সোমবার ● ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০ ● ৬ আশ্বিন ১৪২৭ ● ২ সফর ১৪৪২
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও আওয়ামী লীগ
গাজী এমদাদ
প্রকাশ: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ৬:৫৮ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও আওয়ামী লীগ

বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও আওয়ামী লীগ

১৭৫৭ খৃষ্টাব্দের ২৩ জুন পলাশীর আম্রকাননে বাংলার স্বাধীনতার লাল সূর্য অস্তমিত হওয়ার দিনেই বাংলার মানুষকে আবার নব চেতনায় উদ্দীপ্ত করা ও স্বপ্ন দেখানোর দৃপ্ত শপথ নিয়ে যে রাজনৈতিক দলটি গঠিত হয় - সেটি উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী দল " আওয়ামী লীগ"। ২০০ বছরের শাসন- শোষণের অবসান ঘটিয়ে বৃটিশ রা  ১৯৪৭ সালে' উপমহাদেশে ভারত ও পাকিস্তান নামক পৃথক দু'টি রাষ্ট্র সৃষ্টি করে বিদায় নেয়। পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রের জন্মের পর হতেই পাকিস্তানের দু' অংশ - পশ্চিম ও পূর্ব পাকিস্তানের মধ্যে গড়ে উঠে তীব্র বৈষম্য - ভাষা- সংস্কৃতি, অর্থনীতি,শিক্ষা সবদিক দিয়ে চরমভাবে অবহেলিত ও বঞ্চিত হতে থাকে পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলার সংখ্যা গরিষ্ঠ জনগোষ্ঠী। পশ্চিম পাকিস্তানের শাসক গোষ্ঠী সর্ব প্রথম আঘাত হানে বাংলার মানুষের মাতৃভাষা বাংলার উপর- ভিন্ন সংস্কৃতির ও সংখ্যা লঘুদের ভাষা' উর্দু ' কে   রাষ্ট্র ভাষা হিসেবে চাপিয়ে দেওয়ার জন্য জবরদস্তি  শুরু করে - প্রতিবাদে সোচ্চার হতে শুরু করে বাংলার জনগন। আস্তে আস্তে পশ্চিম পাকিস্তানের   শাসক গোষ্ঠীর ষড়যন্ত্র, নিপীড়ন, নির্যাতনের মাত্রা যখন সীমা অতিক্রমের উপক্রম এমনি প্রেক্ষাপটে বাংলার মানুষের মাঝে আশা,সাহস ও শক্তি সঞ্চারে ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন গঠিত হয় একটি রাজনৈতিক দলের।

ঐ বছরের ২৩ জুন পুরনো ঢাকার টিকাটুলির কেএম দাস লেনের ' রোজ গার্ডেন প্যালেস' এ গঠিত হয়"পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম লীগ" - প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি হিসেবে ছিলেন মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানি,সহ সভাপতি আতাউর রহমান খান,শাখাওয়াত হোসেন,আলী আহমদ, আলী আমজাদ খান,আবদুস সালাম খান,কোষাধ্যক্ষ  ইয়ার মোহাম্মদ খান,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তরুণ আওয়ামী লীগ নেতা শেখ মুজিবুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক টাঙ্গাইলের শামসুল হক,পরবতীতে অসাম্প্রদায়িক চেতনায় দলকে পরিচালিত করার প্রত্যয়ে ' মুসলিম' শব্দ টি বাদ দিয়ে ১৯৫৫ সালের ২১ অক্টোবর নতুন নামকরণ হয়" পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ "।  

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মধ্য  দিয়ে কার্যকরী ভূমিকায় অবতীর্ণ হয় দলটি,বাংলার মানুষের মনে সাহস যুগাতে পশ্চিম পাকিস্তানের শাসক গোষ্ঠীর একের পর এক বৈষম্যের বিরুদ্ধে মাঠে সক্রিয় থাকে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ। বাংলার মানুষ কে সম্পৃক্ত করে গড়ে তোলে আন্দোলন -সংগ্রাম। ১৯৫২ সালে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদক  জনাব শামসুল হক অসুস্থ হয়ে পড়লে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান শেখ মুজিবুর রহমান,পরের বছর ১৯৫৩ সালে ঢাকার মুকুল সিনেমা হলে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্মেলনে দলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন শেখ মুজিবুর রহমান -  নতুন ভাবে শক্তি সঞ্চার করে এগিয়ে যেতে থাকে দলটি,মানুষের মধ্যে সৃষ্টি হয় ব্যাপক উদ্দীপনা,আসে ১৯৫৪ সালের  জাতীয় পরিষদ নির্বাচন।এ' নির্বাচন কে কেন্দ্র করে পূর্ব পাকিস্তানের সকল গনতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দলগুলো কে এক ফ্ল্যাটফরমে নিয়ে এসে 'যুক্তফ্রন্ট' গঠন করে ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগ কে চরমভাবে পরাজিত করে বিজয়ী  হয়, কিন্তু মাত্র দেড় বছরের মাথায় পশ্চিম পাকিস্তানের শাসক গোষ্ঠী কতৃক অন্যায়ভাবে  ক্ষমতাচ্যুত হয় যুক্তফ্রন্ট সরকার। এরপর ১৯৬২ এর আন্দোলন, '৬৪ এর শিক্ষা আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয় 'পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ'। বাংলার মানুষের প্রতি পশ্চিম পাকিস্তানের শাসক গোষ্ঠীর মৌলিক অধিকার হরণের অভিযোগ উত্থাপিত হয় বহির্বিশ্ব হতেও,আন্তর্জাতিক জনমত গঠনেও কাজ করতে থাকে শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্ব পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ। 

১৯৫৩  সাল হতে ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত দলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন শেষে ১৯৬৬ সালে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন শেখ মুজিবুর রহমান ও তাজউদ্দীন আহমদ।  বাঙ্গালি দের অধিকার আদায়ে আরও এক ধাপ এগিয়ে যায় পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ।  সামাজিক -সাংস্কৃতিক - রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক,শিক্ষা সবদিক দিয়ে বঞ্চিত বাঙ্গালি দের পাশে আরও শক্ত ভাবে অবস্থান নেয় আওয়ামী লীগ ও শেখ মুজিবুর রহমান। শেখ মুজিবুর রহমান উপলব্দি করেন পশ্চিম পাকিস্তানের সামরিক সরকার বাঙ্গালি দের কোন দিন সামনে এগিয়ে যেতে দেবেনা- পাকিস্তানের জাতীয় আয়ের সিংহ ভাগ যোগান দিতো পূর্ব পাকিস্তান, কৃষি উৎপাদনের ৮০ ভাগও আসতো পূর্ব পাকিস্তান হতে,বৈদেশিক মূদ্রার রিজার্ভ ও বেশি পূর্ব পাকিস্তানে,অথচ সেই বাঙ্গালি দের দিনের পর নিষ্পেষিত হতে হচ্ছে সংখ্যা লঘু পশ্চিম পাকিস্তানের শাসক গোষ্ঠী কতৃক। এটা কিছুতেই আর মেনে নিতে পারেন নি শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৬৬ সালে পশ্চিম পাকিস্তানের লাহোরে বিরোধী দলীয় সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষণা করেন তাঁর ঐতিহাসিক ৬ দফা- এ' ৬ দফার মূল দাবিই ছিলো - পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলার স্বাধীকার, স্বায়ত্তশাসন, অর্থনৈতিক,সামাজিক ও সামরিক স্বাধীনতা ও অধিকার আদায় করা। পরবর্তীতে এ' ৬ দফার সাথে ছাত্ররা আরও ৫ দফা যুক্ত করে ১১ দফা নিয়ে তীব্র গন আন্দোলন গড়ে তোলে, শুরু হয় হরতাল, অবরোধ ও অসহযোগ আন্দোলনের মতো কর্মসূচি - পশ্চিম পাকিস্তানের শাসক গোষ্ঠীর লেলিয়ে দেওয়া পুলিশ ও সামরিক বাহিনীর গুলিতে শহীদ হন বহু আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী ও নিরীহ মানুষ। পূর্ব পাকিস্তানের তথা বাংলার মানুষের অবিসংবাদিত নেতা  শেখ মুজিবুর রহমান সহ অনেকের বিরুদ্ধে ' অাগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা' নামে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করে জেলে নেয় শেখ মুজিবুর রহমান সহ নেতৃবৃন্দ কে।পরবর্তী তে তীব্র গন আন্দোলনের মুখে  ঐ ষড়যন্ত্রমূলক মামলা প্রত্যাহার ও শেখ মুজিবুর রহমান সহ নেতৃবৃন্দ কে মুক্তি দানে বাধ্য হয় সামরিক সরকার। শেখ মুজিবুর রহমান হয়ে উঠেন" বঙ্গবন্ধু"- বাংলার তথা সমগ্র পাকিস্তানের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা! 

এরপর '৭০ এর সাধারণ নির্বাচনে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদে পূর্ব পাকিস্তান হতে ১৬৯ টি আসনের মধ্যে ১৬৭ টি আসন দখল করে নিরংকুশ জয় পায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ, প্রাদেশিক পরিষদের আসনের মধ্যে ২৮৮ আসন পায় আওয়ামী লীগ, প্রাদেশিক পরিষদের ১০ টি সংরক্ষিত মহিলা আসনের সবগুলো তেই জয়ী হয় আওয়ামী লীগ। কিন্তু পাকিস্তানী সামরিক সরকার বাঙ্গালি দের নিকট রাষ্ট্র ক্ষমতা হস্তান্তরে টালবাহানা শুরু করে,নানা ষড়যন্ত্রের জাল বুনতে শুরু করে - বিষয় টি অনুধাবন করে বাঙ্গালি দের ঐক্যবদ্ধ করে ডাক দেন তীব্র প্রতিবাদ ও আন্দোলনের- ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যান হতে ঘোষণা করেন স্বাধীকার ও স্বাধীনতার আন্দোলনের কর্মসূচি, ২৫ মার্চ বঙ্গবন্ধু কে গ্রেফতার করে পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে যায় সামরিক সরকার, গ্রেফতারের পূর্ব মুহূর্তে চুড়ান্ত স্বাধীনতা ঘোষণা করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যা পরের দিন ২৬ মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাটস্থ বেতার কেন্দ্র হতে ঘোষিত হয় আনুষ্ঠানিক ভাবে - অবশেষে ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী আন্দোলন - সংগ্রাম,৩০ লাখ শহীদ ও ২ লাখ মা- বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত হয় স্বাধীনতা- বিশ্ব মানচিত্রে শোভিত হয় 'বাংলাদেশ ' নামে স্বাধীন ও সার্বভৌম একটি নতুন রাষ্ট্রের। আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা কে এজন্য সমার্থক ও অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হয়ে উঠেন সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের জাতির পিতা ও রাষ্ট্র নায়ক। মহান মুক্তিযুদ্ধের পর নতুন সরকার গঠন,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ পুনর্গঠন ও দেশগঠনে নিরলস প্রচেষ্টা চালাতে থাকেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু
শেখ মুজিবুর রহমান ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা। 

মাত্র ৭ মাসের মাথায় নতুন একটি সংবিধান উপহার দেন জাতির পিতা, যে টাকে বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও আধুনিক সংবিধান হিসেবে বিবেচনা করা হয়- যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশের অবকাঠামো বিনির্মান,অর্থনীতির চাকা সচল রাখা, মানুষের মুখ দু' বেলা খাবার তুলে দেওয়াই ছিলো জাতির  পিতার সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। কিন্তু দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে দেশ স্বাধীন হওয়ার মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় সপরিবারে শহীদ হন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের গুম,হত্যা, হামলা- মামলা চলতে থাকে, এরপর সামরিক একনায়ক জিয়াউর রহমান এসে ষ্টীম রোলার চালাতে থাকেন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের  উপর,জাতির পিতার বিচার রোধে জারি করেন কুখ্যাত ' ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স'।জেনারেল জিয়ার মৃত্যুর পর  ১৯৮২ সালে জেনারেল এরশাদ ক্ষমতায় এসে ৯ বছরের শাসনামলে সবচেয়ে বেশি নিপীড়ন - নির্যাতন চালান আওয়ামী লীগ ও দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার উপর।হত্যা,গুম,হামলা- মামলা চালিয়ে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের    দেশান্তরি করারও অপচেষ্টা চালিয়েছিলেন এরশাদ। জেনারেল জিয়া ও জেনারেল এরশাদ জাতির পিতার আত্মস্বীকৃত খুনিদের দেশে ফিরিয়ে এনে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অংশীদার বানান ও রাজনীতি তে পুনর্বাসন করেন। 

দীর্ঘ ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালের ১২ জুন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসার পর আবার শুরু হয় গনতন্ত্র ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া - বাতিল করা হয় কুখ্যাত ' ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স' বিচার শুরু হয় জাতির পিতার হত্যাকান্ডের,জেলহত্যার, শুরু হয় নানা উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ড। ২০০১- ২০০৮ পর্যন্ত আবারও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের উপর পুরনো কায়দায় নিপীড়ন - নির্যাতন, দলীয় সভাপতি কে হত্যার বহু ষড়যন্ত্র ও উদ্যোগ!  সর্বশেষ ২০০৪ সালের ২১ আগষ্টের রক্তাক্ত স্মৃতি আজও তাড়িয়ে বেড়ায় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের। সকল ষড়যন্ত্র ছিন্ন করে ২০০৯ সালে আবারও রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসীন হয় শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। ২০০৯ হতে এখন পর্যন্ত রাষ্ট্র ক্ষমতায় থেকে জাতির পিতার খুনিদের বিচার ও শাস্তি কার্যকর, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতা বিরোধী ও হত্যার বিচার ও রায় কার্যকর এবং দেশকে বিশ্বের দরবারে অর্থনৈতিক ভাবে সমৃদ্ধ শালী ও উন্নত ভাবমূর্তির রাষ্ট্রে পরিনত করা সহ বাঙ্গালি জাতির  সুখ -দুঃখের অংশীদার হয়ে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী ও দলীয় সভাপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা। ১৯৪৯ সাল হতে আজকের ২০২০ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ কে বহু চড়াই উৎরাই পাড় করতে হয়েছে, বহু নেতা-কর্মী হয়েছে খুন,জখম,চিরতরে পঙ্গু,গুম ও নিপীড়িত ও নির্যাতিত। উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্য বাহী দল হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আজ সমহিমায় সমুন্নত - বিশ্বের বড় বড়, সুপ্রাচীন ও ঐতিহ্য বাহী দলসমূহের কাতারে উজ্জ্বল হয়ে আছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, প্রতিষ্ঠাতা, স্বাধীন বাংলাদেশের স্হপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও  তাঁরই সুযোগ্য কন্যা, বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি দেশরত্ন শেখ হাসিনা।

লেখক পরিচিতি: সদস্য, কেন্দ্রীয় ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক উপ কমিটি,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা,সাংবাদিক, কলাম লেখক ও গবেষক।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »






https://www.dailyvorerpata.com/ad/BHousing_Investment_Press_6colX6in20200324140555 (1).jpg
https://www.dailyvorerpata.com/ad/last (2).gif
https://www.dailyvorerpata.com/ad/431205536-ezgif.com-optimize.gif
https://www.dailyvorerpata.com/ad/agrani.gif
সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক ভোরেরপাতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৮১৮৯১৪১, ৮১৮৯১৪২, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৮১৮৯১৪৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১৮৯১৪৩, ইমেইল: vorerpata24@gmail.com news@dailyvorerpata.com