বৃহস্পতিবার ● ৬ আগস্ট ২০২০ ● ২২ শ্রাবণ ১৪২৭ ● ১৫ জিলহজ্জ ১৪৪১
আমি যে বাঙালি, সেটা আমি সর্বান্তকরণে উপভোগ করি: সুজিত মোস্তফা
সিনিয়র প্রতিবেদক
প্রকাশ: শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২০, ১০:২৬ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

আমি যে বাঙালি, সেটা আমি সর্বান্তকরণে উপভোগ করি: সুজিত মোস্তফা

আমি যে বাঙালি, সেটা আমি সর্বান্তকরণে উপভোগ করি: সুজিত মোস্তফা

আমাদের দেশের অপসংস্কৃতি রোধ করতে যে সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে তা ভাঙতে হলে শিল্পী সমাজকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। কিন্তু এই সিন্ডিকেটের অনেকেই আবার সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তাই এ সিন্ডিকেট ভাঙা খুবই কষ্টসাধ্য কাজ। আমাদের সমাজে শুধু যৌন আবেদনকে কাজে লাগিয়ে অনেকেই পারফারমার তৈরি করছে। এতে করে সাংস্কৃতিকভাবে আমাদের ইমেজ নষ্ট হচ্ছে বলে মনে করেন আলোচকরা। দৈনিক ভোরের পাতার নিয়মিত আয়োজন ভোরের পাতা সংলাপে এসব কথা বলেন আলোচকরা।

শনিবার (৪ জুন) ভোরের পাতা সংলাপে আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন নজরুল সংগীত শিল্পী ও নজরুল গবেষক সুজিত মোস্তফা, টেলিপ্যাবের আর্কাইভ সেক্রটারি মীর ফখরুদ্দীন ছোটন এবং অভিনেত্রী ফারজানা ছবি। দৈনিক ভোরের পাতার সম্পাদক ও প্রকাশক ড. কাজী এরতেজা হাসানের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় অনুষ্ঠানটির সঞ্চালক ছিলেন শামীমা তুষ্টি।

সুজিত মোস্তফা বলেন, পৃথিবীতে বিভিন্ন সময় সংকট এসেছে। মানুষই আবার সেই সংকট কাটিয়ে উঠেছে। কিন্তু এই সংকট উত্তরণের জন্য এখনো কোনো উপায় পাওয়া যায়নি। ইন্টারনেট আমাদের কিছু সুবিধা দিয়েছে, একই সঙ্গে কিছু অসুবিধাও রয়েছে। মাঝে মাঝে কিছু মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর খবর প্রচার করা হচ্ছে। এর ফলে অনেক সময় জীবনও গেছে। এই করোনা সময়ের মধ্যে  আমরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে যাচ্ছে। আমি সবাইকে একটা কথাই বলতে চাই, ভয় পেলে করোনা আরো সাহস পেয়ে যায়। তাই মানসিক শক্তি না থাকলে রোগ পেয়ে বসে। এই করোনাকালে আমার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। এখন অনলাইনে ক্লাস চালিয়ে যাচ্ছি। গতকাল আমার স্ত্রী মুনমুন অন্ধকারের মধ্যেই ‘তোমার সঙ্গে বেঁধেছি আমার প্রাণ’ গানটির সাে নেচেছে। আমি সত্যিই সোভাগ্যবান যে, এই দুঃসময়েও স্ত্রী আমাকে এত ভালোবাসে।   

তিনি আরো বলেন, করোনা আমাদের মারার আগে টিকটকের ভিডিও দেখেই মরে যাচ্ছি। আমি মূলত বেসিক বাংলা গান করি। আমরা সব সময় ভালো জিনিসকে গ্রহণ করতে গিয়ে নিজেকে বিসর্জন দেয়ার কিছু নেই। আমি যে বাঙালি, সেটা আমি সর্বান্তকরণে উপভোগ করি। আপনারা যদি দেখেন পারমানবিক বোমা দিয়ে ধ্বংসযজ্ঞ করেছে, আবার চিকিৎসা বিজ্ঞানেও ব্যবহার হয়েছে। আমাদের সমাজে অনেক কিছুতেই সামঞ্জস্য নেই। এই সমাজে মেধাবীদের মূল্যায়ন হয় না। মেধাবিদের পিছনে ফেলে দিতে সংঘবদ্ধভাবে কাজ করে অযোগ্যরা। কারণ তারা জানে একজন মেধাবী ৫০ জনের জায়গা নিতে পারে। জীবনে সফল হওয়াটাই আসল কথা। প্রতিযোগিতা করে প্রথম হওয়ার মধ্যে কোনো কৃতিত্ব নেই। ভালো জিনিস দিয়ে টিকে থাকতে হবে। কর্পোরেট দুনিয়ার অনুষ্ঠান এবং গায়ে হলুরে অনুষ্ঠানে আজকাল কোনো গান হয় না, সেখানে উন্মাদনা থাকে। এমনকি বাংলা গান সেখানেই থাকে না। বাংলায়ও অনেক ভালো ভালো গান রয়েছে। 

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »




সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক ভোরেরপাতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৮১৮৯১৪১, ৮১৮৯১৪২, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৮১৮৯১৪৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১৮৯১৪৩, ইমেইল: vorerpata24@gmail.com news@dailyvorerpata.com