মঙ্গলবার ● ১১ আগস্ট ২০২০ ● ২৭ শ্রাবণ ১৪২৭ ● ২০ জিলহজ্জ ১৪৪১
করোনা মোকাবিলায় অধিনায়ক হিসেবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন শেখ হাসিনা
করোনা মোকাবিলার পাশাপাশি উন্নয়ন কাজও চলবে: এম এ মান্নান। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ আজ একটি ডাইনামিক দলে পরিণত হয়েছে: জাহাঙ্গীর কবির নানক। বাজেটের ভিত্তিহীন সমালোচনার জবাব দিয়েছেন পরিকল্পনা মন্ত্রী, ইনশাল্লাহ, আগামী বছরই অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে: শেখ ফজলে ফাহিম। স্বাস্থ্যখাতে অর্থছাড় দেয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয়বার ভাবেননি: ইকবাল আর্সেনাল।
সিনিয়র প্রতিবেদক
প্রকাশ: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২০, ১০:৩৯ পিএম আপডেট: ০৭.০৭.২০২০ ১২:৩৮ এএম | অনলাইন সংস্করণ

করোনা মোকাবিলায় অধিনায়ক হিসেবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন শেখ হাসিনা

করোনা মোকাবিলায় অধিনায়ক হিসেবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন শেখ হাসিনা

মরণব্যাধি করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় অধিনায়ক হিসাবে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে আমাদেরও উচিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং স্বাস্থ্যখাতের সবাই সহযোগিতা করা। তাহলেই এই করোনাকে মোকাবিলা করে দেশের অর্থনীতিতে আরো এগিয়ে নেয়া সম্ভব হবে। এছাড়া করোনা পরবর্তী সময়ে আমাদের যে সুযোগ আসছে তা কাজে লাগাতে হবে। 

সোমবার দৈনিক ভোরের পাতার নিয়মিত আয়োজন ভোরের পাতা সংলাপে এসব কথা বলেন আলোচকরা। আলোচনায় অংশ নেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, এফবিসিসিআই সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম এবং স্বাধীনতা চিকিৎসা পরিষদ (স্বাচিপ)’র সভাপতি এম ইকবাল আর্সেনাল। দৈনিক ভোরের পাতার সম্পাদক ও প্রকাশক ড. কাজী এরতেজা হাসানের নির্দেশনা ও পরিকল্পনায় অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনা করেন সাবেক তথ্য সচিব নাসির উদ্দিন। 

এম এ মান্নান বলেন, ইতিমধ্যেই বিভিন্ন দেশ থেকে শুরু করে ফোবর্স ম্যাগাজিনেও করোনা মোকাবিলায় শেখ হাসিনার বীরত্বের কথা উঠে এসেছে। মাত্র ২৪ ঘন্টার মধ্যে এক নোটিশে প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্যখাতের সক্ষমতা বাড়িয়ে ছিলেন। আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বলেছেন, এই করোনা মোকাবিলাও করবো, পাশাপাশি উন্নয়ন কাজও চলবে। টাকার কোনো সমস্যা হবে না। বাইরে থেকে টাকা না এনে রিজার্ভের টাকা উন্নয়নকাজে ব্যবহার করারও পরিকল্পনা রয়েছে। আমি খুবই সৌভাগ্যবান যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। 

তিনি আরো বলেন, এই করোনা মোকাবিলায় এবারের বাজেটে আলাদা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই সবাইকে সাথে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। পৃথিবীর আর কোনো রাষ্ট্রনায়ক এতটা সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে না বলেও মনে করেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান। 

জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, আমি মনে করি ভোরের পাতা সংলাপে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে এসেছে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণে আপনারা দেখুন, করোনা কি পরিস্থিতিতে রয়েছে। আজকে ভারতে ৩২ হাজারের বেশি লোক আক্রান্ত হয়েছে, মারা গেছে ৬১৩ জন। আমাদের দেশে ৩২ শ’ আক্রান্ত হয়েছেন, মারা গেছেন ৪৪ জন এবং সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩৫ শ’র বেশি। চীনের উহানে যখন করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পরলো, তখনই প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছেন। এই করোনার মধ্যেও কল্যাণমুখী এবং জনগণের জন্য একটি বৈজ্ঞানিক ও বাস্তবসম্মত বাজেট উপহার দিয়েছেন। আমাদের আবেগের জায়গা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এ বছর বঙ্গবন্ধুর শতবর্ষ উদযাপনের কথা ছিল। কিন্তু আমাদের প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষকে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে না ফেলতে সকল অনুষ্ঠান বাতিল করে দেন। তিনি করোনা মোকাবিলায় ৩১ দফা নির্দেশনা দিয়েছেন। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে করোনায় মৃত্যুর হার যেখানে ১২ থেকে ১৩ শতাংশ, সেখানে বাংলাদেশে মৃত্যুর হার মাত্র ১ দশমিক ৩ শতাংশ। এই করোনাকালে কৃষকের ধান কাটা নিয়ে একটা সংশয় দেখা হয়েছিল। আমাদের নেত্রী বলেছিলেন, কোনো খাদ্যঘাটতি যেন দেখা দেয়। সেদিক বিবেচনায় শেখ হাসিনার কর্মীরা কৃষকের ধান কেটে দিয়েছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ আজ এমন একটি ডাইনামিক দলে পরিণত হয়েছে। সব আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগ, যুব মহিলা লীগের সবাই মানুষের জন্য খাবার পৌঁছে দিয়েছেন। রাতের আধাঁরে মধ্যবিত্তদের ঘরেও খাবার পৌঁছে দেয়া হয়েছে। পরিবেশ রক্ষায় আওয়ামী লীগের প্রতিটি কর্মী তিনটি করে গাছ লাগানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এই করোনায় মোহাম্মদ নাসিম, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ, সিলেটের সাবেক মেয়র বদরুদ্দিন কামরান এই করোনায় মারা গেছেন। কারণ আমাদের আওয়ামী লীগের নেতারা ডিপ ফ্রিজে বসে ছিলেন না, তারা মানুষের পাশে ছিলেন। আমরা করোনাকে ভয় পাই না। আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভঙ্গুর নয়। এখন কেউ সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা নিতে চায় না। শেখ হাসিনায় মানুষের দৌঁড়গোড়ায় চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিয়েছেন। বিশ্বের অনেক বড় বড় দেশই করোনা মোকাবিলা করতে পারেনি। আমি মনে করি এটা ওইসব দেশের সরকারের ব্যর্থতা নয়। আমাদের দেশে এই সময় গুজব রটেছিল, থানকুনি পাতা খেলে করোনা হয় না। এই করোনা মোকাবিলায় আমাদের সবচে বড় ওষুধ হলো মনোবল। জীবন ও জীবিকাকে একসাথে নিয়েই বাংলাদেশের মানুষের পথচলার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি আগেই লক্ষ্য নির্ধারণ করে রাখেন বলেই দেশে আজ রিজার্ভের পরিমাণ ৩৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে। 

তিনি আরো বলেন, করোনাকালে জেলা পর্যায়ে সচিবদের দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল সরকারের পক্ষ থেকে। প্রশাসনের সব স্তরের সবাইকে একটিভ করার জন্যই এটা করা হয়েছিল। এটা নিয়ে ভুল বোঝাবুঝির অবসান হয়েছে। ত্রাণ বিতরণে জনপ্রতিনিধিরাই কাজ করছেন। সারাদেশে ৬১ হাজারের বেশি জনপ্রতিনিধি রয়েছে। সেখানে ১৫ জন অপরাধ করেছে, ২২ জন চেষ্টা করেছিল। তাদেরও শাস্তি হয়েছে। আড়াই লাখ মানুষকে ঈদ উপহার পেয়েছেন। এই করোনার সময় ৬ কোটির বেশি মানুষ শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে সুবিধা পেয়েছেন। 

শেখ ফজলে ফাহিম বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই করোনা মোকাবিলায় কিছু পদক্ষেপ নিয়েছেন। আমরা এফবিসিসিআই, অর্থ মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে অনেকগুলো বিষয় নিয়ে কাজ করছিলাম। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই দারিদ্রসীমা ৪৬ শতাংশ থেকে নামিয়ে ২১ শতাংশে নামিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। আজকের পরিকল্পনা মন্ত্রী একসময় অর্থ প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। এখন আমরা করোনা পরবর্তী সময়ে অর্থনীতিকে কিভাবে এগিয়ে নিতে পারি সেজন্য কাজ করছি। ফেব্রুয়ারির ২১ তারিখের মধ্যেই ব্যাংকের ঋণ যেন ক্লাসিফাইড না হয়, সেদিকে কাজ শুরু করেন। এরপর প্রণোদনা দেয়া শুরু হয়। কিছু অনুদান এবং কিছু ঋণ হিসাবে যে প্রণোদনা দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকেও কিছু ভালো উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। একই সাথে ব্যাংকের তারল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। অর্থনীতিকে চালিয়ে রাখতে প্রধানমন্ত্রী সবই ব্যবস্থা করেছেন করোনার শুরু থেকেই। এই সময়ে কারো চাকরি চলে গেলে, ৬ মাস তাকে খাদ্য সহায়তা দেয়ার কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এই প্রণোদনা প্যাকেজগুলো শুধু ব্যবসায়ীদের জন্য নয়, দেশের সব মানুষের জন্য প্রণোদনা দেয়া হয়েছে। বাজেট নিয়ে অনেক ভিত্তিহীন সমালোচনা হয়েছে। আমাদের পরিকল্পনা মন্ত্রী অনেক ধৈর্য নিয়ে সব সমালোচনার জবাব দিয়েছেন।  এই বাজেট শুধু এই বছরের জন্য করা হয়নি। এটি তিন বছরের পরিকল্পনায় করা হয়েছে। এই বছর আমাদের টিকে থাকার বছর। আশা করছি, আগামী বছর থেকেই আমাদের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে, ইনশাল্লাহ। 

তিনি আরো বলেন, গত বছরের অক্টোবর-নভেম্বরে পেঁয়াজ নিয়ে সমস্যা হয়েছিল। তখন থেকেই কাজ শুরু করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এবারের রোজায় জিনিসপত্রের দাম তেমনভাবে বাড়েনি। কারণ বাজার মনিটরিং খুব জোরদার করা হয়েছিল। খাদ্য নিরাপত্তার জন্য এবারের কৃষকের ফসল ঘরে তোলা একটা চ্যালেঞ্জ ছিল, সেখানেও বাংলাদেশ সফল হয়েছে। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে একটা উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। করোনায় অনেক বিদেশী কোম্পানিও দেউলিয়া হবে। সে সুযোগটা বাংলাদেশিরা নিতে পারে। এছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে অর্থনীতিকে সচল রাখতে কাজ চলছে। বিশ্বেই সব দেশেই বাজেটে ঘাটতি রয়েছে, এটা নিয়ে আমরা মোটেও চিন্তিত নই। আমাদের অনেক সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ রয়েছে। গত ১২ বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়িয়েছে। করোনা মোকাবিলায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মধ্যেই সমন্বয়হীনতা ছিল।


ইকবাল আর্সেনাল বলেন, একটা জিনিস বলা যায়, আমাদের প্রধানমন্ত্রী যতক্ষণ না পর্যন্ত সরাসরি হস্তক্ষেপ করলেন, ততক্ষণ পর্যন্ত চিকিৎসা সেবায় যারা জড়িত ছিলেন তারা হতম্বভ ছিলেন। তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টা যখন প্রধানমন্ত্রী নিশ্চিত করলেন, তখন তারা মনোবল ফিরে পেলেন এবং কাজ শুরু করলেন। স্বাস্থ্যসেবায় আমাদের প্রধানমন্ত্রীর যে অনুপ্রেরণা সেটা আমাদের জন্য অনেক কাজে দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই তৃণমূল পর্যায়ে কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় হাসপাতালও নির্মাণ করেছেন। একটা কথা বলতেই হয়, আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে গতিতে চলছেন, অন্যরা তা করছেন না। আমাদের উচিত ছিল, তার কাছে পরিকল্পনা নিয়ে যাওয়ার। কিন্তু আমরা সেখানে যেতে পারি নাই। শুরুতেই প্রধানমন্ত্রীকে ভুল তথ্যও দেয়া হয়েছিল। স্বাস্থ্যখাতে অর্থছাড় দেয়ার বিষয়ে তিনি দ্বিতীয়বার ভাবেননি। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশেই ৫ হাজারের বেশি স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। করোনার ভ্যাকসিন আনার জন্য তিনি চীন সরকারের সাথেও আলোচনা করেছেন। চীন সরকারও রাজি হয়েছে প্রথমেই আমাদের ভ্যাকসিন দেয়া হবে। এছাড়া করোনার সময় ঘূর্ণিঝড় আম্পান নিয়ে খুবই ভয়ে ছিলাম। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পরিস্থিতি সামাল দেয়া হয়েছিল। করোনায় যে ক্ষতি হয়েছিল, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে তা পুষিয়ে নেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। জীবন ও জীবিকার ক্ষেত্রেও সমন্বয় করছেন প্রধানমন্ত্রী। আমি করোনাকালে গণমাধ্যম যেভাবে ভূমিকা রাখছে স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে তা অবশ্যই প্রশংসনীয়। আমি শেষ কথা হিসাবে বলতে চাই, যারা আক্রান্ত হচ্ছেন তারা বাড়িতে থেকেই চিকিৎসা নিন। শুধুমাত্র শ্বাসকষ্ট বাড়লেই হাসপাতালে আসুন। মাস্ক পরিধান করা এবং হাত বারবার ধোয়া, এমনকি শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখলেই আমরা করোনাকে মোকাবিলা করতে পারবো। 

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »




আরও সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক ভোরেরপাতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৮১৮৯১৪১, ৮১৮৯১৪২, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৮১৮৯১৪৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১৮৯১৪৩, ইমেইল: vorerpata24@gmail.com news@dailyvorerpata.com