বৃহস্পতিবার ● ৬ আগস্ট ২০২০ ● ২২ শ্রাবণ ১৪২৭ ● ১৫ জিলহজ্জ ১৪৪১
ছোটখাটো নেতারা অনেক টাকার মালিক বনে যাচ্ছেন, মন্ত্রী হয়েও সাহারা আপা ছিলেন সততার উৎকৃষ্ট উদাহরণ: মিজানুর রহমান
সিনিয়র প্রতিবেদক
প্রকাশ: সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২০, ১০:৩৮ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

ছোটখাটো নেতারা অনেক টাকার মালিক বনে যাচ্ছেন, মন্ত্রী হয়েও সাহারা আপা ছিলেন সততার উৎকৃষ্ট উদাহরণ: মিজানুর রহমান

ছোটখাটো নেতারা অনেক টাকার মালিক বনে যাচ্ছেন, মন্ত্রী হয়েও সাহারা আপা ছিলেন সততার উৎকৃষ্ট উদাহরণ: মিজানুর রহমান

আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে যে কয়জন নেতা মাঠে সক্রিয় রাজনীতি করেছেন, নিয়মিত নির্যাতন সহ্য করেছেন তাদের মধ্যে সদ্য প্রয়াত এ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন অন্যতম। তার মতো কর্মীবান্ধব নেত্রীর অভাব কখনোই পূরণ হবার নয় বলে দাবি করেন আলোচকরা। দৈনিক ভোরের পাতার নিয়মিত আয়োজন ভোরের পাতা সংলাপে এসব কথা বলেন আলোচকরা।

সোমবার (১৩ জুলাই) আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক আইন প্রতিমন্ত্রী এ্যাড. কামরুল ইসলাম, ঢাকা ১৭ আসনের সংসদ সদস্য ও চিত্রনায়ক আকবর হোসেন পাঠান ফারুক, যুব মহিলা লীগের সভাপতি নাজমা আক্তার, শিশু প্রতিভা বিকাশ কেন্দ্রের চেয়ারম্যান ও ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সৈয়দ মিজানুর রহমান। দৈনিক ভোরের পাতার সম্পাদক ও প্রকাশক ড. কাজী এরতেজা হাসানের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনা সাবেক তথ্য সচিব নাসির উদ্দিন।

সৈয়দ মিজানুর রহমান বলেন, সাহারা আপাকে আমি ছোটবেলা থেকেই দেখছি। ৯৬ সালে বিএনপির বিরুদ্ধে আমাদের আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু ছিল ফার্মগেট। হরতাল মানেই আওয়ামী লীগের মিছিলে কালোমতন একজন মহিলা। তিনি তখন এত বড় নেত্রী আমরা বুঝতাম না। ২০০১ সালে সময় হরতালের সমর্থনে আমরা পুরো ফার্মগেট এলাকায় মিছিল বের করলাম। সেখানে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন সাহারা খাতুন আপা। তখন পুলিশ আমাদের এলাকার তিনটা ছোটভাইকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর আমি খুব চিন্তায় পরেছিলাম, অষ্টম শ্রেণী পড়ুয়া একটা ছেলের বাবাকে আমি কি জবাব দিবো। এরপর সাহারা খাতুন আপা পরের দিন তাদের জামিনের ব্যবস্থা করেছিলেন। তিনি একটা টাকাও নেননি। উল্টো আমাদের ওই সময়ে ৫০০ টাকা দিয়েছিলেন। এরপর ২০০৪ সালেও আমাদের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারের পর জামিনের ব্যবস্থা করেছিলেন। আমরা যখনই সময় পেতাম, তখন সাহারা আপার বাসায় নিয়মিত চা খেতে যেতাম। তখন আমরা সাহারা আপার বাসায় যে আসবাবগুলো দেখেছি, দুইটা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকার পরও সেখানে কোনো পরিবর্তন দেখিনাই। আমরা তাকে দেখেছি, মমতাময়ী মায়ের ভূমিকায় কিভাবে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের আগলে রেখেছেন। 

সাহারা খাতুনের সততা নিয়ে সৈয়দ মিজানুর রহমান বলেন, আপনারা জানেন কিনা জানি না; ৪ বছর আগে সিঙ্গাপুরের একটি হাসাপাতালে বিল দিতে পারেননি বলে, আরো দুইদিন বেশি থাকতে হয়েছিল। আজকের সমাজে অনেক ছোটখাটো নেতারা অনেক টাকার মালিক বনে যাচ্ছেন, সেদিকে সাহারা আপা ছিলেন সততার উৎকৃষ্ট উদাহরণ। তিনি হয়তো বই লিখে যেতে পারেননি, তবে তার সাথে ঘনিষ্ঠ যারা আছেন, তারা বই লিখলে নতুন প্রজন্ম সাহারা খাতুনকে জানতে পারবে।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »




আরও সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক ভোরেরপাতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৮১৮৯১৪১, ৮১৮৯১৪২, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৮১৮৯১৪৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১৮৯১৪৩, ইমেইল: vorerpata24@gmail.com news@dailyvorerpata.com