বৃহস্পতিবার ● ৬ আগস্ট ২০২০ ● ২২ শ্রাবণ ১৪২৭ ● ১৫ জিলহজ্জ ১৪৪১
লাল-সবুজের পতাকা আমার অস্তিত্বে, তাই শিব নারায়ন দাসের পাশে দাঁড়িয়েছি
ড. কাজী এরতেজা হাসান
প্রকাশ: শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২০, ৭:৫৯ পিএম আপডেট: ০৪.০৭.২০২০ ৮:০২ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

লাল-সবুজের পতাকা আমার অস্তিত্বে, তাই শিব নারায়ন দাসের পাশে দাঁড়িয়েছি

লাল-সবুজের পতাকা আমার অস্তিত্বে, তাই শিব নারায়ন দাসের পাশে দাঁড়িয়েছি

করোনা মহামারীর এই সময়ে বাসা থেকে একদমই বের হই না। স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবং পরিবারের সুরক্ষার জন্য গৃহবন্দী হয়ে আছি প্রায় ৩ মাস ধরে। এই অবস্থায় ডিজিটাল প্লাটফর্মে প্রায় সব ধরণেই কাজ করছি। সবার সাথে যোগাযোগও হচ্ছে। ভোরের পাতার নিয়মিত আয়োজন ভোরের পাতা সংলাপের পরিকল্পনা ও নির্দেশনা নিয়ে সময় কেটে যাচ্ছে। এরই মাঝে দুইদিন আগে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার শিব নারায়ন দাসের অর্থাভাবে অসহায় জীবন-যাপনের আমার দৃষ্টিগোচর হয়। এরপর নিজেকে আর ধরে রাখতে পারেনি। আমি বিশ্বাস করি, লাল-সবুজের পতাকা অস্তিত্বে মিশে আছে। তাই লাল-সবুজের এই পতাকার ডিজাইনার শিব নারায়ন দাসের পাশে দাঁড়ানোটা আমার নৈতিক দায়িত্ব ও কর্তব্য। 

শুক্রবার রাতে দৈনিক ভোরের পাতা অনলাইন ভার্সনে ‘লাল-সবুজের পতাকার ডিজাইনার শিব নারায়নকে ড. কাজী এরতেজা হাসানের আর্থিক অনুদান’ শিরোনামে খবরটি প্রকাশ হলে অনেকেই আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। এমনকি প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকেও ফোন করে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। মমতাময়ী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমার এই উদ্যোগে অত্যন্ত খুশি হয়েছেন। তিনিও নিজে উদ্যোগী হয়ে শিব নারায়ন দাসের দায়িত্ব নেয়ার কথাও জানিয়েছেন। 

আমি মনে করি, একাত্তরের সুমহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের মানুষ পেয়েছিল চির কাঙ্খিত একটি লাল-সবুজের পতাকা। ৩০ লাখ শহীদ এবং দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে পাওয়া স্বাধীনতা ও ঐক্যের প্রতীক আমাদের এই জাতীয় পতাকা। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, স্বাধীন বাংলাদেশে অনেক মুক্তিযোদ্ধাকেও দেখেছি মানবেতর জীবন-যাপন করতে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব সময়ই মুক্তিযোদ্ধা থেকে শুরু করে অসহায় মানুষের পাশে সব সময়ই দাঁড়াচ্ছেন। তবে একথাও স্বীকার  করতে হবে, অন্য যেকোনো সরকারের চেয়ে মুক্তিযোদ্ধারা এখন ভালো আছে। মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতাও কয়েকগুণ বেড়েছে। 

বাংলাদেশ যতদিন থাকবে, ততদিনই আমাদের লাল-সবুজের পাতাকাও থাকবে। এই পতাকার ডিজাইনার যখন অর্থাভাবে অসহায় জীবন যাপন করেন, তখন নিজের মধ্যে অপরাধবোধ কাজ করে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের সৈনিক এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একজন কর্মী হিসাবে শিব নারায়ন দাসের পাশে দাঁড়িয়েছি। আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকেই শিখেছি কিভাবে মানুষের পাশে দাঁড়াতে হয়। এই করোনা সংকট মোকাবিলায় আমাদের প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন যা দেশসহ বিশ্বব্যাপী প্রশংসনীয়।

উল্লেখ্য, শিব নারায়ন দাসের অসুস্থতা এবং আর্থিক অনটনের বিষয়টি প্রথমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লিখেন সাংবাদিক সুপন রায়। এছাড়া তার দায়িত্ব নিয়েছে স্পিক আউট নামের একটি প্রতিষ্ঠান। এই শিব নারায়ন দাস স্বাধীন বাংলাদেশের লাল সবুজের পতাকার ডিজাইনার। এছাড়া তিনি অবিভক্ত কুমিল্লা জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকও ছিলেন।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »




আরও সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক ভোরেরপাতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৮১৮৯১৪১, ৮১৮৯১৪২, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৮১৮৯১৪৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১৮৯১৪৩, ইমেইল: vorerpata24@gmail.com news@dailyvorerpata.com