বৃহস্পতিবার ● ২৯ অক্টোবর ২০২০ ● ১৩ কার্তিক ১৪২৭ ● ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪২
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
ধর্ষণ মামলায় দেশে প্রথমবারের মতো ৫ ধর্ষককে মৃত্যুদণ্ড
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধনের পর ধর্ষণ মামলায় প্রথম মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করা হলো।
আব্দুস সাত্তার, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২০, ১২:৫৭ পিএম আপডেট: ১৫.১০.২০২০ ৮:২৯ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

ধর্ষণ মামলায় দেশে প্রথমবারের মতো ৫ ধর্ষককে মৃত্যুদণ্ড

ধর্ষণ মামলায় দেশে প্রথমবারের মতো ৫ ধর্ষককে মৃত্যুদণ্ড

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে মাদ্রাসাছাত্রীকে অপহরণের পর গণধর্ষণ মামলায় পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদ- দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার সকালে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল এ রায় দেন।একইসাথে দ-িত প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।গত মঙ্গলবার অধ্যাদেশে রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষর করার পর এটাই ধর্ষণ মামলায় দেশে কোনো মৃত্যুদ-ের প্রথম রায়।

মৃত্যুদ-প্রাপ্তরা হলেন,মধুপুর উপজেলার চারালজানী গ্রামের বদন চন্দ্র্র মণি ঋষির ছেলে সঞ্জিত,একই উপজেলার গোলাবাড়ি গ্রামের শ্রী দীগেন চন্দ্র শীলের ছেলে গোপি চন্দ্র শীল,একই এলাকার সুনীল চন্দ্র শীলের ছেলে সাগর চন্দ্র শীল,সুনিল মণি ঋষির ছেলে সুজন মণি ঋষি ও মণিন্দ্র চন্দ্রে ছেলে রাজন চন্দ্র।

রায় ঘোষণার সময় সঞ্জিত ও গোপি চন্দ্র শীল আদালতে উপস্থিত ছিলেন। মৃত্যুদ-প্রাপ্ত বাকি আসামিরা পলাতক রয়েছে।
রাষ্ট্রপক্ষে এই মামলা পরিচালনা করেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি নাছিমুল আকতার। আর মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান আজাদ মামলার শুরু করে শেষ পর্যন্ত ভিকটিমকে আইনি সহায়তা দেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি নাছিমুল আকতার জানান, ২০১২ সালে দন্ডিত আসামিদের মধ্যে সাগর চন্দ্র শীলের সঙ্গে মোবাইলে পরিচয় হয় ভূঞাপুর উপজেলার ছাব্বিশা গ্রামের ওই মাদ্রাসা ছাত্রীর। একই বছরের ১৫ জানুয়ারি ওই ছাত্রী সকালে বাড়ি থেকে মাদ্রাসা যাওয়ার পথে শালদাইর ব্রিজের কাছে পৌঁছলে সাগর কৌশলে একটি সিএনজিতে তাকে এলেঙ্গা নিয়ে যায়।

সেখান থেকে মধুপুরে চারাল জানী গ্রামে তার বন্ধু রাজনের বাড়িতে ওঠে। সেখানে তার চার বন্ধু ছাত্রীকে বিয়ের জন্য চাপ দেয়। সাগর হিন্দু বলে তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে মেয়েটি। এ কারণে ওই রাতে সাগর রাজনের বাড়িতে আটক রেখে    ধর্ষণ করে মেয়েটিকে।পরে ১৭ জানুয়ারি রাতে তাকে বংশাই নদীর তীরে নিয়ে সেখানে তারা পাঁচজনে মিলে পালাক্রমে ধর্ষণ করে ফেলে যায়।পরদিন ভোরে স্থানীয়দের সহায়তায় মেয়েটির স্বজনরা এসে উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় ওই ছাত্রী বাদী হয়ে ভুঞাপুর থানায় ১৮ জানুয়ারি দ-িতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।পরে পুলিশ সুজন মণি ঋষিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করে। ১৯ জানুয়ারি আসামি সুজন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। সুজন তার জবানবন্দিতে সাগর, রাজন, সঞ্জিত ও গবি চন্দ্র জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে।

পুলিশ তদন্ত শেষে ৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। ২০১৫ সালের ২৯ অক্টোবর আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়। বৃহস্পতিবার সকালে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল এ মামলার রায়ে ৫ জনের মৃত্যুদ- দিলেন আদালত

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »






https://www.dailyvorerpata.com/ad/BHousing_Investment_Press_6colX6in20200324140555 (1).jpg
https://www.dailyvorerpata.com/ad/last (2).gif
https://www.dailyvorerpata.com/ad/431205536-ezgif.com-optimize.gif
https://www.dailyvorerpata.com/ad/agrani.gif
সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক ভোরেরপাতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৮১৮৯১৪১, ৮১৮৯১৪২, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৮১৮৯১৪৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১৮৯১৪৩, ইমেইল: vorerpata24@gmail.com news@dailyvorerpata.com