রোববার ● ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০ ● ৫ আশ্বিন ১৪২৭ ● ১ সফর ১৪৪২
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
শেখ কামাল ভাই আমাকে ‘নানকা’ বলে ডাকতেন, আমি তাকে ‘বস’ বলতাম: জাহাঙ্গীর কবির নানক
সিনিয়র প্রতিবেদক
প্রকাশ: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২০, ১০:৩৭ পিএম আপডেট: ০৫.০৮.২০২০ ১১:৪৬ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

শেখ কামাল ভাই আমাকে ‘নানকা’ বলে ডাকতেন, আমি তাকে ‘বস’ বলতাম: জাহাঙ্গীর কবির নানক

শেখ কামাল ভাই আমাকে ‘নানকা’ বলে ডাকতেন, আমি তাকে ‘বস’ বলতাম: জাহাঙ্গীর কবির নানক

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র শেখ কামাল মাত্র ২৬ বছর ১০ দিন বেঁচে ছিলেন। এই অল্প সময়ের মধ্যে তিনি হয়ে উঠেছিলেন দেশের তরুণদের জন্য আদর্শ। তার মতো বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী একজন স্বপ্নবাজ মানুষের জীবনের আদর্শগুলো বর্তমান সময়ের তরুণদের জন্য শিক্ষনীয় বলে দাবি করেছেন আলোচকরা।

বুধবার (৫ আগস্ট) দৈনিক ভোরের পাতার নিয়মিত আয়োজন ভোরের পাতা সংলাপে এসব কথা আলোচকরা। আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য লে. কর্ণেল (অব.) ফারুক খান, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়ার উপাচার্য ড. হারুন উর রশিদ আসকারী এবং বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজী। ভোরের পাতা সম্পাদক ও প্রকাশক ড. কাজী এরতেজা হাসানের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় অনুষ্ঠানের সঞ্চলনা করেন সাবেক তথ্য সচিব নাসির উদ্দিন।

জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, যুগে যুগে কিছু মানুষের জন্ম হয় সমাজ এবং মানুষের জন্য। শেখ কামাল ছিলেন বহুমাত্রিক গুণের অধিকারী। পাকিস্তান বিরোধী আন্দোলনে তিনি সফল ছাত্রনেতা হিসাবে অংশ গ্রহণ করেছেন। একাধারে সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও ক্রীড়া সংগঠক ছিলেন। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে এদেশের খেলাধুলায় বিশেষ করে ফুটবল খেলায় নতুন মাত্রা যোগ করেছিলেন আবাহনী প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। সাংস্কৃতিক অংগনে সফল পদচারণা ছিল তার। তিনি একজন দূরদর্শী স্বপ্নবাজ মানুষ ছিলেন। আমরা সবাই জানি, পবিত্র ৩২ নম্বরে যখন ঘাতকরা আক্রমণ করেছিল, তখন শেখ কামালই প্রথম প্রতিরোধ করেছিলেন। মাত্র ২৬ বছর ১০ দিন বয়সে তিনি আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। তার একটা কথা শেখ হাসিনা আপার মুখে আমরা শুনেছি প্রায়ই, শেখ কামাল বলেছিলেন, ‘হাসু আপু, আমি তোমার আব্বুকে আব্বু বলে ডাকি।’ এরপর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর বলেছিলেন, আমি তো তোমারও আব্বু। বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পরও ষড়যন্ত্রকারীদের ষড়যন্ত্র থেমে নেই। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা চালিয়েছিল খালেদা, নিজামী তারেক গং। আগষ্ট এলেই তাদের ষড়যন্ত্র বেড়ে যায়। আমি ১৯৭৫ সালে বরিশাল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলাম। তখন ৪১ সদস্য বিশিষ্ট ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেখ কামাল কার্যকরী সদস্য ছিলেন। আমি এবং সিলেটের সুলতান মনসুর ছিলাম একই কমিটিতে। এই সুবাদে তার সাথে আমার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। তার সঙ্গে আমার সর্বশেষ দেখা হয়েছিল ১৯৭৫ সালের ১৪ আগস্ট রাত সাড়ে ১২ টা থেকে ১ টার মধ্যে। ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার কথা ছিল। সে উপলক্ষ্যে শেখ কামাল ভাই, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছিলেন সকল প্রস্তুতি দেখতে। তিনি আমাকে আদর করে ডাকতেন নানকা বলে, আমি তাকে বস বলে সম্বোধন করতেন। তিনি সমাজ বিজ্ঞান ডিপার্টমেন্টের সামনে গিয়ে বলেছিলেন, নানকা দেখেছিস আমার ডিপার্টমেন্ট সমাজ বিজ্ঞানকে কি সুন্দরভাবে সাজিয়েছি। এরপর একটি লাল টয়োটা গাড়ীতে তিনি ধানমন্ডির দিকে ছুটে যান। যাওয়ার আগে বলেছিলেন, নানকা, আমি রেডি হয়ে আসছি। তিনি আর আসেননি। এটাই ছিল তার সাথে আমার শেষ দেখা এবং কথা। এদিকে, স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর শেখ কামালকে নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীরা অপপ্রচার চালিয়েছিল।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »






https://www.dailyvorerpata.com/ad/BHousing_Investment_Press_6colX6in20200324140555 (1).jpg
https://www.dailyvorerpata.com/ad/last (2).gif
https://www.dailyvorerpata.com/ad/431205536-ezgif.com-optimize.gif
https://www.dailyvorerpata.com/ad/agrani.gif
সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক ভোরেরপাতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৮১৮৯১৪১, ৮১৮৯১৪২, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৮১৮৯১৪৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১৮৯১৪৩, ইমেইল: vorerpata24@gmail.com news@dailyvorerpata.com