বৃহস্পতিবার ● ৩ ডিসেম্বর ২০২০ ● ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ ● ১৬ রবিউস সানি ১৪৪২
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
১৪ বছর ধরে সড়ক ও জনপদ বিভাগের অবহেলায় কোটি টাকার ফেরি
আনোয়ারার শঙ্খের পাড়ে ভাঙ্গা ফেরি, আটকে আছে বেড়িবাঁধের কাজ!
রেজাউল করিম সাজ্জাদ, আনোয়ারা (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
প্রকাশ: রোববার, ১৮ অক্টোবর, ২০২০, ৬:১৭ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

আনোয়ারার শঙ্খের পাড়ে ভাঙ্গা ফেরি, আটকে আছে বেড়িবাঁধের কাজ!

আনোয়ারার শঙ্খের পাড়ে ভাঙ্গা ফেরি, আটকে আছে বেড়িবাঁধের কাজ!

সড়ক ও জনপদ বিভাগের অযত্ন আর অবহেলায় নষ্ট হয়ে চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার তৈলারদ্বীপ সেতু এলাকার শঙ্খ নদীর পাড়ে পড়ে আছে কোটি টাকার ফেরি। মরিচা পড়ে ক্ষয় হয়ে সে গুলো রাতের আধারে চুরি হচ্ছে মূল্যবান যন্ত্রাংশ। চুরি থেকে রেহাই পাচ্ছে না নাটবল্টুও। সংরক্ষণের অভাবে একটি ফেরি হারিয়ে গেছে ইতিমধ্যে। নষ্ট ফেরির কারণে আটকে আছে বেড়িবাঁধ নির্মাণের কাজও। দখলে চলে গেছে আশপাশের জায়গাও।

আশির দশকে সরকার আনোয়ারা-বাঁশখালীর মানুষের যাতায়াতের কষ্ট লাঘব করতে তৈলারদ্বীপ-চানপুর নৌঘাটে ফেরি চালু করে। ২০০১ সালে আওয়ামীলীগ সরকার ফেরি ঘাটসংলগ্ন এলাকায় সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু করে। ওই বছর ১৭ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেতুর নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন। পরে ২০০৬ সালের ২৯ আগস্ট সেতুটি উদ্বোধন করা হয়। সেতু চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ হয়ে যায় শঙ্খ নদে চলাচলকারী কোটি টাকা মূল্যে দুটি ফেরি। সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) এই দুটি ফেরি তৈলারদ্বীপ ঘাটেই পড়ে আছে প্রায় ১৪ বছর ধরে। ফেরি দুটি পাহারা দেওয়ার জন্যও সওজের নেই কোনো কর্মী।
আনোয়ারার শঙ্খের পাড়ে ভাঙ্গা ফেরি, আটকে আছে বেড়িবাঁধের কাজ!

আনোয়ারার শঙ্খের পাড়ে ভাঙ্গা ফেরি, আটকে আছে বেড়িবাঁধের কাজ!

রবিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে সরেজমিন গিয়ে ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, দুটি ফেরির মধ্যে একটি ফেরির দেখা নেই। অপর ফেরির পন্টুনের একাংশ ডুবে আছে নদের পানিতে। ফেরির বাকি অংশে স্থানীয় লোকজন খড়ের গাদা ও গোবর শুকাতে দিয়েছে। সেতু উদ্বোধণের ১৪ বছর পার হলেও এ ফেরি গুলো অপসারণ বা রক্ষায় কোন উদ্যোগ নেয়নি কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘ সময় অযতœ আর অবহেলায় কাদা মাটির সঙ্গে মিশে নষ্ট হচ্ছে ফেরি। রাতের আধারে ফেরির বিভিন্ন মূল্যবান যন্ত্রাংশ চুরি হয়ে গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আবু তাহের জানান, সেতু চালু হওয়ার পর থেকে ফেরিগুলো নদীর পাড়ে পড়ে আছে। লবণাক্ত পানি আর মাটির নিচে পড়ে ফেরি গুলো দিনে দিনে ক্ষয় হয়ে গেছে। এ ফেরি গুলো এখন আর  কোন কাজে আসবে না। রাতের আধারে ফেরির বিভিন্ন মূল্যবান যন্ত্রাংশ চুরি করে নিয়ে গেছে অনেকেই। ফেরিতে ছোট ছেলে মেয়ে খেলাধুলা বা নদীতে মাছ ধরতে গেছে হাত পা কেটে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ফেরির কারণে নদীর পাড়ে বেড়িবাঁধ নিমার্ণ হলেও এখানে এসে থেমে গেছে উন্নয়ন কাজ।

স্থানীয় বারখাইন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি সদস্য মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এটি সরকারের মূল্যবান সম্পদ। অযত্ন আর   অবহেলায় নষ্ট হয়ে গেছে এ সম্পদ। যে বাকি অংশ গুলো এখনো রয়েছে গেছে এ গুলো রক্ষাণাবেক্ষণ করা প্রয়োজন কর্তৃপক্ষের।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে দোহাজী সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী সুমন সিংহ বলেন, মেকানিক্যাল ক্রটির কারণে এ ফেরি দুটি সড়ানো হয়নি। শীঘ্রই  মাধ্যমে সড়ানো হবে।


« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »






https://www.dailyvorerpata.com/ad/BHousing_Investment_Press_6colX6in20200324140555 (1).jpg
https://www.dailyvorerpata.com/ad/last (2).gif
https://www.dailyvorerpata.com/ad/431205536-ezgif.com-optimize.gif
https://www.dailyvorerpata.com/ad/agrani.gif
সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক ভোরেরপাতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৮১৮৯১৪১, ৮১৮৯১৪২, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৮১৮৯১৪৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১৮৯১৪৩, ইমেইল: [email protected] [email protected]