বুধবার ● ২৮ অক্টোবর ২০২০ ● ১২ কার্তিক ১৪২৭ ● ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪২
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
পেটে ইয়াবা গলে মৃত্যু, ময়নাতদন্তের পর মিলল দেড় হাজার ইয়াবা!
প্রকাশ: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ৭:৪৭ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

পেটে ইয়াবা গলে মৃত্যু, ময়নাতদন্তের পর মিলল দেড় হাজার ইয়াবা!

পেটে ইয়াবা গলে মৃত্যু, ময়নাতদন্তের পর মিলল দেড় হাজার ইয়াবা!

পাকস্থলিতে ইয়াবা পাচার করে আনার পর পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার এক ব্যক্তি মারা গেছেন। পরে তার লাশের ময়নাতদন্তের সময় পাকস্থলিতে ১ হাজার ৫৫০টি ইয়াবা বড়ি পাওয়া গেছে। মোট ৩১টি প্যাকেটে ইয়াবাগুলো ছিল।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজের (রামেক) মর্গে আবদুস শুকুর (৩৭) নামে ওই ব্যক্তির লাশের ময়নাতদন্ত করা হয়।

শুকুরের বাড়ি কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাজারপাড়া এলাকায়। তার বাবার নাম মোক্তার আহমেদ।

২৩ সেপ্টেম্বর পাবনা হাসপাতাল রোড এলাকা থেকে আরও তিনজনের সঙ্গে শুকুরকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। রবিবার রাত ১১টার দিকে শুকুর রামেক হাসপাতালে মারা যান। পরে ময়নাতদন্তের সময় তার পেট থেকে ইয়াবা উদ্ধার হয়।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসিম আহমেদ জানান, শুকুর টেকনাফ থেকে পেটে ইয়াবা নিয়ে পাবনায় বিক্রি করতে এসেছিলেন। পাবনার স্থানীয় তিনজন মাদক ব্যবসায়ীর সঙ্গে ডিবি পুলিশ শুকুরকে গ্রেপ্তার করে। ওই সময় তাদের কাছে ১৫০ ইয়াবা পাওয়া যায়। কিন্তু পুলিশের কাছে তথ্য ছিল এদের কাছে ইয়াবা আছে আরও অনেক বেশি। তাই তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। একপর্যায়ে তারা স্বীকার করেন যে, ইয়াবা আছে শুকুরের পেটের ভেতর। তাই তাকে পাবনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালের চিকিৎসকরা পেটে আল্ট্রাসনোগ্রাম এবং এক্স-রে করে নিশ্চিত করেন- শুকুরের পেটে ইয়াবা আছে। কিন্তু সেগুলো বের করার কোন ব্যবস্থা তাদের কাছে নেই। তাই তারা শুকুরকে রামেক হাসপাতালে ভর্তি করার পরামর্শ দেন। সে অনুযায়ী তাকে রামেক হাসপাতালের পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। সেখানেই পুলিশের হেফাজতে তার চিকিৎসা চলছিল। রবিবার রাতে শুকুর মারা যান।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. নওশাদ আলী জানান, জেলা প্রশাসনের একজন ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ময়নাতদন্ত করা হয়। এ সময় শুকুরের পাকস্থলিতে ইয়াবার ৩১টি প্যাকেট পাওয়া যায়। এর মধ্যে ১৬টি প্যাকেট ঠিক ছিল। বাকি ১৫টি প্যাকেট ফেটে গিয়েছিল। এসব প্যাকেটের বড়ি গলতেও শুরু করেছিল। সেগুলো গণনা করা যায়নি। তবে ভালো থাকা ১৫টি প্যাকেটের ইয়াবা ঠিকমতো গণনা করা সম্ভব হয়েছে। এতে প্রত্যেক প্যাকেটে ৫০টি করে ইয়াবা বড়ি পাওয়া গেছে। তাই তারা ধরে নিচ্ছেন যে, ৩১টি প্যাকেটেই ৫০টি করে ইয়াবা ছিল। মোট ইয়াবা বড়ির সংখ্যা ১ হাজার ৫৫০টি। পাকস্থলিতে এত বেশিসংখ্যক ইয়াবা গলে যাওয়ায় শুকুরের মৃত্যু হয়েছে বলেও জানান তিনি।

রাজশাহী নগরীর রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহাদাত হোসেন খান জানান, ঘটনাটি তিনি জানেন। লাশের সুরতহাল, ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা তারাই করেছেন। ময়নাতদন্তের সময় উদ্ধার হওয়া ইয়াবা পাবনা সদর থানার মামলায় জব্দ দেখানো হবে। কারণ, আটকের পর শুকুরসহ চারজনের বিরুদ্ধে পাবনা সদর থানাতেই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা হয়েছে।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »






আরও সংবাদ
https://www.dailyvorerpata.com/ad/BHousing_Investment_Press_6colX6in20200324140555 (1).jpg
https://www.dailyvorerpata.com/ad/last (2).gif
https://www.dailyvorerpata.com/ad/431205536-ezgif.com-optimize.gif
https://www.dailyvorerpata.com/ad/agrani.gif
সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক ভোরেরপাতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৮১৮৯১৪১, ৮১৮৯১৪২, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৮১৮৯১৪৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১৮৯১৪৩, ইমেইল: vorerpata24@gmail.com news@dailyvorerpata.com