সোমবার ● ২৬ অক্টোবর ২০২০ ● ১০ কার্তিক ১৪২৭ ● ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪২
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
হুমকির মুখে বঙ্গবন্ধু সেতু,পূর্বপাড়ে গাইড বাঁধে ভাঙ্গন
আব্দুস সাত্তার,টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
প্রকাশ: রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ৬:৫৪ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

হুমকির মুখে বঙ্গবন্ধু সেতু,পূর্বপাড়ে গাইড বাঁধে ভাঙ্গন

হুমকির মুখে বঙ্গবন্ধু সেতু,পূর্বপাড়ে গাইড বাঁধে ভাঙ্গন

টাঙ্গাইলের বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্বপাড়ে দ্বিতীয় গাইড বাঁধে ফের ভাঙন শুরু হয়েছে। ভাঙনের ফলে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে ১৫০ মিটার বাঁধ ও বাঁধের অভ্যন্তরে থাকা পাকা দালানসহ বেশ কয়েকটি বসতভিটা। ভাঙন অব্যাহত থাকায় হুমকির মুখে রয়েছে বঙ্গবন্ধু সেতুসহ আশপাশের বেশ কয়েকটি গ্রাম।

গত শনিবার রাতে কালিহাতী উপজেলার গোহালিয়াবাড়ি ইউনিয়নের গরিলাবাড়ি নামকস্থানে বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব দ্বিতীয় গাইড রক্ষা বাঁধের ১৫০ মিটার অংশ ভেঙে বেশ কয়েকটি বসতবাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

জানাগেছে,যমুনা নদীর ভাঙন থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু রক্ষার্থে ২০০৪ সালের সেতুর পূর্ব পাড়ের দক্ষিণ পাশে কার্পেটিং ও সিসি ব্লকের মাধ্যমে দ্বিতীয় রক্ষা গাইড বাঁধের নির্মাণ কাজ করা হয়। দীর্ঘদিন রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে দুর্বল বাঁধে ২০১৭ সালে আঘাত হানে যমুনা।অল্প সময়ের ব্যবধানে বাঁধ ও বাঁধের আরশপাশের কয়েক শতাধিক বসতভিটা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায় ।এরপর পুনরায় বাঁধ নির্মাণের প্রকল্প হাতে নেয় সেতু কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি ৩৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে ৪৫০ মিটার এই গাইড বাঁধের নির্মাণ কাজ শেষ করে ‘রানা বিল্ডার্স অ্যান্ড সহিদ ব্রাদার্স, নামের দুইটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।শুরু থেকেই তাদের বিরুদ্ধে গাইডবাঁধ নির্মাণে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ করে আসছিল স্থানীয়রা।শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে পুননির্মাণ ওই বাঁধটির মধ্যবর্তী অংশে ভাঙন দেখা দেয়।মুহুর্তেই নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায় ১৫০ মিটার বাঁধ ও বাঁধের অভ্যন্তরে থাকা পাকা দালানসহ ৩টি বসতভিটা। এর আগে চলতি বছরের জুলাই মাসের শুরুতে ভাঙনের কবলে পড়ে বাঁধটির শেষ প্রান্তের ৫০ মিটার নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।

স্থানীয়রা জানায়, বঙ্গবন্ধু সেতু দ্বিতীয় রক্ষাগাইড বাঁধের কাজ শেষ না হতেই ভাঙন শুরু হয়েছে। দুইবারের ভাঙনে শতাধিক পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়েছেন।বাঁধ নির্মাণের শুরু থেকেই সেতু কর্তৃপক্ষের গাফিলতি ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে স্থানীয়রা নিম্নমানের কাজের অভিযোগ করলেও তা শুনেনি সেতু কর্তৃপক্ষ।

গোহালিয়াবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হযরত আলী তালুকদার জানান,বাঁধ নির্মাণে নিম্নমানের কাজ করা হয়েছে।বাঁধ নির্মাণে যে টাকা ধরা হয়েছিল,তার অর্ধেক টাকাও ব্যয় হয়নি।সেতু কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা এবং ঠিকাদার যোগসাজশ করে বাঁধ নির্মাণের টাকা আত্মসাৎ করেছে।

অভিযোগ অস্বীকার করে বঙ্গবন্ধু সেতু সাইট কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী এহসানুল কবির পাভেল জানান, ভাঙন ঠেকাতে তারা প্রতিনিয়ত কার্যক্রম পরিচালানা করা আসছে। যখন বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু করা হয়, তখন নদীর গভীরতা ছিল ৪০ মিটার। কিন্তু দীর্ঘস্থায়ী বন্যার কারণে নদীর গভীরতা দাঁড়ায় ৪৫ মিটার। ফলে সেখানে ভাঙন নতুন করে ভাঙন শুরু হয়েছে।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »






https://www.dailyvorerpata.com/ad/BHousing_Investment_Press_6colX6in20200324140555 (1).jpg
https://www.dailyvorerpata.com/ad/last (2).gif
https://www.dailyvorerpata.com/ad/431205536-ezgif.com-optimize.gif
https://www.dailyvorerpata.com/ad/agrani.gif
সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক ভোরেরপাতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৮১৮৯১৪১, ৮১৮৯১৪২, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৮১৮৯১৪৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১৮৯১৪৩, ইমেইল: vorerpata24@gmail.com news@dailyvorerpata.com