মঙ্গলবার ● ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ ● ১৪ আশ্বিন ১৪২৭ ● ১০ সফর ১৪৪২
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
ইউএনও ওয়াহিদা খানমের ওপর হামলার কথা স্বীকার করলো সাবেক মালি রবিউল
ভোরের পাতা ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ৫:৫৯ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

ইউএনও ওয়াহিদা খানমের ওপর হামলার কথা স্বীকার করলো সাবেক মালি রবিউল

ইউএনও ওয়াহিদা খানমের ওপর হামলার কথা স্বীকার করলো সাবেক মালি রবিউল

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানমের ওপর হামলায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন গ্রেপ্তার হওয়া ইউএনওর বাসার সাবেক মালি রবিউল ইসলাম ফরাস। তার দেয়া তথ্যমতে এই হামলায় ব্যবহৃত হাতুড়ি এবং মই উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকালে দিনাজপুরের পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানিয়েছেন রংপুর রেঞ্জের পুলিশের ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য।

সিসিটিভির ফুটেজ এবং সাময়িক বরখাস্ত ঘটনার বিবেচনায় মালি রবিউল ইসলাম ফরাসকে বৃহস্পতিবার গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। পরে স্বীকারোক্তিতে তিনি ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানান।

জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে রবিউল ইসলাম ফরাস ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বাসভবনে ২০১৯ সালের শেষে অস্থায়ী মালি হিসেবে নিয়োগ পান। চার মাস আগে মালি রবিউল ইসলাম ফরাস ইউএনও ওয়াহিদার বাসা থেকে একটি লাগেজ তার কার্যালয়ে পৌঁছে দেয়ার সময় সেখান থেকে ৫০ হাজার টাকা খোয়া যায়। এই ঘটনাটি ইউএনও ওয়াহিদা জেলা প্রশাসককে জানালে জেলা প্রশাসক মালি রবিউল ইসলাম ফরাসকে সাময়িক বরখাস্ত করে জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে নিয়ে আসেন। ফরাসের বাড়ি দিনাজপুরের বিরল উপজেলার বিজোড়া গ্রামে।

প্রেস ব্রিফিংয়ের সময় দিনাজপুর জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, ইউএনও ওয়াহিদা খানম হত্যাচেষ্টা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের ওসি ইমাম আবু জাফরসহ অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গত ২ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক সাড়ে ৩টায় দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানম এবং তার বাবা মুক্তিযোদ্ধা ওমর আলী শেখের ওপর হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। এঘটনায় আহত দুজনকেই রংপুরে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ইউএনও ওয়াহিদাকে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে করে নেয়া হয় ঢাকার নিউরোসাইন্স মেডিকেল হাসপাতালে। এরপর জরুরি ভিত্তিতে করা হয় অস্ত্রোপচার। এখনো তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন। তিনি শঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তার বাবা মুক্তিযোদ্ধা ওমর আলী শেখ সুস্থ হলেও তার কোমরের নিচের অংশ এখনো অবশ রয়েছে।

এদিকে এই মামলায় রবিউল ইসলাম ফরাসকে শনিবার বিকালে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইসমাইল হোসেনের আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়েছে।

এই হামলা মামলার প্রধান আসামি আসাদুলকে সাত দিনের রিমান্ড শেষে আজ আদালতে তোলার কথা রয়েছে। গতকাল দুই আসামি নবীরুল ও সান্টুকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত।

ইউএনও ওয়াহিদা খানমের ওপর হামলার ঘটনায় শুক্রবার প্রত্যাহারকৃত ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আমিরুল ইসলামকে পুলিশ লাইন্সে রাখা হয়েছে। তার স্থলে ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে রংপুর সদর থানার ইন্সপেক্টর মো. আজিম উদ্দিনকে।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »






আরও সংবাদ
https://www.dailyvorerpata.com/ad/BHousing_Investment_Press_6colX6in20200324140555 (1).jpg
https://www.dailyvorerpata.com/ad/last (2).gif
https://www.dailyvorerpata.com/ad/431205536-ezgif.com-optimize.gif
https://www.dailyvorerpata.com/ad/agrani.gif
সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক ভোরেরপাতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৮১৮৯১৪১, ৮১৮৯১৪২, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৮১৮৯১৪৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১৮৯১৪৩, ইমেইল: vorerpata24@gmail.com news@dailyvorerpata.com