শুক্রবার ● ২ অক্টোবর ২০২০ ● ১৭ আশ্বিন ১৪২৭ ● ১৩ সফর ১৪৪২
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
বাংলাদেশ যতদিন থাকবে, বঙ্গবন্ধু ততদিনই বেঁচে থাকবেন: সাবিনা আক্তার তুহিন
সিনিয়র প্রতিবেদক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২০, ১১:৪০ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশ যতদিন থাকবে, বঙ্গবন্ধু ততদিনই বেঁচে থাকবেন: সাবিনা আক্তার তুহিন

বাংলাদেশ যতদিন থাকবে, বঙ্গবন্ধু ততদিনই বেঁচে থাকবেন: সাবিনা আক্তার তুহিন

বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় জিয়াউর রহমানের সম্পৃক্ততা রয়েছে। এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকার অপরাধে জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচার করতেই হবে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দৈনিক ভোরের পাতার নিয়মিত আয়োজন ভোরের পাতা সংলাপে এ দাবি করেন আলোচকরা। আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য ড. মহিউদ্দিন খান আলমগীর, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুর রহমান, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, আওয়ামী লীগ নেতা শফি আহমেদ এবং ঢাকা মহানগর উত্তর যুব মহিলা লীগের সভাপতি সাবিনা আক্তার তুহিন। ভোরের পাতা সম্পাদক ও প্রকাশক ড. কাজী এরতেজা হাসানের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় অনুষ্ঠানের সঞ্চলনা করেন সাবেক তথ্য সচিব নাসির উদ্দিন।

সাবিনা আক্তার তুহিন বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার অনেক অজানা তথ্য পেলাম আলোচকদের আলোচনার মাধ্যমে। আমার জন্ম ৭৫ সালে হয়নি। কিন্তু বঙ্গবন্ধু আমার কাছে আদর্শের নাম। পাকিস্তান ও তাদের মিত্ররা সেদিন ষড়যন্ত্র করেছিল। আজকে ষড়যন্ত্র চক্রান্ত একাত্তরের আগেও ছিল, এখনো চলছে। এখনো স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তি সক্রিয়। আমরা শুধু প্রতক্ষ্যভাবে যারা হত্যাকান্ডে জড়িত, তাদের বিচার হয়েছে। কিন্তু পরোক্ষভাবে যারা এই হত্যাকান্ডে জড়িত ছিল তাদের মরণোত্তর বিচার করা সম্ভব। বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডে জিয়াউর রহমান সরাসরি জড়িত। তার মরণোত্তর বিচার করা এখন সময়ের দাবি। কেননা, জিয়াউর রহমানের সাথে ২০ মার্চ ১৯৭৫ সালেও খুনিরা দেখা করে বিষয়টি জানিয়ে এসেছিল। এরপর খুনের পরও তাকে খুব শান্ত দেখা গেছে। একই ধারাবাহিকতায় জিয়াউর রহমানের পুত্র তারেক রহমান ২০০৪ সালে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা চালিয়ে শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে। কিন্তু সেদিন আল্লাহর রহমতে তিনি বেঁচে গেছেন। ২১ বছর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ছিল না, কিন্তু আওয়ামী লীগ ধ্বংস হয়ে যায়নি। আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য যে দলগুলো হয়েছে বারুদের গন্ধ নিয়ে। খালেদা জিয়া গ্রেপ্তারের পর তারা আন্দোলন করতে পারেনি। কিন্তু দেখুন, শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তারের পর আমরা লড়াই সংগ্রাম চালিয়ে গেছি।

রাজনীতিতে অনুপ্রবেশকারীদের বিষয়ে তিনি আরো বলেন, এখন আওয়ামী লীগে সাহেদ, পাপিয়ারা এসেছিল। তারা অনেকের সাথে ছবি তুলতেই পারে। কিন্তু ওয়েস্টিনে কারা গিয়েছিল তাদের সিসিটিভিতে দেখলেই পাওয়া যাবে। বর্তমান সরকারের আমলেই আওয়ামী লীগের মধ্যেই দুর্নীতিবাজদের ধরা হচ্ছে। এই সাহস বিএনপি কোনোদিনও দেখাতে পারেনি। এখানো আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচক্ষণ নেতৃত্বের কারণে সেসব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে করোনা-বন্যায় দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। কক্সবাজারের সাবেক সেনা কর্মকর্তা নিহত হওয়ার ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছেন, কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না। আমি এটা বলতে চাই, বঙ্গবন্ধুকে কখনো হত্যা করা সম্ভব নয়। তিনি বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, ততদিনই থাকবেন।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »






আরও সংবাদ
https://www.dailyvorerpata.com/ad/BHousing_Investment_Press_6colX6in20200324140555 (1).jpg
https://www.dailyvorerpata.com/ad/last (2).gif
https://www.dailyvorerpata.com/ad/431205536-ezgif.com-optimize.gif
https://www.dailyvorerpata.com/ad/agrani.gif
সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক ভোরেরপাতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৮১৮৯১৪১, ৮১৮৯১৪২, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৮১৮৯১৪৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১৮৯১৪৩, ইমেইল: vorerpata24@gmail.com news@dailyvorerpata.com