মঙ্গলবার ● ১১ আগস্ট ২০২০ ● ২৭ শ্রাবণ ১৪২৭ ● ২০ জিলহজ্জ ১৪৪১
বাজেটের ভিত্তিহীন সমালোচনার জবাব দিয়েছেন পরিকল্পনা মন্ত্রী, ইনশাল্লাহ, আগামী বছরই অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে: শেখ ফজলে ফাহিম
সিনিয়র প্রতিবেদক
প্রকাশ: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২০, ১১:০২ পিএম আপডেট: ০৬.০৭.২০২০ ১১:০৭ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

বাজেটের ভিত্তিহীন সমালোচনার জবাব দিয়েছেন পরিকল্পনা মন্ত্রী, ইনশাল্লাহ, আগামী বছরই অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে: শেখ ফজলে ফাহিম

বাজেটের ভিত্তিহীন সমালোচনার জবাব দিয়েছেন পরিকল্পনা মন্ত্রী, ইনশাল্লাহ, আগামী বছরই অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে: শেখ ফজলে ফাহিম

মরণব্যাধি করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় অধিনায়ক হিসাবে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে আমাদেরও উচিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং স্বাস্থ্যখাতের সবাই সহযোগিতা করা। তাহলেই এই করোনাকে মোকাবিলা করে দেশের অর্থনীতিতে আরো এগিয়ে নেয়া সম্ভব হবে। এছাড়া করোনা পরবর্তী সময়ে আমাদের যে সুযোগ আসছে তা কাজে লাগাতে হবে। 

সোমবার দৈনিক ভোরের পাতার নিয়মিত আয়োজন ভোরের পাতা সংলাপে এসব কথা বলেন আলোচকরা। আলোচনায় অংশ নেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, এফবিসিসিআই সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম এবং স্বাধীনতা চিকিৎসা পরিষদ (স্বাচিপ)’র সভাপতি এম ইকবাল আর্সেনাল। দৈনিক ভোরের পাতার সম্পাদক ও প্রকাশক ড. কাজী এরতেজা হাসানের নির্দেশনা ও পরিকল্পনায় অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনা করেন সাবেক তথ্য সচিব নাসির উদ্দিন। 

শেখ ফজলে ফাহিম বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই করোনা মোকাবিলায় কিছু পদক্ষেপ নিয়েছেন। আমরা এফবিসিসিআই, অর্থ মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে অনেকগুলো বিষয় নিয়ে কাজ করছিলাম। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই দারিদ্রসীমা ৪৬ শতাংশ থেকে নামিয়ে ২১ শতাংশে নামিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। আজকের পরিকল্পনা মন্ত্রী একসময় অর্থ প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। এখন আমরা করোনা পরবর্তী সময়ে অর্থনীতিকে কিভাবে এগিয়ে নিতে পারি সেজন্য কাজ করছি। ফেব্রুয়ারির ২১ তারিখের মধ্যেই ব্যাংকের ঋণ যেন ক্লাসিফাইড না হয়, সেদিকে কাজ শুরু করেন। এরপর প্রণোদনা দেয়া শুরু হয়। কিছু অনুদান এবং কিছু ঋণ হিসাবে যে প্রণোদনা দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকেও কিছু ভালো উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। একই সাথে ব্যাংকের তারল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। অর্থনীতিকে চালিয়ে রাখতে প্রধানমন্ত্রী সবই ব্যবস্থা করেছেন করোনার শুরু থেকেই। এই সময়ে কারো চাকরি চলে গেলে, ৬ মাস তাকে খাদ্য সহায়তা দেয়ার কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এই প্রণোদনা প্যাকেজগুলো শুধু ব্যবসায়ীদের জন্য নয়, দেশের সব মানুষের জন্য প্রণোদনা দেয়া হয়েছে। বাজেট নিয়ে অনেক ভিত্তিহীন সমালোচনা হয়েছে। আমাদের পরিকল্পনা মন্ত্রী অনেক ধৈর্য নিয়ে সব সমালোচনার জবাব দিয়েছেন।  এই বাজেট শুধু এই বছরের জন্য করা হয়নি। এটি তিন বছরের পরিকল্পনায় করা হয়েছে। এই বছর আমাদের টিকে থাকার বছর। আশা করছি, আগামী বছর থেকেই আমাদের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে, ইনশাল্লাহ। 

তিনি আরো বলেন, গত বছরের অক্টোবর-নভেম্বরে পেঁয়াজ নিয়ে সমস্যা হয়েছিল। তখন থেকেই কাজ শুরু করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এবারের রোজায় জিনিসপত্রের দাম তেমনভাবে বাড়েনি। কারণ বাজার মনিটরিং খুব জোরদার করা হয়েছিল। খাদ্য নিরাপত্তার জন্য এবারের কৃষকের ফসল ঘরে তোলা একটা চ্যালেঞ্জ ছিল, সেখানেও বাংলাদেশ সফল হয়েছে। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে একটা উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। করোনায় অনেক বিদেশী কোম্পানিও দেউলিয়া হবে। সে সুযোগটা বাংলাদেশিরা নিতে পারে। এছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে অর্থনীতিকে সচল রাখতে কাজ চলছে। বিশ্বেই সব দেশেই বাজেটে ঘাটতি রয়েছে, এটা নিয়ে আমরা মোটেও চিন্তিত নই। আমাদের অনেক সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ রয়েছে। গত ১২ বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়িয়েছে। করোনা মোকাবিলায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মধ্যেই সমন্বয়হীনতা ছিল।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »




সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক ভোরেরপাতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৮১৮৯১৪১, ৮১৮৯১৪২, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৮১৮৯১৪৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১৮৯১৪৩, ইমেইল: vorerpata24@gmail.com news@dailyvorerpata.com