বৃহস্পতিবার ● ৬ আগস্ট ২০২০ ● ২২ শ্রাবণ ১৪২৭ ● ১৫ জিলহজ্জ ১৪৪১
ইউটিউবে চ্যানেল খুলে ভিডিও ছেড়ে দিলেই শিল্পী হওয়া যায় না: ফারজানা ছবি
সিনিয়র প্রতিবেদক
প্রকাশ: শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২০, ১০:৩৬ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

ইউটিউবে চ্যানেল খুলে ভিডিও ছেড়ে দিলেই শিল্পী হওয়া যায় না: ফারজানা ছবি

ইউটিউবে চ্যানেল খুলে ভিডিও ছেড়ে দিলেই শিল্পী হওয়া যায় না: ফারজানা ছবি

আমাদের দেশের অপসংস্কৃতি রোধ করতে যে সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে তা ভাঙতে হলে শিল্পী সমাজকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। কিন্তু এই সিন্ডিকেটের অনেকেই আবার সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তাই এ সিন্ডিকেট ভাঙা খুবই কষ্টসাধ্য কাজ। আমাদের সমাজে শুধু যৌন আবেদনকে কাজে লাগিয়ে অনেকেই পারফারমার তৈরি করছে। এতে করে সাংস্কৃতিকভাবে আমাদের ইমেজ নষ্ট হচ্ছে বলে মনে করেন আলোচকরা। দৈনিক ভোরের পাতার নিয়মিত আয়োজন ভোরের পাতা সংলাপে এসব কথা বলেন আলোচকরা।

শনিবার (৪ জুন) ভোরের পাতা সংলাপে আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন নজরুল সংগীত শিল্পী ও নজরুল গবেষক সুজিত মোস্তফা, টেলিপ্যাবের আর্কাইভ সেক্রটারি মীর ফখরুদ্দীন ছোটন এবং অভিনেত্রী ফারজানা ছবি। দৈনিক ভোরের পাতার সম্পাদক ও প্রকাশক ড. কাজী এরতেজা হাসানের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় অনুষ্ঠানটির সঞ্চালক ছিলেন শামীমা তুষ্টি।

ফারজানা ছবি বলেন, আমি মার্চ মাসের ১৪ তারিখ থেকে পুরোপুরি বাসায় রয়েছি। আমি একদিনের জন্যও বাসায় থেকে বের হইনি। আমি যে বাসায় থাকি, সেখানে পাশের ফ্লাটের একজন করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। আমি পুরোপুরিভাবে বের হইনি কারণ, পরিবারে শিশু ও বয়স্ক মানুষ আছে। আমি চাইনি, আমার অসচেতনার জন্য পরিবারের কেউ আক্রান্ত হোক। ইতিমধ্যেই আমি ঘরে থেকে একটা ধারাবাহিকের শুটিং করেছি। গত এক মাস ধরে আবারো শুটিং শুরু হয়েছে। এখানে অনেক লোকের সমাগম হচ্ছে। অন্যান্য দেশের শুটিংয়ে শিল্পীরা মাস্ক পরিধান করছেন, কিন্তু আমাদের দেশে তা মানা হচ্ছে। তাই শুটিং করতে গিয়ে শিল্পীরা চরম ঝুঁকিতে রয়েছেন। 

তিনি আরো বলেন, শিল্পী এবং পারফরমার এই দুইটার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। আমারে অনেকেই পারফরমার হয়েই শিল্পী ভাবতে শুরু করি। এখন একটা মোবাইল থাকলেই ইউটিউবে চ্যানেল খুলে ভিডিও বানিয়ে ছেড়ে দিলেই শিল্পী হওয়া যায় না। শিল্পী হতে হলে তৈরি হতে হয়। অনেক মেধা, শ্রম ও ঘাম থাকতে হয়। করোনার এই সময় অনেকেই টিকটিক করে হঠাৎ করেই ভিডিও বানিয়ে খুব জনপ্রিয় হলো, তারপর আবার হারিয়েও যাচ্ছে। কিন্তু শিল্পীরা হারিয়ে যায় না। আমি শিল্পী হিসাবে ধৈর্য্য রেখেই প চলছি এবং এখনো শিখছি। আরেকটা ব্যাপার এই সময়ে শিখেছি, আমার নানুর বয়স প্রায় একশ। তিনি আমার বাসায়ই আছেন। তাকে দেখে ব্যস্ত সময়ে কোনোদিন হাসেনি। কিন্তু এখন পরিবারের সবাইকে পেয়ে হাসতে শিখেছেন তিনি। ঘরে থেকেও আমাদের অনেক কিছু করার আছে।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »




সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক ভোরেরপাতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৮১৮৯১৪১, ৮১৮৯১৪২, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৮১৮৯১৪৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১৮৯১৪৩, ইমেইল: vorerpata24@gmail.com news@dailyvorerpata.com