা করার চেষ্টা করছে। এদের বিষয়ে আরো সতর্ক থাকার অনুরোধ করছি। জাতি হিসাবে বঙ্গবন্ধু পরিবারের কাছে আমরা ঋণী।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »






আরও সংবাদ
https://www.dailyvorerpata.com/ad/BHousing_Investment_Press_6colX6in20200324140555 (1).jpg
https://www.dailyvorerpata.com/ad/last (2).gif
https://www.dailyvorerpata.com/ad/431205536-ezgif.com-optimize.gif
https://www.dailyvorerpata.com/ad/agrani.gif
সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক ভোরেরপাতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৮১৮৯১৪১, ৮১৮৯১৪২, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৮১৮৯১৪৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১৮৯১৪৩, ইমেইল: vorerpata24@gmail.com news@dailyvorerpata.com