বৃহস্পতিবার ● ২৯ অক্টোবর ২০২০ ● ১৩ কার্তিক ১৪২৭ ● ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪২
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
শেখ হাসিনার বাংলাদেশের ঐক্যের প্রতীকে পরিণত হয়েছেন: গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার
সিনিয়র প্রতিবেদক
প্রকাশ: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২০, ১০:০৯ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

শেখ হাসিনার বাংলাদেশের ঐক্যের প্রতীকে পরিণত হয়েছেন: গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার

শেখ হাসিনার বাংলাদেশের ঐক্যের প্রতীকে পরিণত হয়েছেন: গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার

শেখ হাসিনা এমন একজন রাজনীতিবিদ, সীমানা পেরিয়ে তিনি আজ বিশ্ব নেতা। শেখ হাসিনার হাতে যতদিন দেশ, পথ হারাবে না বাংলাদেশ। আসলেই কথাটা যথার্থ বটে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আছেন বলেই আমাদের সর্বশেষ আস্থার স্থল আছে, তিনি আমাদের ভরসার প্রতীক। সারা বিশ্ব যেখানে মাত্র একটি মাত্র দুর্যোগ নিয়ে মোকাবেলা করছে তখন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী একসাথে তিনটি দুর্যোগ মোকাবেলা করছে এবং করছে। করোনা, বন্যা ও কিছুদিন আগে হয়ে যাওয়া আম্পান মোকাবেলাও করে যাচ্ছেন তিনি। এতো কিছুর পরো শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় বয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। শেখ হাসিনার উন্নয়ন এখন বিস্ময়ের নাম।

শনিবার দৈনিক ভোরের পাতার নিয়মিত আয়োজন ভোরের পাতা সংলাপের ১৩০ তম পর্বে এসব কথা বলেন আলোচকরা। আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য এবং সংসদ সদস্য  গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার, বরিশাল-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এ্যাড. শেখ টিপু সুলতান, অপরাজেয় বাংলার সদস্য সচিব এইচ রহমান মিলু এবং যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালিতে কর্মরত প্রকৌশলী, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শৈবাল তালুকদার । দৈনিক ভোরের পাতার সম্পাদক ও প্রকাশক ড. কাজী এরতেজা হাসানের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনা করেন সাবেক তথ্য সচিব নাসির উদ্দিন আহমেদ।

গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার বলেন, জীবনের সাথে যুদ্ধ করেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজকের সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ছেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশকে প্রাণবায়ু দিয়েছিলেন, তারই সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ হিসাবে গড়ে তুলছেন। বাগেরহাট সুন্দরবন এলাকায় আমাদের এক সময় জুতা হাতে নিয়ে বাড়ি যেতে হতো। সেখানে এখন পাকা রাস্তা গড়ে দিয়েছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। নারীর ক্ষমতায়নে তিনি অনন্য অসাধারণ। তার হাত ধরেই সুন্দরবনের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম কোনো খ্রিষ্টান নারী হিসাবে আমাকে সংসদ সদস্য করেছেন। এক সময় সভ্য সমাজে আসতে আমাদের তিনবার পোশাক পরিবর্তন করতে হতো, আমার বাবা মা দুইপাশে দুইটা ছাতা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতেন, সেখানে আমি পোশাক পরিবর্তন করতাম। তারপর স্কুল কলেজে যেতাম। সেই অবস্থার পরিবর্তন ঘটিয়েছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। একসময় সচিবালয়ে নারীদের পদোন্নতি দেয়া হতো না, সেই অবস্থারও পরিবর্তন হয়েছে। এছাড়া সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি রাজনীতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ৩৩ শতাংশ নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে নির্দেশ দিয়েছেন। সাড়ে ১৭ কোটি মানুষের আশ্রয়স্থল তিনি। শেখ হাসিনা রাত দিন পরিশ্রম করে যাচ্ছেন বাংলাদেশের উন্নয়নের জন্য। জননেত্রী শেখ হাসিনা মানেই আজকের সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। যে সন্তানরা পিতামাতাকে দেখেন না, তাদের দায়িত্ব নিয়েছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। আমার এলাকায় একজন সবজি বিক্রি করেন, তিনি যখন শেখ হাসিনার বক্তব্য টিভিতে দেখেন। তিনি সবজি বিক্রি করার ভুলে যান। তৃণমূলের একজন মানুষের হৃদয়ে কতটা জায়গা করে নিয়েছেন শেখ হাসিনা। সমতল, পাহাড় থেকে শুরু করে সব খানেই জননেত্রী শেখ হাসিনা পৌঁছে গেছেন। তৃণমূলের জনগণ শেখ হাসিনাকে হৃদয় দিয়ে ভালোবাসেন। এর চেয়ে বেশি আর কি চাওয়ার আছে। তাকে নিয়ে বলে শেষ করা যাবে না। স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা তাকে বারবার বাঁচিয়ে দিয়েছেন। ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের মর্মান্তিক বিভীষিকা মনে পরলে আমাদের ঘুম আসে না। আমাদের জীবনের বিনিময়ে হলেও শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা করি। তিনি বেঁচে থাকলেই কেউ গৃহহীন থাকবে না, এখন আর কুপি বাতি দিয়ে পড়াশোনা করতে হয় না; শতভাগ বিদ্যুতায়নের পথেই রয়েছে বাংলাদেশ। শেখ হাসিনার হাত ধরেই বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে। তার নিখাদ দেশপ্রেম, মানবিকতা, দূরদর্শিতার কারণে তিনি এখন বিশ্বনেত্রীতে পরিণত হয়েছেন। তিনি বাংলাদেশিদের একমাত্র নিরাপদ আশ্রয়স্থল। তিনি বাংলাদেশের ঐক্যের প্রতীকে পরিণত হয়েছেন। 

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »






https://www.dailyvorerpata.com/ad/BHousing_Investment_Press_6colX6in20200324140555 (1).jpg
https://www.dailyvorerpata.com/ad/last (2).gif
https://www.dailyvorerpata.com/ad/431205536-ezgif.com-optimize.gif
https://www.dailyvorerpata.com/ad/agrani.gif
সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক ভোরেরপাতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৮১৮৯১৪১, ৮১৮৯১৪২, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৮১৮৯১৪৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১৮৯১৪৩, ইমেইল: vorerpata24@gmail.com news@dailyvorerpata.com