বুধবার ● ২৮ অক্টোবর ২০২০ ● ১২ কার্তিক ১৪২৭ ● ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪২
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
মানুষের মনের নোবেল পেয়েছেন শেখ হাসিনা: হাসনাত মিয়া
সিনিয়র প্রতিবেদক
প্রকাশ: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১০:৩৩ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

মানুষের মনের নোবেল পেয়েছেন শেখ হাসিনা: হাসনাত মিয়া

মানুষের মনের নোবেল পেয়েছেন শেখ হাসিনা: হাসনাত মিয়া

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বের কাছে এখন অনুপ্রেরণার নাম। তিনি এখন উন্নয়নের ফিনিক্স পাখি। বিশ্বনেতায় তিনি পরিচিতি পেয়েছেন এবং বাংলাদেশকে গর্বিত করেছেন। নারীর ক্ষমতায়ন থেকে শুরু করে বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোল মডেল করতে গিয়ে কোনো দিন কারো কাছে মাথানত করেননি। শেখ হাসিনার হাতেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বাংলাদেশের গণতন্ত্র সবচে নিরাপদ। সেই গণতন্ত্রের মানস কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার আজ ৭৪তম জন্মবার্ষিকী। যিনি পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট একমাত্র বোন ছাড়া পরিবারের আত্মীয়-স্বজন সবাইকে হারিয়ে বুকভরা ব্যথা নিয়ে অসীম সাহসে গণমানুষের মুক্তির দূত হিসেবে শোকার্ত বাংলাদেশের ব্যথাতুর মানচিত্রের একপ্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে গণসংযোগ করে বেড়াচ্ছিলেন। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ভোরের পাতা সংলাপে এমনটাই দাবি করেছেন বক্তারা। ভোরের পাতার নিয়মিত আয়োজনের ১১১তম পর্বে আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য, এফবিসিসিআইর সাবেক সভাপতি এবং স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেডের বর্তমান চেয়ারম্যান কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, সংসদ সদস্য এবং সাবেক বাণিজ্য মন্ত্রী লে. কর্ণেল (অব.) ফারুক খান, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব) আব্দুর রশিদ, অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সামস-উল ইসলাম, জার্মান দূতাবাসের গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনারারি কনস্যুলেট ইঞ্জিনিয়ার হাসনাত মিয়া। দৈনিক ভোরের পাতার সম্পাদক ও প্রকাশক ড. কাজী এরতেজা হাসানের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনা করেন সাবেক তথ্য সচিব নাসির উদ্দিন আহমেদ।

হাসনাত মিয়া বলেন, আজকের এই অনুষ্ঠানে আমাকে দাওয়াত দেয়ার জন্য আমি ভোরের পাতার সম্পাদক ড. কাজী এরতেজা হাসানের প্রতি কৃতজ্ঞ। আমি বলতেই চাই, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হাসলেই বাংলাদেশ হাসে। আমি নেত্রীকে ফোন করেছিলাম। তাকে বলেছিলাম, তিনি হাসলে পুরো পৃথিবী হাসে। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। তার হাত ধরেই বাংলাদেশ শুধু গণতান্ত্রিক মুক্তি আসেনি। তার কারণেই এখন দেশে খাদ্যের অভাব নেই, বিদ্যুতের অভাব নেই। কৃষক সারের জন্য গুলি খেয়ে মারা যায়নি। শেখ হাসিনা এতটাই মানবিক নেত্রী, তিনি হয়তো আনুষ্ঠানিকভাবে নোবেল পাননি, কিন্তু মানুষের মনের নোবেল পেয়েছেন তিনি।   আল্লাহর অশেষ রহমতে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট আমাদের বঙ্গবন্ধু কন্যা, জননেত্রী, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জার্মানিতে ছিলেন। সেদিন আল্লাহর ওহি নাজিল হয়েছিল বলেই বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা বেঁচে গিয়েছিলেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কারণে আমরা বিশ্বব্যাপী পরিচিতি পেয়েছিলাম। ঠিক তেমনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর শেখ হাসিনা চাইলেই বিদেশে থাকতে পারতেন। কিন্তু তিনি ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে আসেন নানা বাধাকে ডিঙিয়ে। তখন আওয়ামী লীগের অবস্থা খুবই বাজে ছিল। ইডেন কমপ্লেক্সে যে সম্মেলনের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে আওয়ামী লীগের সভাপতি করা হয়েছিল, তখন সেখানে আমিও উপস্থিত ছিলাম। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যদি দেশে ফিরে না আসতেন, তাহলে বাংলাদেশের ইতিহাস অন্যরকম হতো। উনার ভিশনারী নেতৃত্বের কারণে আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধ হয়ে এগিয়ে গেছে। আমি যখন মতিঝিল থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিল, তখন দেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বিচারপতি আব্দুস সাত্তার। তিনি রাজনীতি নিষিদ্ধ করেছিলেন। তখন বঙ্গবন্ধুর নামও নেয়া যেত না। তখন মতিঝিলের এজিবি কলোনিতে প্রায় ৫ হাজার লোকের সমাগম করে শেখ রাসেল স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজন করেছিলাম। আমার সৌভাগ্য হয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যার পাশে থেকে রাজনীতি করার সুযোগ পেয়েছি। জার্মানি থাকা অবস্থায়ও জার্মান পার্লামেন্টে ওয়ান ইলেভেনের সময় শেখ হাসিনার মুক্তির জন্য কথা বলেছি। তার কারণেই বাংলাদেশ আজ নারী উন্নয়নে রোল মডেল। শেখ হাসিনার কারণেই বাংলাদেশে গণতন্ত্র মুক্তি পেয়েছে। তাকে কতবার হত্যা করার চেষ্টা করা হয়েছে। এক সময় আওয়ামী লীগে ভাঙন সৃষ্টির জন্য সামরিক জান্তারা কত কিছু করেছে, কিন্তু শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আরো শক্তিশালী হয়েছে। শেখ হাসিনা নিজের দলের অন্যায়কারীদেরও ছাড় দিচ্ছেন। তার কারণেই আমরা জানতে পারছি, কারা অপরাধী। তাদের শাস্তিও দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। চতুর্থবারের মতো সরকার প্রধান হয়ে তিনি বাংলাদেশকে পরিচালনা করছেন অত্যন্ত সুদক্ষভাবে। আজকে জার্মান সরকার বাংলাদেশের ভূয়সী প্রশংসা করছে। এমনকি জাপান সরকার দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচে বেশি বিনিয়োগ করেছে বাংলাদেশে। এই বিনিয়োগের পরিস্থিতি সৃষ্টি করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আমাদের প্রধানমন্ত্রী ৭৪ বছরে পদার্পণ করতে যাচ্ছেন, কিন্তু দেখুন তিনি কতটা পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। উনি সুস্থ থাকলেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »






আরও সংবাদ
https://www.dailyvorerpata.com/ad/BHousing_Investment_Press_6colX6in20200324140555 (1).jpg
https://www.dailyvorerpata.com/ad/last (2).gif
https://www.dailyvorerpata.com/ad/431205536-ezgif.com-optimize.gif
https://www.dailyvorerpata.com/ad/agrani.gif
সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক ভোরেরপাতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৮১৮৯১৪১, ৮১৮৯১৪২, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৮১৮৯১৪৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১৮৯১৪৩, ইমেইল: vorerpata24@gmail.com news@dailyvorerpata.com